‘জাতির মেরুদণ্ড’ গঠনের শানে নুযুল!

Send
রাহমান নাসির উদ্দিন
প্রকাশিত : ১২:১৯, মে ২৪, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:২২, মে ২৪, ২০১৭

রাহমান নাসির উদ্দিন‘শিক্ষা’কে যে একটি জাতির ‘মেরুদণ্ড’ বলা হয় এর একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে সত্যিকার শিক্ষা মানুষকে মেরুদণ্ড-সম্পন্ন ‘সত্যিকার মানুষ’ হিসাবে গড়ে তোলে। জৈবিক মেরুদণ্ড যেমন মানুষকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্য করে, শিক্ষাও মানুষকে নীতি-নৈতিকতার উজ্জ্বল্যে, চিন্তাশীলতার ভেতর দিয়ে এবং সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়ে সময়ের প্রয়োজনে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে প্রাণিত করে। এভাবে যখন সমাজের একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নীতি-নৈতিকতায়, চিন্তায়-সৃষ্টিশীলতায় এবং দায়িত্ববোধ-দেশাত্ববোধে সমৃদ্ধ হয়, তখন একটি জাতির মেরুদণ্ড সত্যিকার অর্থেই শক্ত, মজবুত ও সোজা হয়ে যায়। আর একটা মেরুদণ্ড সম্পন্ন জাতি নিজের পৃথিবীটার নিজের দর্শন অনুযায়ী আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে। শিক্ষার এ মাহাত্ম্য নিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলা চমৎকারভাবে বলেছেন, ‘Education is the most powerful weapon which you can use to change the world’ (শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র যা দিয়ে তুমি পুরো পৃথিবীটার পরিবর্তন ঘটাতে পারো)। তাই, শিক্ষা নিয়ে সারা পৃথিবীতে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়, গবেষণা হয়, নতুন নতুন চিন্তা ভাবনা হয় যাতে নতুন প্রজন্মকে সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আগামীর জন্য যথাযথ শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা যায়। যাতে জাতির মেরুদণ্ড আরও শক্ত ও পোক্ত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে হচ্ছে তার ঠিক উল্টোটা। ফলে, আমাদের মেরুদণ্ড শক্ত হওয়া তো দূরের কথা, মেরুদণ্ড ভঙ্গুর হতে হতে এখন গোটা জাতিরই ‘মেরুদণ্ডহীন’ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলাফলের পরিসংখ্যান দিয়ে শিক্ষার গুণগত মান পরিমাপের বোকামী, জিপিএ-৫ সংখ্যার বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধাবী বানানোর ন্যাকামি, এবং  প্রশ্নপ্রত্র ফাঁসের ঘটনার ‘অস্বীকারের সংস্কৃতি’ (the politics of denial) আমাদের শিক্ষার পরিসর, শিক্ষাপদ্ধতি, পরীক্ষণ-পদ্ধতি এবং মেরুদণ্ড বানানোর এন্তার ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়ার মতো অবস্থা। গত ২২/০৫/২০১৭ তারিখ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রী হোস্টেল মুন্নুজান হলের কমনরুমে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ১০০ টি উত্তরপত্র পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় শিক্ষাব্যবস্থা, পরীক্ষাপদ্ধতি, উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং মেধা যাচাইয়ের বিদ্যামান উদ্ভট প্রক্রিয়ার বিষয়টি আবার নতুন করে একটা বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়েছে।
একথা অনস্বীকার্য যে, বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটা তুঘলকি কাজকারবার বিরাজ করছে দীর্ঘ দিন থেকে। হঠাৎ করে একদিন সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে শুরু করে দেওয়া হলো পিএসসি পরীক্ষা। যাকে বলা হচ্ছে ‘প্রথম পাবলিক পরীক্ষা’। প্রাইমারি স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ‘পাবলিক পরীক্ষা’ আসলে কী বস্তু সেটা না-বোঝার আগেই তাদেরকে ঠেলে দেওয়া হলো ‘পিএসসি’ নামক এক পরীক্ষা-যজ্ঞে। এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলো প্রাইমারির গণ্ডি না-পেরোনো লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা। যুক্ত হলো অভিভাবক-শ্রেণির রাজ্যের দৌড়াদৌড়ি। শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশানিতে মনোযোগ দিলেন অধিক গুরুত্ব দিয়ে কারণ সেখানে নগদ ও কাচা পয়সা! সারা দেশে গজিয়ে উঠলো শত শত কোচিং সেন্টার। গাইড বাণিজ্যের হলো রমরমা ব্যবসা। আরাধ্য জিপিএ-৫ পাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলো গোটা প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থা এবং এর সাথে সম্পৃক্তি ব্যক্তিরা (শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক-বেণিয়ার গোষ্ঠী!)।

