সেকশনস

সমকালীন আফ্রিকান কবিতার ভাবধারা

আপডেট : ১১ জুন ২০১৭, ১৬:১৮


সমকালীন আফ্রিকান কবিতা এক বৈচিত্র্যময় প্রাচুর্যের আধার। সুদীর্ঘকাল পরিক্রমায় আফ্রিকার অধিবাসীগণ প্রত্যক্ষ করেছে উপনিবেশিক শাসন, শোষণ ও নিপীড়ন। ধীরে ধীরে প্রতিবাদ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পেলেও উপনিবেশবাদের পরোক্ষ প্রভাব মোকাবেলা করে জীবনমান উন্নয়ণে চালিয়ে যেতে হচ্ছে চিরায়ত সংগ্রাম। দাসত্বের বিরুদ্ধে কাল-কালান্তরে আফ্রিকান মানুষের ঘৃণা, ক্ষোভ, আন্দোলন, স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় আফ্রিকান কবিতা ছড়িয়েছে চেতনার বীজ। উপনিবেশবাদ ফিরে গেলেও অতীতের দগদগে ক্ষতগুলো এখনো বারবার ফিরে আসে সাহিত্যিকগণের চিন্তা ও ধ্যানের গভীরে। তবে এসবের পাশাপাশি আফ্রিকানদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সমকালীন আফ্রিকান কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বৃহৎ স্থান দখল করে নিচ্ছে। তাছাড়া বর্ণবাদবিরোধী চেতনার নিনাদ এবং সমকালীন আরব বসন্তের ফলেও আফ্রিকান কবিতায় দেখা দিয়েছে বাঁক বদলের প্রবল সম্ভাবনা। অনেক সমালোচক আফ্রিকান কবিতাকে ইউরোপীয় কবিতার অনুরণন হিসেবে দেখনোর চেষ্টা করলেও মূলত আফ্রিকান কবিতার বিষয়বস্তুতে ইউরোপীয় ভাবধারার কোনো প্রভাব পড়েনি একথা জোর দিয়েই বলা যায়। তবে আফ্রিকান কবিতার আঙ্গিক গঠনে ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব অনস্বীকার্য।

আফ্রিকান কবিদের একটি বৃহৎ অংশই উপনিবেশবাদ বিরোধীতাকে তাদের বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এসব কবিদের অনেকেই উপনিবেশিক ভাষায় লিখলেও সাম্রাজ্যবাদীদের চিন্তার চিবুকে আঘাত করেছে তাদের কবিতার চাবুক। ঘানাইয়ান কবি কফি আউনর তাঁর দ্য অ্যানভিল অ্যান্ড দ্য হ্যামার কবিতায় লিখেছেন-

হে পিতাগণ

আমাদের জন্য সেলাই করুন

বিগত দিনগুলো

স্নানশেষে অন্তর্বাস হিসেবে যেনো

সেগুলো পরতে পারি।

ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ে ধারণ করা অতীতকে শ্লেষাত্মক ভাষায় উগরে দিয়েছেন কেনিয়ান কবি যোসেফ কারিয়াকু- আপনি যেমনটা ভাবছেন-

আপনার বাড়ি

গাড়ি, অর্থ অথবা নগরীতে প্রলুব্ধ আমি

আসলে তা নয়

আমাকে যা বিদ্ধ করে-

আমার নিজের ঘরে, একান্তই আমার নিজের ঘরে

আপনি আমার দিকে, আমার সমূহ সম্পত্তির দিকে

তাকাবেন আড়চোখে

আপনার চর্চিত দীঘল-টিটকিরি মিশ্রিত দৃষ্টিতে।

মোজাম্বিকের বিখ্যাত কবি নোয়েমিয়া ডি সওসা তার ইফ ইউ ওয়ান্ট টু নো মি কবিতায় সাম্রাজ্যবাদী শাসনের স্মৃতিকে নিজের শরীরে দাসত্ববরণের চাবুকের আঘাতচিহ্ন হিসেবে দেখছেন-

দাসত্বচাবুকের তীব্র আঘাতে জর্জরিত

একটি শরীরে

লৌকিক ও অলৌকিক ক্ষতে আপাদমস্তক অঙ্কিত

বিস্তীর্ণ রহস্যময় গৌরবান্বিত আফ্রিকার উলকি

এটাই যথার্থ আমি।

সাম্রাজ্যবাদীদের চোখে আফ্রিকা ছিলো অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ আর কৃষ্ণাঙ্গরা ছিলো অসভ্য, বুনো, বর্বর। তাই সাদা চামড়ার উপনিবেশবাদীরা বর্ণবাদে জড়িয়ে পড়েন। বর্ণবাদের এই ধারা আফ্রিকার গণ্ডি ছাড়িয়ে ইউরোপ, আমেরিকায় সমান প্রবাহে এখনো বহমান। বর্ণবাদ বৈষম্যের এই বিষয়টিকে উপজীব্য হিসেবে ধরে কবিতা লিখছেন আফ্রিকার প্রায় সব কবিরাই। তানজানিয়ান কবি ডেভিড রুবাদিরি তার লিভারপুলে কৃষাঙ্গ শ্রমিক কবিতায় জীবিকার টানে ইউরোপে আসা শ্রমিকদের জীবনচিত্র নিয়ে এভাবে লিখেছেন-

