১ মাসের মধ্যে কমিশন না বাড়ালে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ

সংবাদ সম্মেলনমোবাইলফোনের রিচার্জ এবং মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের কমিশন এক মাসের মধ্যে বাড়ানো না হলে রিচার্জ বন্ধের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ অ্যান্ড ব্যাংকিং ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনটি রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুমকি দেয়।  
সংগঠনটি ৭ দফা দাবিও পেশ করেছে। চলতি মাসের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে মোবাইল রিচার্জের সঙ্গে যুক্ত ৫ লাখ ৩৬ হাজার ব্যবসায়ী তাদের সেবা বন্ধ করে দেবেন বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি মো. সফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই সেবার কমিশন নিয়ে কোনও নীতিমালা নেই। ফলে সরকার প্রতি বছর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব কম আয় করে। তিনি উল্লেখ করেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ আর মোবাইল রিচার্জে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে।
জানা যায়, রিচার্জের কমিশন হাজারে ২৭ টাকা আর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের কমিশন হাজারে চার টাকা ২০ পয়সা। সংগঠনটি রিচার্জের কমিশন ১০০ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট কমিশন ৬ টাকা করার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের নেতারা সংবাদ সম্মেলনে নিবন্ধিত দোকান বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোনও ভ্রাম্যমাণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মোবাইল রিচার্জের এজেন্ট সিম না দেওয়া এবং রিচার্জের সিমে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রাখার বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। এ ছাড়াও এজেন্ট সিম দেওয়া বা বন্ধ করার ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো এবং অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ারও দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।  
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম বদরুদ্দোজা বলেন, অনেক সময় বিকাশ থেকে টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রকৃত এজেন্টরাও প্রতারিত হন। তবে অভিযোগ করলে তা কখনও আমলে নেয় না বিকাশ। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. হুমায়ূন কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন-সহ আরও অনেকে।
/এইচএএইচ/