দেশের রফতানি বৃদ্ধির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘দেশের রফতানি দ্রুত বেড়েই চলছে। সে তুলনায় আমাদের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি। রফতানি বৃদ্ধির জন্য আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে এ খাতে ১৫ লাখ দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্দেশ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’ শনিবার (১২ মে) রাতে ঢাকায় লা মেরিডিয়ান হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের রফতানি পণ্যের খাত ও বাজার বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্লাস্টিক খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এগুলো আমাদের উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় খাত।’ তিনি বলেন, ‘এ খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এগিয়ে এসেছে। প্রকল্পে আইডিএ-এর সহায়তা থাকবে ১০ কোটি মার্কিন ডলার ও বাংলাদেশ সরকারের থাকবে ১ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। প্রকল্পটি ২০২৩ সালে শেষ হবে। এর ফলে বাংলাশের পণ্য রফতানি বাড়বে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।
প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু ও বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম লিডার তেকাবে আয়ালেও বেলা, প্লাস্টিক অ্রাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জসিম উদ্দিন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি কারক সমিতির প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব সারোয়ার হাসান আলো এবং এই প্রকল্পের বিশ্বব্যাংকের টিম লিডার হোসনা ফেরদৌস সুমী।








