সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এই কৃষিসেবার উদ্বোধন করে গ্রামীণফোন। এ সেবা ব্যবহার করে কৃষক শস্য উৎপাদন, শাক-সবজি ও মৎস্য চাষ, গবাদি পশু পালন এবং পুষ্টিসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে তথ্য পাবে।
জিপি কৃষিসেবায় কৃষক যে শস্য, মাছ, গবাদিপশু উৎপাদন করতে চান সে বিষয়ে তিনি যে অঞ্চলে অবস্থান করছেন সেই অঞ্চলের সঙ্গে মিল রেখে তথ্য দেওয়া হবে। এই সেবা পেতে কৃষককে তার এলাকা এবং পছন্দের শস্য,মাছ, গবাদি পশুর নাম দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। একজন কৃষক সর্বোচ্চ তিনটি টাইপ বেছে নিতে পারবেন।
সাধারণত, শস্য বর্ষপঞ্জি এবং ঋতুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্য দেওয়া হবে। তাই যদি খুলনা অঞ্চলের কোনও কৃষক যদি তার এলাকার আবহাওয়া অনুযায়ী তেলাপিয়া মাছ চাষের তথ্য জানতে চান তাহলে জিপি কৃষিসেবা শস্য বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী তথ্য দেবে। এই তথ্য হবে আইভিআর এবং ভয়েস মেসেজভিত্তিক যা তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাবেন। এ সেবা পেতে প্রতি সপ্তাহে খরচ হবে ৫ টাকা। এ ছাড়াও, গ্রাহকরা এগ্রো কল সেন্টারে ফোন করে কৃষি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন প্রতি মিনিট ৩ টাকা করে। এই সেবার জন্য নিবন্ধিত গ্রাহকরা যেকোনও অপারেটরে ১ পয়সা সেকেন্ডে কল করতে পারবেন।
কৃষিসেবার উদ্বোধনকালে গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, জিপি কৃষিসেবা আমাদের অভিনব সেবাগুলোরই সর্বশেষ সংস্করণ। এটা কৃষকদের জীবনে নতুন সুবিধাদানের মাধ্যমে তাদের জীবনকে সহজ করে তুলবে।
কৃষিসেবার পরীক্ষামূলক পর্যায়েই প্রায় ১২ হাজার কৃষক সেবা নেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছে। জিপি কৃষিসেবায় কনটেন্ট পার্টনার হিসেবে আছে উইনমিয়াকি লিমিটেড।
/এইচএএইচ/