কারখানা খোলা রাখার পদ্ধতি নিয়ে পরামর্শ বিজিএমইএ’র

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:১১, এপ্রিল ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:০৩, এপ্রিল ২৬, ২০২০

বিজিএমইএকরোনাভাইরাসের মহামারির মাঝেই চালু হলো তৈরি পোশাক কারখানা। যাদের বাসা কাছেই তাদের নিয়ে কারখানা চালুর পরামর্শ দিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। একইসঙ্গে এ সময়ে কারখানা চালু রাখার পদ্ধতি নিয়েও বেশকিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিজিএমইএ’র ওয়েবসাইটে এসব পরামর্শ প্রকাশ করা হয়।

বিজিএমইএ’র পরামর্শে বলা হয়েছে— সেই সব কর্মীকে নিযুক্ত করুন, যারা কারখানার নিকটবর্তী স্থানে বসোস করেন। যারা গ্রাম থেকে ফিরে এসেছেন তাদের নিরুৎসাহিত করুন, অথবা পরিচালনার দ্বিতীয় ধাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারখানায় প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখুন। পরিকল্পনা অনুযায়ী কর্মীরা প্রাথমিক পর্যায়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফিনিশিং সেকশন, স্যাম্পল সেকশন এবং স্যুয়িং সেকশন আংশিকভাবে খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কারখানা ভবন ও প্রাঙ্গণে ঘনত্ব হ্রাস

সম্ভব হলে কাজের শিফট করা, অপ্রয়োজনীয় দর্শনার্থীদের কারখানায় প্রবেশে বিরত রাখা, নির্ধারিত সময়ের আগেই কারখানা খোলা ও দেরিতে বন্ধ করা। লোডিং ও  আনলোডিং শ্রমিকদের অন্যান্য কর্মীদের থেকে আলাদা করে রাখা। কারখানা ভবনে কাজের সময় অপ্রয়োজনীয় চলাচল সীমিত রাখা। বায়োমেট্রিক উপস্থিতি বন্ধ রাখা, অথবা বায়োমেট্রিক মেশিন প্রতিবার ব্যবহারের পর অ্যালকোহল দিয়ে পরিষ্কার করুন।

প্রবেশ প্রটোকল

বিজিএমইএ’র পরামর্শে প্রত্যেককেই মাস্ক পরিধান করতে বলা হয়েছে। কারখানা ভবনের বাইরে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়। একইসঙ্গে কারখানার অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমনভাবে পরিকল্পনা করুন, যেন প্রত্যেকে হাত ধোয়ার স্থানে অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় পায়। কর্মীদের জুতায় জীবানুনাশক স্প্রে করার ব্যবস্থা রাখা, অথবা পলিব্যাগে জুতা রেখে সু-স্টোরেজের ব্যবস্থা রাখা। যারা কারখানায় প্রবেশ করবেন তাদের দেহের তাপমাত্রা মেপে দেখার জন্য থার্মোমিটার গান রাখুন ও ব্যবহার করুন। কারও তাপমাত্রা ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিন। কারখানার গাড়িগুলো জীবাণুমুক্ত করুন।

সামাজিক দূরত্ব রক্ষা

কারখানার ভেতরে যে সব স্থানে অতিরিক্ত মানুষ চলাচল করে, সে সব স্থান  একমুখী করে দিন। বিভিন্ন বিভাগের কাজের সময় ভিন্ন করে দিন। দুপুরে খাবারের শিফট এমনভাবে করুন, যেন খাওয়ার সময় প্রত্যেকে একে অপরের কাজ থেকে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হন। ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মেঝেতে নির্দেশক ব্যবহার করুন। কর্মীদের জন্য কারখানা প্রদত্ত বাস, যানবাহনগুলোতে কর্মীদের জিক-জ্যাক ভঙ্গিতে সিটে বসা নিশ্চিত করা।

এছাড়া, পিএ সিস্টেমের মাধ্যমে দিনে অন্তত চার বার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও দিক নির্দেশনার বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া।  জরুরি ফোন নাম্বারগুলো দৃশ্যমান স্থানে রাখা। তবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে ডিসইনফেকশন চেম্বার ব্যবহার না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, কারখানার পরিবেশ,কর্মীদের ছুটিসহ অন্যান্য বিষয়ে পরমর্শ দিয়েছে বিজিএমইএ।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গাইডলাইন তৈরি করেছি। সেই গাইডলাইন মেনে মালিকদের কারখানা খোলার জন্য বলা হয়েছে।’ 

/সিএ/জিএম/এপিএইচ/

লাইভ

টপ