আরেকদিন হঠাৎ করে সৃজনশীল পরীক্ষাপদ্ধতি প্রণয়নের নামে পুরো ব্যবস্থাটাকে একটা হুমকির মুখে ফেলে দেওয়া হলো কেন না যারা পড়াবেন বা যারা শিক্ষা দেবেন তাদেরকে সৃজনশীল শিক্ষক হিসাবে তৈরি না-করে শিক্ষার্থীদেরকে সৃজনশীল পাঠ্যক্রম হাতে ধরিয়ে দেওয়ার কোনও যৌক্তিক কারণ আমি খুঁজে পাই না। আমার ধারণা এতে করে শিক্ষার্থীদের যে স্বতঃস্ফূর্ত এবং সহজাত সৃজনশীল ক্ষমতা আছে, সেটাকেই বরঞ্চ নষ্ট করে দেওয়ার একটা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন স্বনামধন্য নৃবিজ্ঞানী মার্গারেট মিড বলেছিলেন, ‘Children must be taught how to think, not what to think’ (শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে কিভাবে চিন্তা করতে হয়, কিন্তু কী নিয়ে চিন্তা করতে হবে সেটা নয়)। কিন্তু বাংলাদেশে সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কী চিন্তা করতে হবে সেটা যতোটা গেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিভাবে চিন্তা করতে হবে (চিন্তাপদ্ধতি) সেটা ততোটা শেখানো হয়নি। ফলে, যেমন বিনিয়োগ তেমন ফলাফল! এরকম নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভেতর দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে গিনিপিগ বানিয়ে নানান খেলা হয়েছে। পিএসসি, জেএসসি’র মতো নাবালক পাবলিক পরীক্ষার অবতারনা করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সাবালক বানানোর নানান কসরত হয়েছে কিন্তু আখেরে খুব একটা ফল দেয়নি। মাঝখান দিয়ে কিছু অখাদ্য ‘মাকাল ফল’ শিক্ষার গাছে ধরেছে! প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া তো এখন মামুলি ব্যাপার হয়ে উঠেছে। আর এদেশের মানুষও একটার পর একটা প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজকারবার দেখতে দেখতে বেশ সহনশীল হয়ে উঠেছে। সমাজের শিক্ষিত নাগরিক মধ্যবিত্তের যে অনুভূতিপ্রবণতা সেটাও ক্রমান্বয়ে ভোঁতা হয়ে গেছে। পাঠদানের পদ্ধতি, পরীক্ষা পদ্ধতি, মেধা যাচাইয়ের পদ্ধতি, উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি এবং ফলাফল তৈরির প্রক্রিয়ায় যে বিরাট একটা শুভংকরের ফাঁকি আছে তা নিয়ে ইতোমধ্যে নানান বাহাস হয়েছে। জনপরিসরে সে বাহাস এখনও জারি আছে। এরকম একটা পরিস্থিতিতে গত ২২ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের কমন রুমে ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ১০০  উত্তরপত্র পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কতোটা নাজুক, এর পরীক্ষা পদ্ধতি কতোটা পুরনো এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি কতটা মেধাহীন, তা নিয়ে আমি ইতোমধ্যে বিস্তর লিখেছি। এর আরেকটা নগদ নজির হচ্ছে, রাবি’র ছাত্রীদের কমনরুমে এইচএসসি পরীক্ষার ১০০ খাতায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যাওয়া।

খবরে প্রকাশ: ‘রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষক উত্তরপত্রগুলো মূল্যায়নের দায়িত্ব পান। ঐ উত্তরপত্রগুলোর কোড-২৬৮।... কিন্তু তিনি ওই উত্তরপত্রগুলো মূল্যায়নের জন্য শাহ্ মখদুম কলেজের প্রভাষক ও এমপিথ্রি কোচিং-এর রাবি শাখার পরিচালক মাসুদুল হাসানকে দেন। মাসুদ তার কোচিং সেন্টারে কর্মরত রাবির এক ছাত্রকে দেন। ওই ছাত্র তার বান্ধবীকে [রাবির এক ছাত্রী] উত্তরপত্রগুলো মূল্যায়নের জন্য দেয়।’ (বাংলা ট্রিবিউন ২২/০৫/২০১৭)। আর এ-বান্ধবী ছাত্রীদের কমরুমে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ করতেন এবং হয়তো এ-উত্তরপত্র কমনরুমে ভুলে ফেলে চলে গেছেন। অর্থাৎ চারহাত বদল হয়ে এসব উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয়। ফলে, এটা সহজেই অনুমেয় যে, একটা দায়সারা গোছের নম্বরিং-এর ভেতর দিয়ে এদেশের শত শত হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতকে একটা চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদেরকে দিয়ে, কোচিং সেন্টারের শিক্ষকদের দিয়ে কিংবা এসব শিক্ষকদের বন্ধু-বান্ধবীদের দিয়ে উত্তরপত্র পরীক্ষণের মাধ্যমে যে ফলাফল প্রকাশিত হয়, সেখানে মেধার মূল্যায়ন সত্যিকার অর্থে কতটা হয় তা উপলব্ধির জন্য শিক্ষাবিদ হওয়ার প্রয়োজন নাই। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এ ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, পুরো উত্তরপত্র মূল্যায়নের ব্যাপারটি একটা সিরিয়াস অপেশাদারিত্বের ভেতর দিয়ে সম্পন্ন হয়। আসলে প্রতিদিন ‘কাতুকুতু’ দিলে যেমন মানুষের হাসি পাওয়ার অনুভূতি লোপ পায়, তাই এরকম একটি ভয়ংকর ঘটনাকেও আমাদের অনেকের কাছে ‘দুলাভাইয়ে নিত্য মসকরা’র মতো মনে হচ্ছে! একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এর চেয়ে নিষ্ঠুর তামাশা আর কী হতে পারে?

