‘বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ যেকোনও সময়ের তুলনায় বেশি’

বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির প্রায় সব খাতেই রয়েছে নারীর শক্তিশালী অংশগ্রহণ। নেতৃস্থানীয় পর্যায়গুলোতেও জায়গা করে নিচ্ছে নারীরা। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ যেকোনও সময়ের তুলনায় বেশি। এখানেই থামা নয়, আরও এগিয়ে যেতে হবে, নিজেদের দক্ষতা ব্যবহার করে কাজে লাগাতে হবে প্রযুক্তি খাতের প্রতিটি সুযোগ। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি ব্রায়ান সিলার, বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, আইএসপিএবির সভাপতি এমদাদুল হক, বাক্কোর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট সুপর্ণা রায় ও বেসিসের জ্যেষ্ঠ সভাপতি সামিরা জুবেরি হিমিকা।

নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আছিয়া নীলার সঞ্চালনায় দুই পর্বের এই আয়োজনের শুরুতে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল।

নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত সভাপতি রেজওয়ানা খান। তিনি বলেন, আমরা এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানটি আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কিংবদন্তি লুনা শামসুদ্দোহাকে উৎসর্গ করেছি, যিনি একজন বাংলাদেশি টেক উদ্যোক্তা ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক লিমিটেডের প্রথম নারী চেয়ারম্যান ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২০১০ সালে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি)।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত কমিটির সহসভাপতি (অ্যাকাডেমি) ড. নোভা আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক ড. সেলিনা শারমিন, অর্থ সম্পাদক নাসমুস সালেহীন, পরিচালক নাজনীন নাহার, কানিজ ফাতিমা, রিম শামসুদ্দোহা, ফাতেমা আকতার ও ড. ফারনাজ নারিন নুর প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি