প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন না যারা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৫৫, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৬, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২০





বাংলাদেশ ব্যাংক

বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিক ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে টাকা জমা রাখতে পারবেন। তবে বিদেশে থাকলেও তিন ধরণের ব্যক্তিরা এই বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন না। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানিয়েছে।

দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ক) বিদেশে চাকুরীর বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রায় প্রাপ্ত পেনশনের অর্থ দ্বারা প্রবাসী বাংলাদেশীরা এবং প্রবাস থেকে পেনশন প্রাপ্ত কিন্তুবর্তমানে নিবাসী বাংলাদেশীরা ওয়েজ আর্নার ডেভলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারবেন না।
খ) ওয়েজ আর্নারের মৃত্যু পরবর্তী সার্ভিস বিনিফিট বাবদ প্রাপ্ত অর্থদ্বারা বেনিফিসিয়ারি কতৃক ওয়েজ আর্নার ডেভলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারবেন না।
গ) বিদেশী মালিকানাধীন শিপিং/ এয়ার ওয়েজ কোম্পানিতে চাকুরীরত বাংলাদেশী মেরিনার ও পাইলট/ কেবিনক্রুরা এবং বাংলাদেশী মালিকানাধীন শিপিং/ এয়ার ওয়েজ কোম্পানিগুলোর বিদেশস্থ অফিসে নিয়োগপ্রাপ্ত ও তথা হতে বৈদেশিক মুদ্রায় প্রাপ্ত মেরিনার ও পাইলট/ কেবিনক্রুরাওয়েজ আর্নার ডেভলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বলা হয়েছিল বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি সব নাগরিক অর্থাৎ সব প্রবাসী তাদের উপার্জিত অর্থের বিপরীতে এই বন্ড কিনতে পারবেন। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড রুলস-১৯৮১ অনুযায়ী বন্ড কিনতে কোনও বাধা নেই। একজন প্রবাসী কী পরিমাণ বন্ড কিনতে পারবেন, সে ব্যাপারেও কোনও বিধিনিষেধ নেই।
জানা গেছে, প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা নেওয়ার সুযোগ আছে। এর সবই বাংলাদেশ সঞ্চয় অধিদফতরের চালু করা বন্ড। ১৯৮৮ সালে চালু হওয়া ৫ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ২০০২ সালে চালু হওয়া ৩ বছর মেয়াদি ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বিনিয়োগ করে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।
এসব বন্ড বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস, দেশি ব্যাংকের বিদেশি যেকোনও শাখা এবং বাংলাদেশের ব্যাংক শাখায় পাওয়া যায়। এতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়ে করমুক্ত সুবিধা মেলে। আবার এর বিপরীতে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণও পাওয়া যায়।
জানা গেছে, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ৫ বছর মেয়াদি। এই বন্ডে ২৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১২ শতাংশ। প্রতি ৬ মাস পরপর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে। ৮ কোটি টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ করলে সিআইপি সুবিধা পাওয়া যাবে।
প্রবাসী ছাড়াও এ বন্ড কিনতে পারেন বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

জিএম/

লাইভ

টপ