‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ বিধান’ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সিপিডি এ দাবি জানায়। অবশ্য অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর দিনই আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বিশেষ বিধান বাতিল করার বিষয়ে কথা বলেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি বাড়াতে বিইআরসিকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানায় সিপিডি। সেইসঙ্গে এ খাতের সংস্কারের জন্য ১৭টি প্রস্তাব তুলে ধরেছে সংস্থাটি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের করণীয় নিয়ে আলোচনায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনার কারণে বিপিডিবিকে বছরে ৪৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি সম্মুখীন হতে হচ্ছে এবং বেসরকারি কোম্পানির কাছে বকেয়া বিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা। সে সঙ্গে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধে প্রতিবছর ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকার বাড়তি বোঝা টানতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম হলেও বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়ন জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকারকে এগুলো বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১০০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, টেকসই জ্বালানি রূপান্তরে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে জোর দিতে হবে।