এখানে তাদের লালিত স্বপ্নরা বেলচার মতোন

পদত্যাগেই তার পরিপূর্ণতা।

১৯৮৬ সালে নোবেলজয়ী নাইজেরিয়ান কবি ওলে সোনিয়াঙ্কা তাঁর টেলিফোন সংলাপ কবিতায় তুলে ধরেছেন বর্ণবাদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। কবি বাসা ভাড়া চাইছিলেন। খুঁজতে খুঁজতে শেষে একটি বাসার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, ভাড়াসহ সবকিছুই তাঁর অনুকূলে মনে হয়। সব ঠিকঠাক হলে তিনি বাড়ির মালিক জনৈক মহিলাকে জানান, তিনি আফ্রিকান কৃষাঙ্গ। মালপত্র নিয়ে এসে যেনো তাঁকে ফিরে যেতে না হয়, তাই ব্যপারটি আগেই অবগত করলেন। পরিচয় শোনামাত্রই জনৈক মহিলা খুব বাজে মন্তব্য করেন। এতে কবি সীমাহীন মর্মাহত হন। কবিতার ভাষায় সেই মহিলার মন্তব্য এভাবে লিখেন-

"কেমন কালো?"

আমি ভুল শুনিনি

"তুমি কি সাদা

নাকি ঘোরতর কালো?"

আইভরিয়ান কবি বার্নাড ড্যাডি তার আই থ্যাঙ্ক ইউ গড কবিতায় লিখেছেন-

আমাকে কৃষ্ণকায় সৃষ্টি করেছো, প্রভু

তোমাকে ধন্যবাদ

সাদা সে তো বিশেষ মুহূর্তের জন্য

প্রতিদিনের জন্যে কৃষ্ণকায়

আর সময়ের আদি হতে আমি বয়ে নিচ্ছি পৃথিবী

... রাত্রির মধ্য দিয়েই দিনের জন্ম।

নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিই আফ্রিকান কবিতার প্রাণ- একথা অস্বিকার করার কোনো উপায় নেই। তবে আফ্রিকার সমকালীন তরুণ কবিদের অনেকেই তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বলয় ভেঙে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে যার প্রভাব পড়ছে তাদের চিরায়ত জীবনধারায়। তাই সমকালীন কবিদের অনেকেই এই প্রবণতাকে ভারসাম্যহীনতা হিসেবে দেখছেন। কবি ম্যাবেল সেগ্যান লিখেছেন-

এখানে আমরা দাঁড়াই

শিশুরা বেড়ে উঠে দ্রুত

দুটি সভ্যতার মাঝে ঝুলতে ঝুলতে

ভারসাম্যে ক্লান্তি আসে।

কবি গ্যাব্রিয়েল ওকারা একই প্রতিধ্বনি করেন তার কবিতায়-

দিনান্তে নদীতীরে যখন

বুনো ঢাক শুনি

তারপর শুনি এক নিঃসঙ্গ পিয়ানো

মর্মন্তুদ সুরে সমূহ জটিল পথের কথা বলে যায়।

সমকালীন আফ্রিকার অনেক দেশেই বলবৎ একনায়কতন্ত্রী শাসন ব্যবস্থায় জনগণের উপর যে নিপীড়ন চলছে, সে বিষয়েও সরব আফ্রিকান কবিগণ। অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হন তারা। আরব বসন্তের জোয়ার এলে আফ্রিকান কবিদের অধিকাংশই আরব বসন্তের পক্ষাবলম্বন করেন। মিসরীয় কবি আহমেদ ফাওয়াদ আল ফাগুনি প্রেসিডেন্টের তুমুল সমালোচনা করে তার বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবিতা ‘আমাদের প্রেসিডেন্টের কী ভুল ছিলো’ রচনা করেন। পাঠকের জ্ঞাতার্থে কবিতাটির অংশবিশেষের পাঠ নেয়া যাক-

সুইজারল্যান্ডের গোপন অ্যাকাউন্টে তিনি

আমাদের জন্যই জমা রাখেন সব টাকা

...অথচ কী অজ্ঞতা তোমাদের! বেকারত্বের কথা বলো

এটা বেকারত্ব নয়- রাষ্ট্রপতি তোমাদের বিশ্রামে দেখতে চান

বিশ্রাম কি কোনোকালে বোঝা ছিলো?

