পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজ যে বার্তা দিয়ে গেলো

Send
মো. জাকির হোসেন
প্রকাশিত : ১৪:২৫, নভেম্বর ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:২৯, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

মো. জাকির হোসেনএ মুহূর্তে সমগ্র জাতি কীসে বুঁদ হয়ে রয়েছে? নিঃসন্দেহে পেঁয়াজে। না, পেঁয়াজ নেশা নয়। আমাদের নেশাগ্রস্ত হওয়ার জন্য নেশাবস্তু নয়, ইস্যু চাই। ব্যস, ইস্যু আছে তো হয়ে গেলো। ছোট, না বড় ইস্যু, সময়ক্ষেপণ কল্যাণকর না অপচয়, তাতে কিছু আসে যায় না। ফেসবুকে পেঁয়াজ নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ চরম আকার ধারণ করেছে। ক্ষোভ-কটাক্ষের পাশাপাশি রঙ্গ-রসিকতা, গান, কৌতুক, যাত্রাপালা, কবিতা, ভিডিও, অডিও, চিত্রকর্ম কত কিছু এক পেঁয়াজকে নিয়ে। পেঁয়াজ নিয়ে কিছু কিছু ট্রল তো রীতিমতো সৃষ্টিশীল। যেমন—একজন লিখেছেন পেঁয়াজ সাম্যবাদী সবজি। কিনতে গেলে স্বামী কাঁদে, কাটতে গেলে স্ত্রী কাঁদে। ‘দ্বীপ ছিল, শিখা ছিল…’ গানকে প্যারোডি করে গান রচিত হয়েছে ‘রসুন ছিল, মরিচ ছিল, শুধু পেঁয়াজ ছিল না বলে, বউ ইলিশ রাঁধলো না’। কোনও কোনও সংবাদপত্রে একই দিনে একাধিক শিরোনাম হচ্ছে পেঁয়াজ নিয়ে। পেঁয়াজ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্যরা। তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেছেনও। অবশেষে বাজারে রাশ টানতে পেঁয়াজ আসছে প্লেনে চড়ে। জাহাজে করে।
স্বল্প সময়ের জন্য হলেও পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজ আমাদের যে বার্তা দিয়ে গেলো, তা হলো—

এক. আমাদের মন্ত্রীরা যে পদ্ধতিতে কাজ করছেন, বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যাপারে কর্মপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনয়ন আবশ্যক। পেঁয়াজের এ সংকট হঠাৎ তৈরি হয়নি। পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের একটি সমিতি জানিয়েছে, পেঁয়াজের চাহিদার ৬০ শতাংশ মেটানো হয় দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ থেকে। বাকি ৪০ শতাংশ আমদানি করা হয়। আর ভারত থেকেই সিংহভাগ আমদানি করা হয়। একটি পরিসংখ্যান বলছে, ভারত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী দেশ। ভারত তার অভ্যন্তরীণ মোট চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন করে। ভারতের মোট পেঁয়াজ উৎপাদনের ৪৫ শতাংশই উৎপন্ন হয় মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে। এছাড়া গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ আর পশ্চিমবঙ্গেও পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। তাদের বার্ষিক মোট চাহিদা ১৫-১৬ মিলিয়ন টন, আর বার্ষিক উৎপাদনের পরিমাণ ২২-২৩ মিলিয়ন টন। ভারত উদ্বৃত্ত পেঁয়াজ বিভিন্ন দেশে রফতানি করে। চলতি বছরও ভারত যথারীতি পেঁয়াজ রফতানি করে যাচ্ছিল। কিন্তু আবহাওয়ার বৈরী আচরণ আর অসময়ে অতিবৃষ্টির ফলে পেঁয়াজের বড় সরবরাহকারী মহারাষ্ট্রের কয়েকটি অঞ্চলে পেঁয়াজ উৎপাদন ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বাড়তে শুরু করে। বাড়তে বাড়তে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৮০ রুপিতে উঠলে ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। কারণ, পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজ ভারতের রাজনীতিতে একাধিকবার লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ১৯৮০ সালে জনতা দলের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় জোট সরকারের রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে এনেছিল পেঁয়াজ। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়নে পেঁয়াজ সংকটেই কেন্দ্রীয় সরকারের পতন ঘটেছিল সে সময়। তারপর ১৯৯৮ সালে বিজেপি যখন দিল্লি ও রাজস্থানে ক্ষমতায়, তখন এক সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেলে দিল্লিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছিল। অনেকে পেঁয়াজের মালা গলায় দিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিল। সরকার পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছিল। এমনকি রফতানিকারক ভারতকে বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছিল। ভারত সরকার বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে ট্রাকে করে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে জনগণকে শান্ত করার চেষ্টা করেছিল। বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকে হামলা করলে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল। তারপরও বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষোভ উগরে দেয় জনগণ। নির্বাচনে দুই রাজ্যেই বিজেপি সরকারের পতন ঘটেছিল। ’৯৮-এর পেঁয়াজ সংকটকে ভারতের কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে ‘The Great Onion Disaster’ নামে উল্লেখ করা হয়। ২০১০ সালে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৯০ রুপি উঠলে আবারও ‘Great Onion Disaster’-এর লক্ষণ দেখা দেয়। সেবারও পেঁয়াজের মালা গলায় পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন রাস্তায় রাস্তায় মিছিল করেছিল। সরকার তড়িঘড়ি করে রফতানি বন্ধ করে পেঁয়াজ আমদানি করে। আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যাপারে দায়িত্বশীলরা এসব খবর রাখেন বলে মনে হয় না। জানলে ভারতের রফতানি বন্ধের ওপর দায় চাপিয়ে পেঁয়াজ সংকটে নিজেদের দায় এড়াতে পারতেন না। 