এ-ঘটনা থেকে কী প্রমাণিত হয়? এসএসসি বা এইচএসসি বা এরকম পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য কাকে দেওয়া হয় এবং কে এই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে, সত্যিকার অর্থে তার কোনও সুনির্দিষ্ট গ্রামার নাই। উত্তরপত্র কে সত্যিকার অর্থে মূল্যায়ন করে তার কোনও মনিটরিং-এর ব্যবস্থা নাই। ফলে, ফর্মাল মূল্যায়নের নামে এ-ধরনের নানান ইনফর্মাল প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে উত্তরপত্র পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় ‘মেধার ক্রমবিন্যাস’। সংখ্যার হিসাবে এদের অনেকেই সমাজে মেধাবী হিসাবে স্বীকৃতি পায় আর সরকার ‘চমৎকার ফলাফলের’ আনন্দে বগল বাজায়! এতে করে সহজেই অনুমান করা যায়, ফি-বছর জিপিএ-৫ এর যে উল্লাস এবং ‘চমৎকার ফলাফলের’ যে ঢেঁকুর তার মধ্যে একটা বিরাট শুভংকরের ফাঁকি আছে। কেননা, দেখা যাবে দ্বৈবক্রমে যে উত্তরপত্র ছাত্রীদের কমনরুমে আবিষ্কৃত হয়েছে (যদি ধরা না-পড়তো) হয়তো এ-উত্তরপত্র মূল্যায়ন ছাড়াই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতো এবং এদের মধ্য থেকেই অনেকে জিপিএ-৫ পেয়ে যেত। বোঝেন অবস্থা! এ-হচ্ছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দশা!! এ-হচ্ছে ‘চমৎকার ফলাফল’-এর ডাইনামিক্স!! এ হচ্ছে ‘জাতির মেরুদণ্ড’ নির্মাণের শানে নুযুল!

এমনও হতে পারে, ১০০ উত্তরপত্র ঘটনাক্রমে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং দ্বৈবক্রমে সেটা মিডিয়ার নজরে এসেছে। কিন্তু এরকম অসংখ্য ঘটনা লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘটছে যা কোথাও পাওয়া যায়নি কিংবা নানান জায়গায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে কিন্তু মিডিয়ার নজরে আসেনি। তাহলে, এটা সহজেই অনুমান করা যায় যে, আমাদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি, ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এবং ভালো ফলাফলের যাবতীয় আয়োজন একটা ‘জাস্ট ব্যুরোক্রেটিক বাকোয়াজ’ কিংবা একটা ‘(আন)সিস্টেম্যাটিক রুটিন ওয়ার্ক’ ছাড়া আর কিছু নয়। 

মার্টিন লুথার কিং একটা চমৎকার কথা বলেছিলে, ‘Intelligence plus character-that is the goal of true education’ (বুদ্ধিমত্তার সাথে [সৎ]চরিত্র যোগ হলে সেটাই হবে শিক্ষার আসল লক্ষ্য)। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভেতর দিয়ে না-তৈরি হচ্ছে বুদ্ধিমত্তা, না-তৈরি হচ্ছে সৎচরিত্র। ফলে, শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাহত। যার ফলশ্রুতিতে জাতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠছে নড়বড়ে। আমাদের মনে রাখতে হবে, সত্যিকার শিক্ষা ব্যতীত একটি জাতি কোনোদিন তার নিজের সত্যিকার বিকাশ ঘটাতে পারে না। তাই, শিক্ষণপদ্ধতি, পরীক্ষণ পদ্ধতি, উত্তরপত্র মূল্যায়ন পদ্ধতি, মেধা যাচাই পদ্ধতি এবং প্রাইমারি থেকে টারশিয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থায় একটা আমূল পরিবর্তন দরকার যার মূল উদ্দেশ্য হবে একটা চিন্তাশীল, সৃজনশীল, দেশাত্ববোধসম্পন্ন, সংবেদনশীল এবং মানবিক মানুষ তৈরি করা। মনে রাখতে হবে, মেরুদণ্ডহীন মানুষ যেমন অচল এবং মন্তর, সত্যিকার গুণগত শিক্ষা ছাড়া একটি জাতির বিকাশের আশা অবান্তর।

লেখক: নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