সাদা-লালে নয়, বর্ষবরণ হোক দেশি পোশাকে

Send
ফারাহ জাবিন শাম্মী
প্রকাশিত : ১০:৫৭, এপ্রিল ১৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:০৫, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯

ফারাহ জাবিন শাম্মী‘বাংলা নববর্ষে ভারতীয় কাতান গাদোয়াল কিংবা পাকিস্তানি লন পরার ধুম পড়লো কবে থেকে? কলকাতার সুতি, তসর কিংবা লিনেন পরলেও ব্যাপারটা কিন্তু একইরকম। ঈদ নিয়ে তো আশাই করি না। পহেলা বৈশাখে অন্তত বাংলাদেশি শাড়ি পরেন’–এ রকম আক্ষেপের সুরেই কথাগুলো বলতে শুরু করেছেন দেশের সচেতন মানুষেরা। ‘মত্ত বাসনা গুছায়ে/মলিন মর্ম মুছায়ে!/ তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে’–রজনীকান্তের সুরেই বলা যায়, অশুভ শক্তির বিনাস, লোভ লালসা ও হিংসার বিনাশ ঘটিয়ে প্রতিবছর বৈশাখ আসে বাঙালির জীবনে দিন বদলের অঙ্গীকার নিয়ে। বসন্তের পাতা ঝরার শব্দ, গাছে গাছে নতুন পাতারা বলে দিচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ এখন দোরগোড়ায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ উৎসব আজ পেয়েছে এক সর্বজনীন রূপ। আর তা লালন করতে বাঙালির ঘরে ঘরে একমাস আগে থেকেই শুরু হয় বাংলা বর্ষবরণ প্রস্তুতি।
প্রকৃত আলাপের আগে একটু ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাই। ইতিহাস বলে, সম্রাট আকবরের সময় থেকেই পহেলা বৈশাখ উৎসবের উদযাপন শুরু হয়। তখন দেশের সব প্রজাই বাংলা চৈত্র মাসের বিদায় দিনের মধ্যেই সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য থাকতেন। এরপরের দিন পহেলা বৈশাখে জমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের নানা ধরনের মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করাতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবেরও আয়োজন চলতো। এই উৎসবটিই একসময় একটি সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়ে যায়। সময়ের বিবর্তনে এর রূপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানের এ পর্যায়ে এসেছে। সে সময় যদিও এই দিনের প্রধান বিষয় ছিল হালখাতা। হালখাতা একটি বিশেষ ধরনের বই যেখানে বছরের প্রথম দিন থেকে নতুন হিসাব-নিকাশের জন্য খোলা হতো।
বাংলাদেশে বর্ষবরণের ধারণাটি জনপ্রিয় করে তুলে মূলত ছায়ানট। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হয় আর ১৯৬৭ সালে বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক জাতীয় উৎসবে রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই রমনার বটমূলে নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠান চালু করে। সেই থেকে এটি প্রতিবছর বিশাল থেকে বিশালতর হয়ে এখন বাঙালির একটি সর্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। আর নতুন বছরকে উদযাপন করতে নিজেকে সাজিয়ে তোলার বাসনা এখন প্রতিটি বাঙালিরই। একসময় দেশের মুসলমানদের মধ্যে রোজার ঈদ ও কোরবানির ঈদ ছাড়া নতুন কাপড় পরার ইচ্ছেটা এত তীব্র ছিল না। আর হিন্দুরা বছরে দুই বার নতুন কাপড় পরতেন—একবার দুর্গাপূজা ও আরেকবার পহেলা বৈশাখে। কিন্তু গত বিশ বছর ধরে পহেলা বৈশাখ বাঙালির এক অসাম্প্রদায়িক প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। যাতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার মানুষই তাতে অংশগ্রহণ করে। এ দিনে নতুন কাপড় ও বাঙালি রসনায় তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চান সবাই। এ যেন নিজেদের সংস্কৃতিতে ধরে রাখার এক প্রাণান্ত চেষ্টা।