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘গত বছর আগাম বৃষ্টির কারণে আমাদের পেঁয়াজ উৎপাদনে অনেক ক্ষতি হয়েছে। যার জন্য আমাদের ঘাটতি ছিল।’ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এসব খবর রাখেন কিনা জানি না। তবে আমাদের পেঁয়াজ সংকটে মন্ত্রী টিপু মুনশি মোটেও মুন্সিয়ানার পরিচয় দেখাতে পারেননি। বরং তার অমুন্সিয়ানাসুলভ বক্তব্যে পেঁয়াজ সরকারের জন্য মুসিবত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িতদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার সতর্ক বার্তা দিয়ে গেলো পেঁয়াজ সংকট।

দুই. আমাদের দেশে পেঁয়াজের মোট চাহিদা কত আর উৎপাদন কত, এর সঠিক পরিসংখ্যানে গড়বড় রয়েছে। সর্বশেষ কৃষিশুমারির তথ্য অনুসারে দেশে খানা রয়েছে তিন কোটি ৬০ লাখ। তাতে বড়জোর ২২-২৩ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ লাগার কথা। সরকারের মসলা গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী জনপ্রতি গড়ে দৈনিক ৩৮ মিলিগ্রামের মতো পেঁয়াজ লাগে। সেই হিসাবে ১৭ কোটি মানুষ ধরে বছরে লাগে প্রায় ২৪ লাখ টন পেঁয়াজ। এছাড়া বিভিন্ন ওষুধি কার্যক্রমে আরও অল্প কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ লাগে। সে হিসাবে আমাদের দেশে যে উৎপাদন এখন হয়, তাতে অতিরিক্ত আমদানির দরকার হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশে সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা ভালো নয়। ফলে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ২৫ শতাংশ নষ্ট হিসেবে ধরতে হয়। সেদিক থেকে হিসাব করলে প্রতিবছরই পাঁচ থেকে সাত লাখ টন ঘাটতি থেকে যায়। কিন্তু উৎপাদনের পরিসংখ্যানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিরাট গরমিল রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে চলতি বছরের মে মাসে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার টন। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের একই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে ওই পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২৫ লাখ ৪২ হাজার টন। অন্যদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮-১৯ অনুসারে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮-১৯ বছরে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৬ লাখ ২০ হাজার টন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উৎপাদন ও চাহিদার অপেক্ষাকৃত সঠিক পরিসংখ্যানের দিকে নজর দিতে হবে।

