সদা সমুজ্জ্বল বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব

Send
আশরাফ সিদ্দিকী বিটু
প্রকাশিত : ১৫:১৪, আগস্ট ০৮, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩০, আগস্ট ০৮, ২০১৭

আশরাফ সিদ্দিকী বিটুবেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, অথচ সবসময় সরল সাধারণ জীবনযাপন করেছেন, কখনোই পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে আগ্রহ দেখাননি। অসীম শক্তি-সম্পন্ন এই মানুষটি সবসময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বেগম মুজিব যেকোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারদর্শী ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও রাজনীতিতে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে থেকে প্রেরণা দিয়েছেন বেগম মুজিব, তার কোনও চাওয়া-পাওয়া ছিল না, শুধু ত্যাগই করেছেন এই দেশকে স্বাধীন করার জন্য। এই অসামান্য মেধাবী মহিয়সী নারী জীবনসঙ্গী ছিলেন বলে জাতির পিতা দেশকে স্বাধীন করতে পেরেছেন। বেগম মুজিব কোনোদিন নিজের জন্য ভাবেননি, নিভৃতে কাজ করে গেছেন মানুষের জন্য, স্বামীকে দেখিয়েছেন সঠিক পথ, দিয়েছেন সু-উপদেশ। বঙ্গবন্ধুও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বঙ্গমাতার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন জাতির পিতা, বেগম ফজিলাতুন নেছা হলেন বঙ্গমাতা, অনুকরণীয় নারী যিনি নিরহংকার, নির্লোভ, আদর্শ স্ত্রী, মাতা, গৃহিণী এমনকি দক্ষ সংগঠক। বেগম মুজিব বিরুপ পরিস্থিতিতে ছিলেন অবিচল, নিয়েছেন সঠিক ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন সিদ্ধান্ত। বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে থাকতেন তখন সংসার, ছেলেমেয়েদের দেখভাল, পড়াশুনা, এমনকি দলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতেন বঙ্গমাতা বেগম মুজিব। তিনি নিজের জমির ধান বিক্রির অর্থ পাঠিয়ে স্বামীকে সহযোগিতা করেছেন। বাসার ফ্রিজ বিক্রি করে দলের কর্মীদের টাকা দিয়েছেন। এমনকি নিজের গয়না বিক্রি করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের টাকা-পয়সা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র ১২৬ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘রেণু খুব কষ্ট করত, কিন্তু কিছুই বলত না। নিজে কষ্ট করে আমার জন্য টাকা পয়সা জোগাড় করে রাখত যাতে আমার কষ্ট না হয়’।
ফুলের রেণুর মতই কোমল, ফুটফুটে ছিল বলে মা হোসনে আরা মেয়ের নাম রেখেছিলেন রেণু। সেই থেকে সবার কাছে রেণু নামেই পরিচিত হন বেগম মুজিব। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন শান্তশিষ্ট, মার্জিত, অমায়িক ও প্রখর বুদ্ধি সম্পন্ন। স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ছোটবেলায় বাড়ির ভেতরে গৃহশিক্ষক ও মুরুব্বিদের কাছে থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। পরবর্তী জীবনও তিনি প্রচুর পড়াশোনা করেছেন। একা একা বই কিনে পড়তেন। নতুন বই নিউমার্কেটের বিভিন্ন দোকান থেকে কিনে এনে পড়তেন। বাসায় একটা ছোট লাইব্রেরিও গড়েছিলেন তিনি। অনেক গরিব মানুষকে অর্থ দিয়েছেন তাদের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য। তিনি খুবই দানশীল ছিলেন, সবাইকে বিপদে-আপদে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। অনাথ এতিমদের তিনি সবসময় সহযোগিতা করেছেন। যেকোনও আত্মীয় ঢাকায় থেকে পড়াশোনা করতে চাইলে তিনি নিজের বাসায় রেখেও পড়াশোনা করিয়েছেন। মানুষকে ভালোবাসার এক অসাধারণ গুণ ছিল বেগম মুজিবের। স্বামী রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকায় ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ভার, আত্মীয় পরিজনদের দেখাশোনা, সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান সবই একহাতে করেছেন তিনি, কিন্তু কোনও ক্লান্তি ছিল না এসবে। তার স্মরণ শক্তি ছিল প্রখর, আন্দোলন চলাকালীন সময়ে জেলে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা নিয়ে এসে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে সেই মোতাবেক নির্দেশনা দিতেন। আবার আওয়ামী লীগের কার্যকরী সংসদের সভা যখন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে হতো তিনি নিজ হাতে রান্না করে নেতাদের খাইয়েছেন।

