বুধবার (১১ নভেম্বর) ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনলাইনে আয়োজিত বিশেষ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল সেন্টারগুলো শহর-গ্রাম, নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর করেছে।
আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেন্টারগুলোর উদ্যোক্তাদের আয়ের ব্যবস্থা করতে ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে ডিজিটাল ইকোনমিক হাব হিসেবে গড়ে তুলবো। এগুলোতে ই-কমার্সসহ বিভিন্ন সেবা যুক্ত করার ব্যবস্থা করবো। যেন নাগরিকেরা এখান থেকে সেবা পান, উদ্যোক্তাদের আয় বাড়ে।’
তিনি জানান, দেশের তিন হাজার ৮০০ ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছে গেছে। আইসিটি বিভাগের ইনফো সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ২ হাজার ৬০০ এবং কানেক্টেড বাংলাদেশের মাধ্যমে আরও প্রায় ৬০০ ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিতে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি।
আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান। সম্মেলনে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডিজিটাল সেন্টারের বিভিন্ন অর্জনের কথা তুলে ধরেন এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী।
তিনি জানান, দেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের বেশি ডিজিটাল সেবাকেন্দ্র থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৬০ লাখ নাগরিক সেবা নিয়ে থাকেন। আর এসব ডিজিটাল সেন্টারে প্রায় ১৩ হাজার উদ্যোক্তা কাজ করছেন। যাদের মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি নারী উদ্যোক্তা। ২০২১ সালের মধ্যেই আট হাজার ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ৫০০টি সেবা প্রায় ৭০ লাখ নাগরিকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ২৫ হাজার ডিজিটাল সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মাসে প্রায় এক কোটি নাগরিক প্রায় দুই হাজার ৮০০টি সেবা নিতে পারবেন।