তিন. একটি অনুসন্ধান মতে দেশে ১২ জন ব্যবসায়ী পেঁয়াজ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা সত্ত্বেও অনেক গুদামে টন টন পেঁয়াজ গুদামজাত করে রাখা হলো। পচে নষ্ট হয়ে গেলো। এটি কি শুধু মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে, না অন্য কোনও রহস্য রয়েছে? আমার ব্যক্তিগত ধারণা পরিকল্পিতভাবে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সরকার নিজে উদ্যোগী হয়ে পেঁয়াজ আমদানি করায় ও দেশের বড় বড় শিল্পগ্রুপ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পেঁয়াজ আমদানি করতে এলসি মার্জিন ও ব্যাংক সুদের ক্ষেত্রে আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে উৎসাহিত করায় পেঁয়াজ ষড়যন্ত্রীরা পিছু হটেছে। তবে পেঁয়াজের বদলে এবার চালের বাজারে ভর করে অস্থিরতার চেষ্টা চালাচ্ছে। এখন ধান কাটার মৌসুম। বাজারে নতুন চাল এসেছে, তাই এ মুহূর্তে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়া কারসাজির ইঙ্গিত দেয়। শীতের সবজির ভরা মৌসুম এখন। সবজির দামবৃদ্ধির কি যুক্তি থাকতে পারে যদি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করা হয়ে থাকে? নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আমদানিকারক ও পাইকারি আড়তদারদের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার আগাম বার্তা দিচ্ছে পেঁয়াজ সংকট।

চার. বিদেশ থেকে প্রচুর পেঁয়াজ অমদানি করে বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলা করে সংকট আপাতত সমাধান হলেও কয়েকদিনের মধ্যে যখন টন টন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসবে, তখন পেঁয়াজ চাষিদের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে।

পাঁচ. আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে বাজার তদারকি করে মূল্য নিয়ন্ত্রণ কার্যকরী কোনও ব্যবস্থা নয়। পেঁয়াজের বাজারের অস্থিরতা সে সংকেতই দিয়ে গেলো। ভবিষ্যতে বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় অন্য কোনও উপযুক্ত পন্থা খুঁজে বের করতে হবে।

ছয়. শেখ হাসিনা সরকারের বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রীর মেধা, প্রজ্ঞা, নিরলস পরিশ্রম, অসীম সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার হাত ধরে বাংলাদেশ নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বহির্বিশ্বে অভূতপূর্ব মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হলেও কয়েকদিনের জন্য পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষের ক্ষোভ এ বার্তা দিচ্ছে, সরকার কী করেছে তার চেয়ে সরকারের কী করা উচিত ছিল সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের কৃতিত্বকে ম্লান করে দেওয়ার জন্য পেঁয়াজের মতো দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিই যথেষ্ট। এমন বাস্তবতাকে মাথায় রেখে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনের বার্তা দিলো পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজ।

সাত. পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ যখন বিরক্ত, তখন বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ‘পেঁয়াজ ১০০ টাকার নিচে পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা আপাতত নেই’, কিংবা পেঁয়াজের দাম যখন ২০০ টাকা তখন মন্ত্রীর ‘পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল আছে’ ধরনের বক্তব্যে পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের ক্ষোভ বেড়েছে। এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, মন্ত্রীদের অতিকথন মানুষ পছন্দ করে না।

আট. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও হ্রাস দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। কৃত্রিম সংকটে সৃষ্ট পেঁয়াজের বাড়তি ঝাঁজ এ বার্তা দিয়ে গেলো, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বড় কৃতিত্ব ম্লান করতে লবণ ও মরিচের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল, সে ষড়যন্ত্রী প্রেতাত্মারা আজও  বহাল তবিয়তে রয়েছে।

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির বাড়তি ঝাঁজ আমাদের যে বার্তা দিয়ে গেলো, তা আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আরও দূরদর্শিতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করলে জনগণ ও সরকার উভয়েরই মঙ্গল হবে, আশা করা যায়।

লেখক: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

ই-মেইল: [email protected]

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