...এমনকি তোমাদের খাবার তোমাদের কল্যাণেই খেয়েছেন তিনি।

তিউনিসিয়ান তরুণ কবি হিশাম আল গক তার লিবারেশন স্কয়ারের সত্যদর্শন কবিতায় লিখেছেন-

ছিঁড়ে ফেলে দাও পুরনো সব কবিতা

ছিঁড়ে ফেলে দাও নোটবুকের পুরনো সব পাতা

আজ মিসরের জন্যে লিখা হোক

যতটুকু প্রাপ্য তার কবিতা খাতা।

তানজানিয়ান তরুণ কবি লয়েস গায়ো তার কিভাবে ভুলে যাই কবিতায় লিখেছেন-

আমরা ভুলে গেছি সডোম ও গোমরাহ

প্রকৃতির বিচারে বিলীন পাথরতলে

এখনো দাঁড়িয়ে সেই মিসিসিপি

ভুলে গেছি- একদা শহর জ্বলেছিলো

এখনো শহর জ্বলে।

তবে কিছুসংখ্যক কবি আরব বসন্তকে উপনিবেশবাদীদের ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেন। এসব কবিরা বিদ্রোহীদের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানীর জন্য তাদেরকে দায়ী করেন এবং সাম্রাজ্যবাদের দোসর হিসেবে তাদেরকে দোষারোপ করে কবিতা লিখেন। কবি সাদী ইউসুফ লিখেন- দেশে দেশে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছে ফেসবুক অথচ সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিদিনের রুটি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

আরব বসন্তের ফলে আফ্রিকার দেশে দেশে শান্তির যে সুবাতাস বয়ে যাবার কথা ছিলো, তার পরিবর্তে আফ্রিকানরা ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয়ের জন্যে ছুটতে হয় দেশে দেশে। সমুদ্রে ভেসে বেড়াতে হয় মরুর দেশের অধিবাসীদের। আইলান কুর্দীর মতো উবু হয়ে সমুদ্রের জলে ভেসে বেড়ায় আফ্রিকান মানুষের ভাগ্য। এসব নিয়েও থেমে নেই আফ্রিকান কবিদের কলম। তাদের মর্মস্পর্শী বর্ণনায় জীবন্ত হয়ে উঠছে সেসব। উদাহরণ হিসেবে জিম্বাবুইয়ান তরুণ কবি দেলালর্ম সেসি সেমাবিয়ার ‘ভূ-ভাগ ও সমুদ্রের গান’ কবিতার পাঠ নেয়া যাক-

আমরা মরুদেশের মানুষ

আমাদের পিতৃপুরুষেরা সাঁতার কাটেনি

কাটিনি আমরাও কোনোদিন

জল সম্পর্কীয় অভিজ্ঞতা বলতে আমরা শুধু বৃষ্টিকেই চিনতাম

আমাদের ভূভাগ এতোটাই শুষ্ক ছিলো যে

এখানে ছিলো না কোনো নদী

আমাদের চোখও এতোটা শুষ্ক ছিলো

সেখানে ছিলো না অশ্রুবিন্দু।

আমরা সাগরের সাথে ঘনিষ্ঠ হলাম

আমাদের ভূভাগ উল্টে গেল আমাদের উপর

আর গড়িয়ে পড়লো সমস্ত জল

সে ধরে রাখতে পারেনি একটুও

অবশেষে সে জলের বিপরীতে রক্তপান শিখলো

আমাদের দেশ ভীত করে তুললো আমাদের।

সুতরাং সাগরের সাথে নতুন করে বন্ধুত্ব হলো আমাদের।

আমরা যারা জলের সাথে সম্পর্কহীন ছিলাম

আমরা সামুদ্রিক মানুষ হিসেবে স্মরিত হলাম

আমরা যারা শুধু ভূভাগের গান গাইতাম

আমরা রচনা করি নতুন সমুদ্রসঙ্গীত

এবং আর কোনো সঙ্গীত অবশিষ্ট থাকে যদি

আমরা গেয়ে যাবো সেই গান

আমরা যারা এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে মৃত

ইতিমধ্যেই আমরা গেয়েছি ভূভাগ ও সমুদ্রের গান।

সমকালীন কবিদের যে অংশটি নিজস্ব সংস্কৃতির বলয় ভাঙতে চেষ্টা করছেন বলে দাবী করেছিলাম, তাদের কেউ কেউ পাশ্চাত্য দর্শন দ্বারা এতো বেশি প্রভাবিত হয়েছেন যে তারা আফ্রিকাকে সমৃদ্ধকরণে ইউরোপের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপর জোর দেন। তারা মনে করেন জাতি, বর্ণ, ঐতিহ্য কিংবা আঞ্চলিক পরিচয়ে বিতর্ক বাড়ানো অনর্থক। তারা বরং জাতীয় বিতর্কের পাশ কাটিয়ে সার্বজনীন ভাতৃত্ববোধকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সিয়েরালিওনের কবি লেনরি পিটার লিখেছেন-