বিশেষ করে পোশাকের আয়োজনটি চলতে থাকে মাস ধরে। যারা পোশাক তৈরি ও বিপণন করেন তাদের জন্য বাংলা নববর্ষ একটা বিশাল সময়। দেশীয় ডিজাইনাররা তখন ব্যস্ত সময় কাটান নিজেদের ব্র্যান্ড ইমেজকে বৃদ্ধি করে কিভাবে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় সেদিকে। পহেলা বৈশাখ দেশের পোশাক শিল্পের জন্য বিশাল এক সময়। ডিজাইনাররা তাদের চিন্তা নিখুঁতভাবে কাপড়ে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। এভাবেই তাদের চিন্তা-ভাবনা ও তার এক বিশাল সমন্বয়ে দেশের উৎসবে ফ্যাশন শিল্প একটি বড় জায়গা তৈরি করে ফেলেছে, সে কথা আজ অস্বীকার করে লাভ নেই। মূলত ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রিতে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এ সময়টাকে দেশের ফ্যাশন শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা যায়। তবে ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ পর্যন্ত দেশের ফ্যাশন শিল্প নিজেদের অবস্থান আরও পাকাপোক্ত করে। কিন্তু মুক্তবাজার অর্থনীতির ও বিশ্বায়নের যুগে ২০০৭ সাল থেকেই দেশের ফ্যাশন শিল্পের টিকে থাকার লড়াই তীব্র হতে থাকে। ভারত ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করা কাপড়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রতিদিনই ভাবতে হচ্ছে ডিজাইনের নতুনত্ব নিয়ে।
পহেলা বৈশাখে একসময় শাড়ি-পাঞ্জাবির জয় থাকলেও এখন পাশাপাশি সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া—এসব জায়গা করে নিচ্ছে সমানভাবে। তবে বাঙালি নারী পহেলা বৈশাখে শাড়িতেই নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে পছন্দ করেন। আর পুরুষের পাঞ্জাবি। বাঙালি নারীর আটপৌরে পোশাক শাড়ি পরার প্রচলন কবে থেকে হয়েছিল, তার নির্দিষ্ট দিনক্ষণের কোনও হিসাব কেউ না রাখলেও শাড়ি পরার মধ্যে মিশে আছে এক ধরনের অহঙ্কার। মনে হয়, শাড়িই হচ্ছে বাঙালি নারীর প্রাচীনতম পোশাক। তাই বাংলা নর্ববর্ষকে বরণ করতে বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ থাকে শাড়িতে।
সময় ও যুগ বদলের সঙ্গে-সঙ্গে পহেলা বৈশাখের শাড়ির রঙ, নকশা, পাড় ও পরার ধরনেও এসেছে বৈচিত্র্য। তবে বৈশাখের রঙের ধারণায় পরিবর্তন এলেও শেষ পর্যন্ত জয়টা জুটছে সাদা লালের ভাগ্যেই। বাংলা নতুন বছরের কাপড়ে সাদা লাল কী করে এলো, তারও সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ জানা না গেলেও ধরে নেওয়া হয়, হালখাতার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কাপড়ের রঙ নির্বাচিত করা হয়েছিল। হালখাতার মোড়কের রঙ লাল আর ভেতরের পাতার সাদা থেকে লাল সাদার প্রচলন। অনেকের মতে, আগের হিন্দু নারীরা লাল পাড়ের সাদা শাড়ি পরে বিভিন্ন পূজা পার্বণে অংশ নিতেন। সেখান থেকেই এর চল এসেছে ধারণা করলেও এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক রয়েছে। কারণ তখন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাল পেড়ে সাদা শাড়ি পরার প্রচলন ছিল। বর্তমান বাস্তবতায় ধারণা করা হয়, বৈশাখের প্রথম দিন খুব গরম থাকে তাই আরামের কথা ভেবে সাদা আর উৎসবের বিষয়টি মাথায় রেখে লাল রঙ নির্বাচন করা হয়ে থাকে। তবে কারণ যাই হোক লাল রঙটাকেই সর্বজনীনভাবে গ্রহণ করা হয়।
