‘বুলবুল’ শেষ হওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে লাইন মেরামতের নির্দেশ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:০৬, নভেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৪, নভেম্বর ০৯, ২০১৯

পিডিবিঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী তিন সংস্থা বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় শেষ হওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে লাইন মেরামত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুতায়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এবং ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সারা দিন বুলবুল মোকাবিলায় আলাদাভাবে বৈঠক করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী দুটি সংস্থাই। এছাড়া গ্রিড লাইন যাতে স্বাভাবিক থাকে এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগ আলাদাভাবে ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টারে (এনএলডিসি) বৈঠক করেছে।

পিডিবি বলছে, পিডিবির চারটি বিতরণ জোনে বুলবুল মোকাবিলায় আলাদা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পিডিবির চট্টগ্রাম এলাকায় বুলবুলের প্রভাব পড়তে পারে। তবে, চট্টগ্রাম ছাড়াও অন্য সব এলাকায় সবাইকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে পিডিবি। সবার ছুটি বাতিলের পাশাপাশি স্টেশন ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পিডিবি সূত্র বলছে, ঝড়ের পর পরই যাতে মেরামতের কাজ শুরু হয় সে জন্য কারিগরি দলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফরমার, খুঁটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘কন্ট্রোল রুম খুলেছি। সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হয়েছে। এনএলডিসিতে আমরা বৈঠক করেছি। কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়ে সব প্রস্তুতি নিয়েছে পিডিবি।’

এদিকে শনিবার বিকালে সারাদেশের জিএমদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে আরইবি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. মঈন উদ্দিন ঝড় শেষের আধ ঘণ্টার মধ্যে কর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। মঈন উদ্দিন বলেন, ‘ঝড় শেষে একটি নোটিশ দেওয়া হবে। নোটিশ পাওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে সবাইকে কাজে নামতে হবে। এক্ষেত্রে যেসব এলাকায় বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, সেই এলাকায় অন্য এলাকা থেকে লোক নিয়ে যাওয়া হবে।’

সতর্কতা হিসেবে কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা, বাগেরহাটসহ পাশের এলাকাতে বিদ্যুৎ বিতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আরইবি ২৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ বিতরণ বন্ধ রেখেছে।

এদিকে এনএলডিসিতে বৈঠকের বিষয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঝড়ের সময় হুট করে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যায়। চাহিদা কমে গেলে আস্তে আস্তে উৎপাদনও কমিয়ে আনতে হয়। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। চাহিদা এবং উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে দেশে ব্ল্যাক আউটের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।’

প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে সিডরের সময় দেশে ব্ল্যাক আউটের ঘটনা ঘটেছিল।

/এসএনএস/এনআই/

লাইভ

টপ