সেকশনস

করোনায় কাজ হারানোর বেশি ঝুঁকিতে ‘ফ্রি ভিসায়’ যাওয়া কর্মীরা

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২০, ১০:০০

কাজ না থাকার পরেও ভিসা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে গমন করেন বাংলাদেশিরা। সেই ভিসার নাম ‘ফ্রি ভিসা’। এই ভিসায় গন্তব্য দেশে গিয়ে শুধু স্থানীয় নাগরিকের অনাপত্তিপত্র নিয়েই করা যেত ব্যবসা কিংবা কাজ। কিন্তু করোনায় সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। সৌদি আরবে এই ফ্রি ভিসায় অবস্থান করছেন কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই লাখ বাংলাদেশি। করোনার প্রভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি কাজ হারানোর ঝুঁকিতে আছেন বলে মনে করছেন অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

করোনা পরিস্থিতিতে কী পরিমাণ কর্মী শ্রমবাজারের দেশগুলোতে কাজ হারাবেন কিংবা ফেরত আসবেন তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় লাখ খানেক কর্মী বিদেশ যেতে পারেননি বলে জানিয়েছে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা। তারা এও আশঙ্কা করছে, যারা কাজ ছাড়া শুধু অন্য ভিসায় গেছেন তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী যায় সৌদি আরবে। মোট অভিবাসনের প্রায় ৭৫ ভাগই এই দেশটিতে। ফেরত আসলে এই দেশ থেকেই আসার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা। তবে যারা নির্দিষ্ট কোম্পানির কাজ করেন তাদের ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা কমই দেখছেন তারা।

সৌদির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ঢাকায় পাঠানো এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৩ ক্যাটাগরির কর্মী ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের আকামার মেয়াদ শেষ, যারা  তথাকথিত ফ্রি ভিসায় বিভিন্ন পেশায় জড়িত এবং যাদের আকামার মেয়াদ আছে। তবে আকামার মেয়াদ যাদের আছে তাদের সংখ্যা খুব অল্প বলে মনে করছে দূতাবাস। 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সূত্রে জানা যায়, এককভাবে শুধু সৌদি আরবেই আছেন ২০ লাখ বাংলাদেশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছেন অন্তত ১৫ লাখ। এছাড়া কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইনে গড়ে তিন থেকে চার লাখ বাংলাদেশি আছেন। করোনা সমস্যার পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম একেবারেই কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নানা সংকট তৈরি হয়েছে। এছাড়া করোনার কারণে সংকটে আছেন মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে থাকা কর্মীরাও।

করোনা পরবর্তী আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত আসা কর্মীদের পুনরায় বিদেশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। তিনি বলেন, ‘বিরূপ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি কমানোর জন্য ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ এছাড়াও তিনি মনে করেন, বিদেশফেরত কর্মীরা অভিজ্ঞতার বিবেচনায় দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।

এই প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরবের অর্থনীতি আগের মতো নাও থাকতে পারে। আমরা কর্মীদের বিকল্প বাজারে কর্মসংস্থানের কথা ভাবছি। এ নিয়ে কাজ করছি। এছাড়া যেসব দেশে কর্মীরা কাজ হারানোর আশঙ্কায় আছেন সেসব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত আছে।’

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, তথাকথিত ফ্রি ভিসায় যারা এসেছেন তাদের বেশির ভাগেরই কাজ নেই। করোনা আসার আগে তারা মুক্তভাবে এখানে-সেখানে কাজ করতেন। এসব কাজের মধ্যে আছে গাড়ি ধোঁয়াসহ অন্যান্য ‘অড জব’। কিন্তু তারা কোনও কোম্পানি, কফিল বা নিয়োগকর্তার অধীনে ছিলেন না। যেমনটি নিয়মিত শ্রমিকদের বেলায় রয়েছে। বৈধ শ্রমিকরা যে  কোম্পানিতে বা কফিলের অধীনে কাজ করেন তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানেই। অনিয়মিতদের সেই সুবিধা নেই। ফলে তারা এখন অর্থ এবং খাদ্যকষ্টে রয়েছেন। করোনা উত্তরণের পরপরই অনিয়মিত বা অবৈধ বাংলাদেশিদের বড় অংশকে নিজে থেকেই হয়তো দেশে ফিরতে হবে।

