বাসায় বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অফিস করার ট্রেন্ড চালু করেছে কোভিড-১৯। তবে হোম অফিসের এই ধারণা কতটা উপযুক্ত তা অনেক আগেই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন ফ্রিল্যান্সাররা। করোনা মহামারির মাঝে মুলধারার চাকরির বাজার এখনও পুনরুদ্ধার না হলেও আউটসোর্সিং কাজের সঙ্গে জড়িতদের আধিপত্য ক্রমান্বয়েই বাড়ছে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ফ্রিল্যান্সিং সেবার সঙ্গে জড়িত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কর্মী নিজেদের আয়ের পাশাপশি নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছেন।
আউটসোর্সিং’র এই অপার সম্ভাবনাময় খাত ও আইসিটি খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ইতোমধ্যে দেখেছে সাফল্যের মুখ। দেশের যুবসমাজকে আইসিটি খাতের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি করার প্রয়াসে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অর্থায়নে পরিচালিত লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ৪০ হাজার তরুণ তরুণীকে ফ্রিল্যান্সিংবিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের ১৫টি লটের মধ্যে সুশীলন ও সফটসেল সলিউশন লিমিটেডের আওতায় পরিচালিত ৫ নম্বর লটে অর্ধলক্ষাধিক ইউএস ডলার আয় করেছে প্রশিক্ষণার্থীরা। এই লটের আওতায় বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯২টি উপজেলায় সরকারের আইসিটি বিভাগের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গ্রাফিকস ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান প্রকল্পের আওতায় ৪০ হাজার তরুণ-তরুণীকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
-বিজ্ঞপ্তি