গত বছর ক্রিপ্টো স্ক্যামারদের আক্রমণের শিকার হয়ে টাকা হারিয়েছেন এমন অভিযোগকারীর সংখ্যা ছিল ৪৬ হাজারেরও বেশি। মোট চুরি যাওয়া অর্থের পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলারের বেশি।
সম্প্রতি এমনই একটি তথ্য জানিয়েছে ফেডারেল ট্রেড কমিশন বা এফটিসি। তাদের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার শিকার হওয়া প্রায় অর্ধেকের মতো ব্যক্তির দাবি এটি শুরু হয় প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিজ্ঞাপন, পোস্ট অথবা মেসেজ দিয়ে।
রয়টার্স জানায়, গত বছর ক্রিপ্টো কারেন্সির দাম অনেক উপরে ওঠে। বিশেষ করে বিট কয়েনের দাম ওঠে ৬৯ হাজার ডলারে যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ক্রিপ্টো কারেন্সি চুরির জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ভালো একটি মাধ্যম। এফটিসি জানায়, প্রায় ৫৭৫ মিলিয়ন ডলার চুরির পেছনে রয়েছে ভুয়া বিনিয়োগের প্রস্তাব।
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৪০ শতাংশ ক্রিপ্টো চুরির ঘটনা যেসব সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টেলিগ্রাম অন্যতম। গড়ে প্রত্যেকের চুরি হয়েছে দুই হাজার ৬০০ ডলার করে। আর ক্রিপ্টো কারেন্সির মধ্যে সবচেয়ে বেশিতে রয়েছে বিটকয়েন, ইথার ইত্যাদি।