বায়রার মহাসচিব শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কী পরিমাণ লোক ফেরত আসবে বা কাজ হারাবে এটার পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই। লাখ লাখ কর্মী ফেরত আসবে, এটা সময় নির্ভর করে বলা হচ্ছে। বিদেশে কর্মরত অসংখ্য কর্মী আছেন, তারা কতজন ফেরত আসবেন এটা তো অনুমান করা যায় না। আমাদের দেশে যারা কাজে যেতে পারেনি সেটার পরিসংখ্যান আছে। ছুটিতে যারা এসেছেন কিন্তু ফেরত যেতে পারেনি তাদের সংখ্যা জানতে মন্ত্রণালয় একটি রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে। এটা হলে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। আমাদের এক লাখ কর্মী বিদেশ যেতে পারেনি, তাদের ভিসা আমরা প্রক্রিয়াধীন করছি। কতজন লোক ফেরত আসবে সেটা বলা বেশ কঠিন।’

নোমান বলেন, ‘যারা ভাসমান কাজ করতেন, আকামা হয়নি, কাগজপত্র কিছুই হয়নি, এ ধরনের ভাসমান কাজ এখন বন্ধ হয়ে যাবে করোনার কারণে। সেখানে বড় সংখ্যক একটি অংশের কাজ হারানোর একটা শঙ্কা আছে। সেই সংখ্যাটা দুই থেকে আড়াই লাখ লোকের। যারা কর্মরত আছেন, যাদের বৈধ কাগজপত্র সবই আছে, তাদের সংখ্যা খুব একটা বেশি হবে না। কারণ আমাদের গন্তব্য দেশগুলোতে যতদ্রুত সময়ে করোনা সংকট কেটে যাবে, তত কর্মীদের ফেরত আসার সংখ্যা এবং শঙ্কা দুই-ই কমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু হলে আমাদের কর্মীরা যেসব সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে ছাঁটাই করার আশঙ্কা একেবারেই কম। কারণ প্রতিদিনের জীবনে যা যা প্রয়োজন ওইসব সেক্টরে তারা কর্মরত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলে ওই কর্মী ছাড়া দেশ চলবে না। সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি, যে পরিমাণ কর্মী বাইরে কর্মরত আছেন ওই পরিমাণে ফেরত আসার সম্ভাবনা কম। অনেকেই বলে লাখ লাখ লোক ফেরত আসবে– এগুলো সবই ধারণার কথা। তবে এটা নির্ভর করে আমাদের গন্তব্য দেশগুলো কত দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যাচ্ছে। যদি এই সময়টা আরও বাড়ে তাহলে অর্থনীতির ওপর আঘাত আরও বেড়ে যাবে। সেখানে আমাদের আরও বেশি কর্মীর চাকরি হারানোর সম্ভাবনা দেখা দেবে। এজন্য যত তাড়াতাড়ি গন্তব্য দেশগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে পারে ততই আমাদের মঙ্গল।’         