খুলে দাও দ্বার

পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের

প্রবর্তন করো সবটুকু

যতটুকু ভালো ঢের।

অবশ্য তাদের আবেদনের জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেননি ঐতিহ্যকে ভিত্তিমূল হিসেবে নেয়া কবিরা। তারা নিজস্ব ঐতিহ্যের ভিত্তিমূলেই যাপনের রসদ খোঁজেন। কবি অ্যাবিওসে নিকোল তাঁর দ্য মিনিং অব আফ্রিকা কবিতায় লিখেন-

একদা তুমি নামসর্বস্ব ছিলে আফ্রিকা

সুতরাং গায়েনা উপকূলে নোঙর ফেলে ফিরে এলাম

এখন আর কোনো দেশ নও তুমি

একটি ধারণার আধার

সুখ, সমৃদ্ধি আর ধারণার মানে

তোমাকেই বলে জানি।

কবির ভালোবাসা জ্বলজ্বল করে জ্বলে উঠে কবিতার পরের পঙক্তিতে-

অন্ধকারাচ্ছন্ন আফ্রিকা

এখানেই আমার সূর্যোদয়

তাকিয়ে দেখুন, আমি দেখতে পাচ্ছি

পূর্বাকাশে এক উজ্জ্বল আলোকরশ্মি

এখানে শীঘ্রই আমাদের দিন হবে।

আফ্রিকান কবিতা আঙ্গিক বৈচিত্র্যে আমেরিকান কবিতার মতো পরিপূর্ণতা না পেলেও, কিংবা আঙ্গিক গঠনে ইউরোপের প্রভাবে প্রভাবিত হলেও বিষয়বস্তর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিজস্বতা ধরে রাখতে পেরেছে। সময়াবর্তে এক চিন্ময় সত্তাকে আঁকড়ে ধরে আফ্রিকা ও আমেরিকা তথা সারা দুনিয়ার কবিতা হেমন্তের ঝোড়ো হাওয়ার মতো যৌবনকুঞ্জের উপর দিয়ে কুঁড়ি ঝরিয়ে, বীজ ছড়িয়ে মরাপাতার মতো সব জীর্ণ পুরাতন ভাবনাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে বলে আশান্বিত হওয়া যায়।

সম্পর্কিত

আমার হৃদয়ে তার সোনালি স্বাক্ষর

আমার হৃদয়ে তার সোনালি স্বাক্ষর

মায়া তো মায়াই, যত দূরে যায়...

মায়া তো মায়াই, যত দূরে যায়...

মুরাকামির লেখক হওয়ার গল্প

মুরাকামির লেখক হওয়ার গল্প

বিদায় নক্ষত্রের আলো রাবেয়া খাতুন

বিদায় নক্ষত্রের আলো রাবেয়া খাতুন

২০২১ আরও দিশাহীন করে তুলতে পারে

২০২১ আরও দিশাহীন করে তুলতে পারে

কিম কি দুক : কোরিয়ান নিউ ওয়েভের যাযাবর

কিম কি দুক : কোরিয়ান নিউ ওয়েভের যাযাবর

সময় ও জীবনের সংবেদী রূপকার

সময় ও জীবনের সংবেদী রূপকার

প্রসঙ্গ সৈয়দ হকের কাব্যনাট্য

প্রসঙ্গ সৈয়দ হকের কাব্যনাট্য

সর্বশেষ

পাপড়ি ও পরাগের ঝলক

পাপড়ি ও পরাগের ঝলক

আমার হৃদয়ে তার সোনালি স্বাক্ষর

আমার হৃদয়ে তার সোনালি স্বাক্ষর

মায়া তো মায়াই, যত দূরে যায়...

মায়া তো মায়াই, যত দূরে যায়...

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৬

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৬

দুটো চড়ুই পাখির গল্প

দুটো চড়ুই পাখির গল্প

থমকে আছি

থমকে আছি

সালেক খোকনের নতুন বই ‘অপরাজেয় একাত্তর’

সালেক খোকনের নতুন বই ‘অপরাজেয় একাত্তর’

আমরা এক ধরনের মানসিক হাসপাতালে বাস করি : মাসরুর আরেফিন

আমরা এক ধরনের মানসিক হাসপাতালে বাস করি : মাসরুর আরেফিন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.