দেশের ১৩৭ জন ব্যবসায়ীকে দেওয়া হচ্ছে সিআইপি (কমার্শিয়াল ইমপর্টেন্ট পারসন) কার্ড। রফতানি বাণিজ্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এই ১৭৩ জন ব্যবসায়ী ছাড়াও সিআইপি (বাণিজ্য) নির্বাচিত হয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ৪১ জন পরিচালক।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেবেন। রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি ভবনের অডিটোরিয়ামে বিকেল ৩টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হবে।
সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকসী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
২০১৬ সালের জন্য নির্বাচিত এই ব্যক্তিরা সিআইপি কার্ড পাবেন। গত ২০ নভেম্বর এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলামসহ ইপিবি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের সিআইপি নীতিমালা অনুসারে ২০১৬ সালে ১৯ খাতের ব্যবসায়ীদের কার্ড প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চামড়াজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য, ওভেন গার্মেন্টস, কৃষিজাত পণ্য, অ্যাগ্রো প্রসেসিং, ফার্মাসিউটিক্যালস, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, প্লাস্টিকজাত পণ্য, ওভেন ও নিটওয়্যার পোশাক, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন রফতানি পণ্য।
সিআইপি কার্ডধারী ব্যক্তিরা সচিবালয়ে প্রবেশে বিশেষ পাস, ব্যবসা-সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও নৌপথে সরকারি যানবাহনে সংরক্ষিত আসনে অগ্রাধিকার, বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার, ব্যবসায়িক কাজে বিদেশ ভ্রমণের ভিসাপ্রাপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ইস্যু সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া স্ত্রী ও ছেলেমেয়েসহ নিজেদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন তারা।
সিআইপি (রফতানি) কার্ডের আওতায় তারা এক বছর এসব সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি পরবর্তী সিআইপি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল থাকবে। অন্যদিকে বাণিজ্য সংগঠনে পদ বহাল থাকা বা পরবর্তী সিআইপি ঘোষণার আগপর্যন্ত সুবিধা পাবেন সিআইপি (বাণিজ্য) নির্বাচিত ব্যক্তিরা।