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি রিসার্চ মুভমেন্ট ইউনিটের (রামরু) প্রোগ্রাম পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে কোম্পানিতে যারা কর্মরত আছেন তাদের কাজ হারানোর ঝুঁকি কম। তবে যারা ফ্রি ভিসায় গিয়ে কাজ করছিলেন কিন্তু ভিসার মেয়াদ কমে আসছে, এরকম কেস আমরা পাচ্ছি যাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে একটা ঝুঁকি থাকে যে, যারা এতদিন ফ্রি ভিসা কিংবা নানাভাবে অনিয়মিত হয়ে কাজ করছেন, এই করোনা পরিস্থিতিতে তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি কাজ আছে কিন্তু ভিসার মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে এরকম কর্মীদেরও কিন্তু পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে করোনার মধ্যে। সুতরাং সেই রিস্কও থাকছে। এছাড়া কোনও কোনও দেশ ক্ষমা ঘোষণা করছে, যাতে কর্মীরা একটি সিস্টেমে আবারও কাজে ফিরতে পারে। যাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা কিন্তু শূন্য হাতে ফেরত আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক কিংবা অন্য কোনও দুর্যোগ অথবা রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে হোক, যেকোনও পরিস্থিতিতে প্রথম ভিক্টিম হয় অভিবাসী কর্মী। মূল কাজ না থাকায় অন্য একটি কাজ পেয়ে সে কিন্তু কাজটি করছে। এ‌ক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের ব্যবহার করে মজুরি চুরির ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে গন্তব্য দেশগুলো। এভাবে করোনার প্রথম প্রভাব এসে পড়েছে আমাদের অভিবাসী কর্মীর উপর। আমরা কয়েক বছর ধরে জানি যে, মধ্যপ্রাচ্যে জাতীয়করণ করবে, ছাঁটাই করবে। কিন্তু যখন খাওয়া-পরা নিয়ে অনিশ্চয়তায় শ্রমিকরা, এই রকম দুর্বল পরিস্থিতিতে কীভাবে অভিবাসীদের ভিক্টিম হিসেবে ধরে নেয়। দেশে ফেরত পাঠানোর তো একটি নিয়ম আছে। তারা কাজ নিয়ে গেছে, তারা কিন্তু পাচারের শিকার না। তারা যে কাজ করছিল সেটাই একটা সিস্টেমে করুক, সবাইকে ধরে যাতে দেশে না পাঠায়। এর সঙ্গে আমাদের দরকষাকষিটাও সেভাবে থাকা দরকার। এখানে মানবিক একটা দৃষ্টিকোণ রাখতেই হবে।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

‘ই-নামজারি ও মিসকেস মামলার শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সে’

‘ই-নামজারি ও মিসকেস মামলার শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সে’

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এশিয়ানের শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এশিয়ানের শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বন্ধুদের নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বন্ধুদের নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফ্রান্সে গিয়ে জড়ালো জঙ্গিবাদে!

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফ্রান্সে গিয়ে জড়ালো জঙ্গিবাদে!

নাসিরনগরে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদনে গরমিল, ১৩ জনকে তলব

নাসিরনগরে ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদনে গরমিল, ১৩ জনকে তলব

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

দেশের শেয়ার বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ

দেশের শেয়ার বাজারের উন্নয়নে কাজ করবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ

‘আন্তর্জাতিক বাজারে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা কমে আসছে’

‘আন্তর্জাতিক বাজারে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা কমে আসছে’

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

সর্বশেষ

নীলফামারীজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

নীলফামারীজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

বাউফলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাউফলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আগুন তাপাতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী দগ্ধ

আগুন তাপাতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী দগ্ধ

উপজেলা পরিষদকে কার্যকর করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

উপজেলা পরিষদকে কার্যকর করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বৃহত্তর চান্দগাঁও-মোহরাকে আধুনিক উপশহর করার প্রতিশ্রুতি ডা. শাহাদাতের

বৃহত্তর চান্দগাঁও-মোহরাকে আধুনিক উপশহর করার প্রতিশ্রুতি ডা. শাহাদাতের

হকারদের সুস্পষ্ট নীতিমালা করে পুনর্বাসন করা হবে: রেজাউল করিম চৌধুরী

হকারদের সুস্পষ্ট নীতিমালা করে পুনর্বাসন করা হবে: রেজাউল করিম চৌধুরী

কাউকেই নির্বাচনি সহিংসতা ঘটাতে দেওয়া হবে না: সিএমপি কমিশনার

কাউকেই নির্বাচনি সহিংসতা ঘটাতে দেওয়া হবে না: সিএমপি কমিশনার

নীলফামারীতে পৃথকভাবে ৩৫০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

নীলফামারীতে পৃথকভাবে ৩৫০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জোহরা আলাউদ্দিন এমপি করোনায় আক্রান্ত

জোহরা আলাউদ্দিন এমপি করোনায় আক্রান্ত

ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার, কারবারি গ্রেফতার

ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার, কারবারি গ্রেফতার

কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সহপাঠীদের দেয়াল লিখন

কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সহপাঠীদের দেয়াল লিখন

বাস-ট্রাক মুখোমুখি, চালক নিহত

বাস-ট্রাক মুখোমুখি, চালক নিহত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে সরকার

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ৩২৯০

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

সেদ্ধ চালের আমদানি শুল্ক হ্রাস

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনসহ অন্য দেশগুলোর আরও সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ

দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে: অর্থমন্ত্রী


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.