ইতিহাস থেকে বর্তমান বাস্তবতায় আসা যাক। পহেলা বৈশাখের পোশাকে লাল সাদা বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আজ আমরা পোশাকের ক্ষেত্রে স্বকীয়তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছি অনেকাংশে। বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ একেবারেই বাঙালির দেশীয় উৎসব। খাবার থেকে শুরু করে নানা আচার-অনুষ্ঠান-খেলাধুলা ও গানে দেশাত্মবোধ থাকলেও পোশাকের ক্ষেত্রে কোনও এক অলিখিত কারণে পহেলা বৈশাখে নারীদের প্রথম পছন্দ শাড়ির ক্ষেত্রে নিজস্বতা ধরে রাখতে পারছেন না। আমরা বাংলা নববর্ষের প্রকৃত তাৎপর্য ভুলে গিয়ে সাজগোজ ও আচারে বাঙালি হতে চাচ্ছি শুধু একদিনের জন্য। সমস্যাটা বলতে গেলে ঠিক এখানেই। উৎসব পালন ও ধারণ করা এ দুটোর মধ্যে যে ফারাক তাই দেখতে পাচ্ছি আমরা অনেকের মধ্যে। আমরা দেশের বৃহত্তর স্বার্থটা ভেবে দেখতে পারছি না। পহেলা বৈশাখে পোশাক কেনাকাটার ধুম পড়লেও এর বড় একটা টাকা খরচ হচ্ছে বিদেশি শাড়ি কাপড়ে। এমনিতেই বৈধ ও অবৈধ উপায়ে আসা ভারতীয় ও পাকিস্তানি কাপড়ের সঙ্গে এখন সংগ্রাম করতে হচ্ছে দেশীয় ফ্যাশন শিল্পকে। পহেলা বৈশাখেও তার ব্যত্যয় ঘটছে না। শুধু রঙের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে বিশেষ করে নারী ক্রেতারা ঝুঁকছেন ভিনদেশি কাপড়ে। এতে করে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি নিজস্ব উৎসবে ভিনদেশি কাপড় বাংলা নববর্ষের ধারণাকেও হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্তমানে কাপড়ের ব্যবসায় বিশাল এক জায়গা করে নিয়েছে। আর অনলাইনকেন্দ্রিক এ ব্যবসাগুলো বেশিরভাগই ভারতীয় ও পাকিস্তানি কাপড়ের ওপর নির্ভরশীল। তুলনামূলক কম দাম ও নিত্যনতুন ডিজাইনের কারণে নারীরা আকৃষ্ট হচ্ছেন এসব কাপড়ে। গত দুই তিন বছর ধরে পহেলা বৈশাখে অনলাইনকেন্দ্রিক ফ্যাশন শপগুলোয় ভারতের চেন্নাই কাতান, জয়পুরি, গাদোয়াল, ইক্কাত, মাধুরাই কটন আরও অনেক নামের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। বিক্রি হচ্ছে পাকিস্তানি লনের সালোয়ার-কামিজ, কুর্তাও বাহারি সব নামে। বৈশাখকে কেন্দ্র করে অনলাইনগুলো সাদা লাল পাড় সহ আরো রঙবেরঙের ভারতীয় শাড়ি ও পাকিস্তানি লনের জামার পসরা সাজিয়ে বসছেন। আর আমরা নানা বৈচিত্র্যের মোহে ও তুলনামূলক কমদামে পাওয়ায় বাংলা নববর্ষেও আকৃষ্ট হচ্ছি এসবে। যদিও একসময়ে পহেলা বৈশাখে অভিজাত পরিবারের নারীরা জামদানিকেই প্রাধান্য দিতেন, তবে বৃহদাকারে সুতি শাড়ির চলটাই ছিল বেশি। এখন শিক্ষিত সচেতন নারীরা দেশীয় কাপড়কে প্রাধান্য দিলেও দেশের বৃহৎ একটি অংশ ভারতীয় লন কিনতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ কারণেই দেশীয় ফ্যাশন হাউজের লড়াইটা দিনকে দিন তীব্র হচ্ছে।