১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি পেশ করলে ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার ৬ মাস পর প্রথম ক্যান্টনমেন্টে কোর্ট বসালে সেখানে বঙ্গবন্ধু ও বেগম মুজিবের প্রথম দেখা হয়। বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন, এটাই ছিল পরিবারের সকলের সান্ত্বনা। এ প্রসঙ্গে জননেত্রী শেখ হাসিনা একটি লেখায় লিখেছেন, ‘৬ মাসের বেশি সময় পর প্রথম যেদিন বিশেষ ট্রাইবুন্যালে শুরু হলো, এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে কোর্ট বসল সেদিনই কোর্টে আব্বার সাথে প্রথম দেখা হলো। জীবনে বেঁচে আছেন এটুকুই বড় সান্ত্বনা এবং আল্লাহর কাছে আমরা সবাই শোকর আদায় করলাম। এই মিথ্যা মামলা দিয়ে আব্বাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল পাকিস্তানি শাসকদের।’

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ছবি: ইন্টারনেট।তিনি নেপথ্যে থেকে ঊনসত্তরের গণঅভ্যত্থানে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। বঙ্গমাতা কোনোদিন আপস করেননি। কোনও অবস্থাতেই তাকে কেউ টলাতে পারেনি। ৬ দফার প্রশ্নে আপস রফার দাবি তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বরং কোনও আপস হবে না এই কঠিন মনোবল নিয়ে সংগঠনকে শক্ত রাখেন এবং মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হলে বেগম মুজিব প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে অবস্থান নেন। এ বিষয়ে শেখ রেহানা লিখেছেন, ‘মা (বেগম মুজিব) প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বিরোধিতা করেছিলেন প্রচণ্ডভাবে। মাকে আব্বার কাছাকাছি যেতে দেয়া হয়নি। মা চিৎকার করে বলেছিলেন, তুমি প্যারোলে যাবে না, গেলে বাঙালিদের সাথে বেইমানি করা হবে।’ বঙ্গবন্ধু প্যারোলে মুক্তি নেননি এবং আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুসহ সব রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিক শক্তি ও অসীম ক্ষমতা বেগম মুজিবের ছিল তাই কখনই ভুল হয়নি ভবিষ্যত বুঝতে।
বেগম মুজিব অত্যন্ত দয়ালু ছিলেন, কিন্তু তোষামোদী পছন্দ করতেন না। বঙ্গবন্ধু যখন জেনেভায় অপারেশন করে সুইস সরকারের অতিথি হিসেবে কিছুদিন বিশ্রামে ছিলেন, তখন সেখানে বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গীরা একটা পিকনিকের আয়োজন করলে বেগম মুজিব বিরোধিতা করেন এবং বলেছিলেন, ‘এতে তোমার শরিক হবার দরকার নাই। এরকম তোষামুদের দল সুযোগের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায় নিজেদের স্বার্থে। ডাক্তার সাহেবের কথা শুন।’ জাতির পিতা সেই পিকনিকে আর যাননি।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদানে জাতির পিতাকে উৎসাহ ও প্রেরণা জুগিয়েছেন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। সৎ বুদ্ধি দিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘...আমার মা আব্বাকে বললেন, সমগ্র দেশের মানুষ তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। সবার ভাগ্য আজ তোমার ওপর নির্ভর করছে। তুমি আজ একটা কথা মনে রাখবে, সামনে তোমার লাঠি, পেছনে বন্দুক। তোমার মনে যে কথা আছে তুমি তাই বলবে। অনেকে অনেক কথা বলেছে, তোমার কথার ওপর অগণিত মানুষের ভাগ্য জড়িত, তাই তুমি নিজে যেভাবে যা বলতে চাও নিজের থেকে বলবে। তুমি যা বলবে সেটাই ঠিক হবে। দেশের মানুষ তোমাকে ভালবাসে, ভরসা করে।‍’ বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ই মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা যা বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধের বার্তা দিয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় বেগম মুজিবদের বন্দি করে রাখা হয়। পাক সৈন্যরা বেগম মুজিবকে ছেলেমেয়েসহ গ্রেফতার করে ধানমণ্ডির ১৮ নম্বর সড়কের (বর্তমান ৯/এ সড়ক) একটি একতলা বাড়িতে আটক করে রাখে। বড় ছেলে শেখ কামাল ২৫ মার্চ রাতেই বাড়ি ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে চলে যায়। আটকাবস্থা থেকে ৫ আগস্ট শেখ কামালও একদিন কাউকে না জানিয়ে যুদ্ধে চলে যায়। বন্দি অবস্থায় পাকসেনাদের মানসিক অত্যাচার তিনি সহ্য করেছেন। শেখ হাসিনার পুত্র সন্তান জয়ের জন্মের সময় বেগম মুজিবকে একবারের জন্যও ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে যেতে দেয়নি পাক সেনারা।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পাকিস্তানি ৯৩ হাজার সৈন্য আত্মসমর্পণ করে। মু্ক্তির উল্লাস সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে কিন্তু তখনও ধানমণ্ডির ১৮ নম্বর সড়কের বাড়িতে বন্দি বেগম মুজিব ও বঙ্গবন্ধুর পরিবার। ১৭ ডিসেম্বর সকালে সবাই মুক্তি পান। মুক্তি পেয়েই বেগম মুজিব বাড়ির ছাদ থেকে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে আগুন ধরিয়ে দেন। প্রচণ্ড দেশপ্রেমই ছিল তার হৃদয়ের সমস্ত জমিন জুড়ে; তাই পাক সেনাদের দুর্ব্যবহার, স্বামী সন্তানদের জন্য দুশ্চিন্তা তাকে গ্রাস করতে পারেনি বরং দেশের বিজয়ের জন্য ধৈর্য্য ধরে নিজেকে সামলে রেখেছেন।

