বিস্ফোরক পরিদফতরের কাজ জনবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:১০, মে ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:১৩, মে ১০, ২০২০

করোনার এই সময়ে বিস্ফোরক পরিদফতরের কাজ জনবান্ধব করার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, করোনার এই সময়ে বিস্ফোরক পরিদফতরের কার্যক্রম জনবান্ধব করার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ মজুদ, ব্যবহার বা পরিবহনের ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে। করোনা পরবর্তী সময়ে পরিদফতর ও অংশীজনদের যৌথ উদ্যোগে সাধারণ জনগণ ও ব্যবহারকারীদের সচেতন করতে নিয়মিত আলোচনা সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, টক শো আয়োজন করা যেতে পারে।
রোববার (১০ মে) প্রতিমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ‘বিস্ফোরক পরিদফতর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর, হাইড্রোকার্বন ইউনিট ও খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো–এর কার্যক্রম ও অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
নসরুল হামিদ বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় করে বিস্ফোরক পরিদফতরকে আধুনিক করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এদিকে দিনাজপুরের লোহা উত্তোলন লাভজনক কিনা ফিজিবিলিটি স্টাডির নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় গতবছর লোহার সন্ধান পাওয়া যায়। কিন্তু সেটি কী পরিমাণ আছে এবং সেই লোহা উত্তোলন লাভজনক কিনা তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি)। লোহার খনির সঠিক অবস্থা নির্ণয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক কিনা সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ফিজিবিলিটি স্টাডি করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্যারালালি প্রতিটি কাজ করে দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় হাইড্রোকার্বন ইউনিট –এর কার্যক্রম নিয়ে আলোচনাকালে বলেন, হাইড্রোকার্বন ইউনিটকে আমরা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পেট্রোলিয়াম ও মিনারেল খাতের থিংক ট্যাংক হিসেবে দেখতে চাই। নতুন কোনও বিষয় বা নতুন কোন ধারণা বা অ-প্রথাসিদ্ধ জ্বালানির ব্যবহার বা ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা করবে। মানবসম্পদ উন্নয়নেও হাইড্রোকার্বন ইউনিট দায়িত্ব নিতে পারে। এ সময় তিনি খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোকে মন্ত্রণালয় ও জেলা পর্যায় আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
অনলাইনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এই সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমান, খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. জাফর উল্লাহ, হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক এ এস এম মঞ্জুরুল কাদের, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও বিস্ফোরক পরিদফতরের প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ উপস্থিত ছিলেন।

/এসএনএস/এমআর/

লাইভ

টপ