যদিও আমাদের দেশের তাঁত শিল্পেরও রয়েছে এক গৌরবময় ঐতিহ্য। প্রাক শিল্পবিপ্লব যুগে বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম বস্ত্রশিল্প কেন্দ্র। ঢাকা, কাপাসিয়া, সোনারগাঁও, দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া, খুলনা ও কুমিল্লা বস্ত্রশিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল। বাংলাদেশের মসলিন ও জামদানির খ্যাতি ছিল বিশ্বজোড়া। সুতি কাপড়ের মতোই বিখ্যাত হয়েছিল বাংলার রেশমি কাপড়। এসব ছাড়াও ঢাকায় নানা ধরনের কাপড় বোনা হতো। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৮৪০ সালে সারাবিশ্বে বস্ত্রশিল্প যখন ধ্বংসের মুখে, তখনও ঢাকায়ই প্রায় ৩০০ রকমের কাপড় বোনা হতো। একসময় যান্ত্রিক উৎপাদনের প্রসার ও নানা জাটিলতায় তাঁতশিল্প সীমিত হয়ে পড়ে। তাঁতীদের সবসময়ের অভিযোগ তাদের তৈরি করা কাপড়ের প্রকৃত মজুরি তারা পান না। তাই তাঁতশিল্পে কাজ করার আগ্রহ তারা হারিয়ে ফেলছেন দিনকে দিন। সীমিত পরিসরে কাজ করায় ভারতীয় কাপড়ের নকশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারছেন না তারা। তবে বাজারে এখনও অনেক রকম শাড়ি রয়েছে। বেনারসি, জামাদানি, সিল্ক, তাঁতের শাড়ি, মিলের শাড়ি, সুতি শাড়ি, টাঙ্গাইল শাড়ি, রাজশাহী সিল্ক। এসবের মধ্যে বাটিক, বুটিক, টাইডাই, ব্লকপ্রিন্ট, স্ক্রিনপ্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট নকশিকাঁথাসহ হাজার রকমের কাজ করা হয় শাড়িতে। বাংলাদেশের তৈরি জামদানি, কাতান, রাজশাহী সিল্ক, মনিপুরী শাড়ি, টাঙ্গাইলের তাঁতশাড়ি, বালুচরি শাড়ি, পাবনার শাড়ি এগুলো শুধু দেশে নয় বিদেশেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দেশের তাঁত ও পোশাকশিল্প তথা দেশের অর্থনীতিতে এ খাতের যে বিপুল সম্ভাবনা তা ফিরিয়ে আনতে দরকার যথেষ্ঠ সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। এছাড়া পোশাক ক্রেতাদের মানসিকতায়ও পরিবর্তন দরকার, দরকার সচেতনতা।
‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে/ মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/ বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক।’ প্রত্যাশা, প্রতিবারের মতোই যা কিছু পুরাতন, অকেজো, জরা তা ধুয়ে-মুছে যাবে আর আমরা সূচনা করব, একটি নতুন ভোরের, একটি নতুন আলোকিত দিনের, একটি বছরের। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাদেই বাংলা নববর্ষ। সেদিন ভোর থেকেই চারদিকে থাকবে সাজ-সাজ রব। বাজবে ঢোল, ডুগডুগি, সাদা-লালসহ অসংখ্য রঙের সমাহার থাকবে সবার পোশাকে। নারীদের মাথায় নানা রকম বেণী , খোঁপা ও তাতে হরেক ফুলের মেলা। বয়সের ভেদাভেদ ভুলে নর, নারী, শিশু মেতে উঠবেন উৎসবের আনন্দে। এ সব কিছুর মাঝে আমরা যেন ভুলে না যাই আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে রয়েছে নানা গৌরবজনক অধ্যায়। কোনও অশুভ শক্তির চেষ্টায় তা যেন বিনাশ না হয়, সে সচেতনতা আসুক প্রতিটি বাঙালির মন ও ধারণ ক্ষমতায়। নতুন সকাল আসুক। স্বাগত ১৪২৫।
লেখক: সম্পাদক, লুক

/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