ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাজেট কই?

গোলাম মওলা
০৯ জুন ২০২৬, ০৮:০০আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:০০

জাতীয় বাজেটকে সাধারণত আয়-ব্যয়ের হিসাব, করনীতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কিংবা অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, একটি দেশের বাজেট আসলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। আর সেই ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শিশুরা।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই শিশু। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপত্তা ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়টি অনেকাংশেই নির্ভর করে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের ওপর। তাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট শুধু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়, বরং আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশ কেমন হবে তারও একটি রূপরেখা।

সরকার আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছে। যদিও বাজেটে সরাসরি ‘শিশু বাজেট’ নামে আলাদা কোনো অধ্যায় নেই, তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু উন্নয়ন, পানি ও স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন খাতের মাধ্যমে শিশুদের জন্য উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বরাদ্দের পরিমাণের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো—এই অর্থ কতটা কার্যকরভাবে শিশুদের কাছে পৌঁছাবে।

স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে যে প্রশ্ন

রাজধানীর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সন্তানকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক অভিভাবক। বড় ছেলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে, ছোট মেয়েকে এখনও স্কুলে ভর্তি করাননি।

কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকারি স্কুলে বই বিনামূল্যে পাই, এটা অনেক বড় সহায়তা। কিন্তু শুধু বই পেলেই তো সব হয় না। খাতা, কলম, পোশাক, কোচিং, যাতায়াত—সব মিলিয়ে খরচ অনেক। আর ছোট মেয়ের জন্য ভালো প্রি-স্কুল খুঁজছি, কিন্তু ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ আমাদের সামর্থ্যের বাইরে।”

এই কথাগুলো শুধু একজন অভিভাবকের নয়; বাংলাদেশের লাখো পরিবারের বাস্তবতা।

বাজেটে শিশুদের জন্য বরাদ্দের আলোচনা যখন হয়, তখন সাধারণ মানুষ জানতে চান—এই বাজেট তাদের সন্তানের জীবনে কী পরিবর্তন আনবে? নতুন স্কুল হবে কি? স্বাস্থ্যসেবা বাড়বে কি? পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত হবে কি? শিশুরা আরও নিরাপদ পরিবেশ পাবে কি?

শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ

শিশুদের জন্য বরাদ্দের সবচেয়ে বড় অংশ যায় শিক্ষা খাতে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, উপবৃত্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা এবং শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহে সরকারের বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে।

তবে বাস্তবতা হলো, এখনও অনেক শিশু বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ছে। বিশেষ করে দরিদ্র, চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

আরেকটি বড় উদ্বেগ শিক্ষার মান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। পঞ্চম শ্রেণি শেষ করেও অনেক শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে পড়তে বা মৌলিক গণিত করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নতুন ভবন নির্মাণ নয়, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগ কেন জরুরি

অর্থনীতিতে একটি বহুল আলোচিত ধারণা হলো ‘আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট’ (ECD)। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ James Heckman বহুবার বলেছেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ হলো শিশুদের ওপর বিনিয়োগ।

বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের প্রথম পাঁচ বছর শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে পুষ্টি, যত্ন, খেলাধুলা এবং মানসম্মত প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে সেই শিশু আরও দক্ষ ও উৎপাদনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।

বাংলাদেশে সরকারি স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু হলেও বাস্তবে অনেক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষককে ৫০-৬০ জন শিশু সামলাতে হয়। অনেক জায়গায় পর্যাপ্ত খেলনা, শিক্ষাসামগ্রী বা প্রশিক্ষিত শিক্ষক নেই।

একজন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক বলেন, “আমাদের খেলাধুলার মাধ্যমে শেখাতে বলা হয়। কিন্তু খেলনা, ব্লক, ছবি বা শিক্ষাসামগ্রী না থাকলে শিশুদের কী দিয়ে শেখাব?” এ প্রশ্ন শুধু শিক্ষকের নয়, এটি বাজেট বাস্তবায়নের প্রশ্নও।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি: এখনও বড় চ্যালেঞ্জ

শিশুদের জন্য বাজেটের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাত স্বাস্থ্য। টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতক পরিচর্যা, কমিউনিটি ক্লিনিক, শিশুস্বাস্থ্য এবং পুষ্টি কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র এখনও উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ শিশু মৃত্যুহার কমিয়েছে এবং টিকাদানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। তবুও অপুষ্টি এখনও বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অনেক পরিবারে শিশুরা পর্যাপ্ত খাবার পেলেও সুষম খাবার পায় না। ফলে খর্বতা, কৃশতা, রক্তস্বল্পতা এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। শুধু শিশু নয়, গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টির ঘাটতি ভবিষ্যতে শিশুর শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, আয়োডিন, প্রোটিন ও ওমেগা-৩-এর ঘাটতি শিশুর মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং শেখার সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাসপাতাল নির্মাণের পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে পুষ্টি শিক্ষা, স্কুল মিল কর্মসূচি এবং মাতৃস্বাস্থ্যে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

সামাজিক সুরক্ষায় শিশু কতটা অগ্রাধিকার পেল?

সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় দরিদ্র পরিবার, প্রতিবন্ধী শিশু, অনাথ শিশু, পথশিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে শিশুদের জন্য সরাসরি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিধি এখনও সীমিত।

শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, শিশুভাতা, স্কুলভিত্তিক পুষ্টি কর্মসূচি এবং দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য নগদ সহায়তা সম্প্রসারণ করা হলে দারিদ্র্যের আন্তঃপ্রজন্ম চক্র ভাঙা সহজ হবে। কারণ একটি দরিদ্র পরিবারের শিশুর শিক্ষা ও পুষ্টিতে বিনিয়োগ করা মানে শুধু একজন শিশুকে সহায়তা করা নয়; বরং ভবিষ্যতের দারিদ্র্য কমানোর ভিত্তি তৈরি করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী শিশুরা

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও তাপপ্রবাহের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে শিশুদের ওপর। দুর্যোগের সময় স্কুল বন্ধ হয়ে যায়, স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়, নিরাপদ পানির সংকট দেখা দেয় এবং অপুষ্টির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন এবং দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচিতে শিশুদের প্রয়োজনকে আলাদা করে বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে ও জন্মনিবন্ধনের চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে শিশুশ্রম এবং বাল্যবিয়ে এখনও বড় সামাজিক সমস্যা। অনেক শিশু এখনও শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। অন্যদিকে অনেক কিশোরী অল্প বয়সেই বিয়ের শিকার হচ্ছে।

জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থার উন্নতি হলেও এখনও অনেক শিশু এই সেবার বাইরে রয়েছে। বাজেটে এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রকল্প অব্যাহত থাকলেও সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অর্থ বরাদ্দ নয়, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

শিশু বাজেট: তথ্য আছে, দৃশ্যমানতা কম

বাংলাদেশ কয়েক বছর ধরে ‘শিশু বাজেট’ বিশ্লেষণ প্রকাশ করছে। এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখনও সহজে বুঝতে পারেন না—জাতীয় বাজেটে তাদের সন্তানের জন্য কী আছে। একজন শিক্ষক জানেন না তার স্কুলে নতুন কী সুবিধা আসছে। একজন অভিভাবক জানেন না শিশুস্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য কী বরাদ্দ রয়েছে। একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও অনেক সময় শিশু উন্নয়ন কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য জানেন না। ফলে বাজেটে তথ্য থাকলেও তা জনগণের ক্ষমতায়নে পুরোপুরি ভূমিকা রাখতে পারছে না।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: বরাদ্দ, নাকি বাস্তবায়ন?

অর্থনীতিবিদ ও শিশু অধিকারকর্মীরা মনে করেন, বাংলাদেশের বাজেটে প্রায়ই শিশুদের জন্য উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ থাকে। কিন্তু সেই অর্থের একটি অংশ সময়মতো ব্যয় হয় না কিংবা কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় না। ফলে কাগজে-কলমে বড় বরাদ্দ থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার প্রভাব সীমিত থেকে যায়।

তাদের মতে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যয়ের দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

সামনে কী প্রত্যাশা?

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিশুদের জন্য বড় কোনো যুগান্তকারী কর্মসূচির ঘোষণা না থাকলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা স্পষ্ট।

তবে দেশের কোটি শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু বরাদ্দের অঙ্কের ওপর নয়, সেই অর্থ কতটা দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় করা হচ্ছে তার ওপর। কারণ জাতীয় বাজেটের বিশাল সংখ্যার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে একটি শিশুর প্রথম বই, প্রথম টিকা, প্রথম নিরাপদ খেলার মাঠ, প্রথম শিক্ষক এবং প্রথম স্বপ্ন।

রাষ্ট্র যদি শিশুদের ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে, তবে সেই বিনিয়োগের সুফল মিলবে আগামী কয়েক দশক ধরে। আর আজকের বাজেটে শিশুদের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের বাংলাদেশের অর্থনীতি, উৎপাদনশীলতা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবসম্পদের মান।

প্রশ্নটি তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ—আমরা কি শিশুদের জন্য বরাদ্দকে কল্যাণমূলক ব্যয় হিসেবে দেখছি, নাকি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে? এই প্রশ্নের উত্তরই বলে দেবে, বাংলাদেশ তার আগামী প্রজন্মকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
ব্যবসায়ীদের খুশি করার বাজেট, আছে আরও সুখবর
‘বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরির অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’
বাজেটে কার জন্য কী চমক 
সর্বশেষ খবর
‘একা হয়ে পড়ার’ সতর্কবার্তায় কি ইরানে হামলা থামালেন নেতানিয়াহু
‘একা হয়ে পড়ার’ সতর্কবার্তায় কি ইরানে হামলা থামালেন নেতানিয়াহু
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ৪ জন নিহত
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ৪ জন নিহত
ডেঙ্গু কীভাবে ছড়ায়, বাঁচার উপায় কী
ডেঙ্গু কীভাবে ছড়ায়, বাঁচার উপায় কী
রোনালদো বিশ্বকাপ জিতলে কে হবেন ‘বিশ্বসেরা’?
রোনালদো বিশ্বকাপ জিতলে কে হবেন ‘বিশ্বসেরা’?
সর্বাধিক পঠিত
হোটেলে ইউপি সদস্যের লাশ, কীভাবে মৃত্যু হলো জানালেন সেই নারী
হোটেলে ইউপি সদস্যের লাশ, কীভাবে মৃত্যু হলো জানালেন সেই নারী
কবর খুঁড়তে গিয়ে প্রাণ হারালেন ২ জন
কবর খুঁড়তে গিয়ে প্রাণ হারালেন ২ জন
এনআইডি’র স্মার্টকার্ড প্রকল্প শেষ হচ্ছে নভেম্বরে 
এনআইডি’র স্মার্টকার্ড প্রকল্প শেষ হচ্ছে নভেম্বরে 
খুলছে নতুন দিগন্ত, আসছে ইসলামী সঞ্চয়পত্র
খুলছে নতুন দিগন্ত, আসছে ইসলামী সঞ্চয়পত্র
পুলিশে যোগদানের ২০ বছর পর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে এসআইয়ের মৃত্যু
পুলিশে যোগদানের ২০ বছর পর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে এসআইয়ের মৃত্যু