মুক্তিযুদ্ধ থেকে প্রথমে শেখ জামাল ও পরে শেখ কামাল ফিরে আসলেও বেগম মুজিব শান্তি পাচ্ছিলেন না, তিনি জানতেন না তার স্বামী বাঙালির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু কোথায় আছেন, ফিরবেন নাকি ফিরবেন না-এই শংকায় তিনি ত্রস্ত। অবশেষে ১৯৭২ এর ৮ জানুয়ারি জানা গেলো বঙ্গবন্ধু ফিরছেন, তিনি মুক্তি পেয়েছেন, ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা ফিরলেন প্রিয় স্বদেশ ভূমিতে। বেগম মুজিব ফিরে পেলেন প্রিয় স্বামীকে। ১২ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুর্নগঠনের অভিযাত্রা শুরু করেন। বঙ্গবন্ধু যখন দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করলেন তখনও পাশে পেয়েছেন বেগম মুজিবকে। তিনিও দেশের জন্য কাজে নেমে পড়েন। তিনি উদ্যোগ নিয়ে মু্ক্তিযু্দ্ধে নির্যাতিতা মা-বোনদের সহযোগিতা করা শুরু করেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সামাজিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার ব্যবস্থা করেছিলেন। বেগম মুজিব বীরাঙ্গনাদের সান্ত্বনাই নয়, তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করে দিয়ে সামাজিক মর্যাদা প্রদান করে স্বাভাবিক জীবনের ব্যবস্থা করে দেন।

বেগম মুজিব প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর হয়েও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছেন। তাই ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের সড়কের বাড়ি থেকে কখনই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যাননি। বিলাসিতা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি কোনোদিন। বাড়িতে কোনও দামি কার্পেট, আসবাবপত্র, এয়ার কন্ডিশন ব্যবহার করেননি। তিনি নিজ হাতে রান্না করে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের জন্য খাবার পাঠাতেন। তিনি কোনও সরকারি সুযোগ সুবিধা চাইতেন না, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী হয়েও সাধারণভাবে থেকেছেন, সন্তানদের সাদাসিধা জীবন যাপন করতে শিখিয়েছেন। প্রচণ্ড সংসারী হয়েও স্বামীকে সহযোগিতা করেছেন কিন্তু গুছিয়েছেন ঘরের প্রতিটি আসবাব, প্রতিটি কাজ তিনি করতেন অত্যন্ত যত্ন করে।

স্বামীর প্রতি বেগম মুজিবের ছিল অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা। তারা একে অপরের আত্মা হয়ে থেকেছেন, কাজ করেছেন। দু’জনের তীব্র ভালোবাসা ছাপিয়ে দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, তাদের মুক্তির জন্য সংগ্রামকেই প্রাধান্য দিয়ে, নিজেদের সুখ শান্তি বিসর্জন দিয়ে সংসার করেছেন। বেগম মুজিব জীবনের শেষদিন পর্যন্ত স্বামীর সাথে থেকে নীরবে দেশ ও মানুষের সেবা করে গেছেন। স্বামীকে কাছে না পেলেও মানুষের জন্য স্বামীর ত্যাগ সংগ্রামে নিরন্তন সহযোগিতা করেছেন, যা সত্যিই অনন্য, অতুলনীয়। বঙ্গমাতা ছিলেন শক্তিদায়িনী, প্রেরণাদায়ী কিন্তু বেছে নিয়েছিলেন সহজ সরল সাধারণ জীবন, ছিলেন নিভৃতচারী। এখানেই তার বিশেষত্ব! ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি, বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের সুখ-দুঃখ বেদনারই নয়, মরণেও ছিলেন পরম সঙ্গী। তাই তো ঘাতকের বুলেট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলে হত্যাকারীদের কাছে তিনিও মৃত্যু ভিক্ষা করেন, একই সাথে চিরবিদায় নেন এই পৃথিবী থেকে।

আদর্শ, কর্মের মৃত্যু নেই, বেগম মুজিবের কর্ম, দেশপ্রেম, সংগ্রাম আমাদের পথ দেখাবে যুগ যুগ ধরে। সব মানুষেরই জন্য তিনি রেখে গেছেন অনুকরণীর, অনুসরণীয় নিদর্শন, যা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা আগামীর পথে এগিয়ে যেতে পারবো। তাইতো যতদিন ইতিহাস থাকবে, বাংলাদেশ থাকবে- ততদিন জাতির পিতার মতই সমুজ্জ্বল থাকবেন বঙ্গমাতা। আজ ৮ আগস্ট, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন, আজকের দিনে বঙ্গমাতার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা।

লেখক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারি প্রেস সচিব

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