স্বাধীন সাংবাদিকতা ও একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা

Send
রুমিন ফারহানা
প্রকাশিত : ১৮:৪১, জানুয়ারি ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৩৯, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

রুমিন ফারহানাপ্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে  ১৬ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা, সেটি নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক। গত পহেলা নভেম্বর মোহাম্মদপুর রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রথম আলোর সহযোগী প্রকাশনা কিশোরদের মাসিক সাময়িকী ‘কিশোর আলো’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান চলার সময় ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র নাইমুল আবরার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অবশ্যই বিষয়টি একটি সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি রাখে।
এক তারিখে ঘটনাটি ঘটবার পরে ৩ তারিখ ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে প্রথম আলোর সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়। প্রথম আলোর সম্পাদক, প্রকাশক ছাড়াও তথ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। বলে রাখা ভালো, ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর কোনও নজির দেখা যায় না। ফৌজদারি অপরাধে মামলা হয় দুইভাবে। হয় থানায় গিয়ে সরাসরি এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে অথবা আদালতে পিটিশন দায়ের করে।

এই লিগ্যাল নোটিশের পরপরই গত ৪ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এই মৃত্যুর বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হবে।’ এরপর ৫ নভেম্বর প্রথম আলো তাদের একটা বিবৃতি দিয়ে জানায়, এ সংক্রান্ত তদন্তে তারা সাহায্য করছে। সেখানে এটাও জানানো হয়, আবরারের মা-বাবা ও অভিভাবকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এ ঘটনাকে দুর্ঘটনা হিসেবে পুলিশের কাছে জানান। পরের দিন, ৬ নভেম্বর আবরারের বাবা মামলা করেন। এরপর ৭ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকের হেডলাইন হয় ‘আবরারের মৃত্যু প্রথম আলোর অবহেলায়: প্রধানমন্ত্রী’। ওই প্রতিবেদনে আবরারের মৃত্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও ছাপানো হয়, যেখানে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘যারা অনুষ্ঠান আয়োজন করে তাদের একটা দায়িত্ব থাকে। প্রথম আলোর আয়োজকদের দেখা উচিত ছিল, অনুষ্ঠানে ছোট ছোট শিশুরা এসেছে। আয়োজকরা এটাকে এতটা নেগলেক্ট করেছে! বাচ্চাটা মারা গেছে, এরপরও ঘটনাটা চাপা দিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে গেছে। ধানমন্ডিতে এত হাসপাতাল, তবু মহাখালীতে নিয়ে গেল। প্রথম আলো এ ধরনের একটা ঘটনা কীভাবে ঘটায়? তাদের কোনও দায়বদ্ধতা নেই? ছোট ছোট বাচ্চারা এখানে পড়াশোনা করছে। তাদের নিরাপত্তা না দেখা এটাও তো গর্হিত অপরাধ। এটা তো বরদাশত করা যায় না।’

এরপর গত ১৬ তারিখে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, প্রথম আলো যেহেতু সরকারের সমালোচক গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত, সেজন্য তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতেই একটি হত্যা মামলাকে সামনে আনা হয়েছে। আবার অনেকের মতে, এর সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনও সম্পর্ক নেই। এটি আর দশটি ফৌজদারি অপরাধের মতোই একটি। পৃথিবীর যেকোনও সভ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মামলা হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে মামলা হয়, তদন্তসাপেক্ষে আদালত দোষী-নির্দোষ নির্ধারণ করেন। সেখানে নির্বাহী বিভাগের কারও পক্ষে বা বিপক্ষে মত প্রকাশ নজিরবিহীন। সুতরাং সেখানে চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যে মামলা হওয়ার ন্যূনতম আশঙ্কার কথাও কারও ভাবনায় আসে না। কিন্তু যেহেতু দেশটি বাংলাদেশ, তাই শুধু দেশের বিশিষ্ট নাগরিকই নন, বরং বহু বিদেশি গণমাধ্যমেও চাপ প্রয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

নানা পেশার প্রথিতযশা ৪৭ জন বিবৃতিদাতা বলেছেন, ‘মামলাটি দায়েরের আগে-পরে এই বিষয়ে যেভাবে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বক্তব্য দিয়েছেন এবং এই মামলায় প্রথম আলো সম্পাদককে যেভাবে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, তাতে মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয়েছে’। তারা আরও যুক্ত করেন, এই মামলায় সমন জারি করে বিচারকাজ পরিচালনার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর সাপ্তাহিক ছুটির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে বলেও তারা মনে করছেন। বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, দেশে বাকস্বাধীনতার ওপর একের পর এক যেসব আঘাত আসছে, তা থেকে মামলাটিকে পৃথক করে দেখার কোনও অবকাশ নেই।

প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে করা এই গ্রেফতারি পরোয়ানা বিদেশি গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। এই ফরমেশন পরোয়ানাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি ভয়ানক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যম। বার্তা সংস্থা এএফপি’র বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ভারতের এনডিটিভি, জাপান টাইমস ও হংকংভিত্তিক এশিয়া টাইমস। এছাড়া সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, লাওস, তাইওয়ানসহ বিভিন্ন দেশের লিডিং নিউজ পেপারগুলোয়ও এই সংবাদ অতি গুরুত্বের সঙ্গে স্থান করে নেয়। বিশেষ করে ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন টাইমস, ভয়েস অব আমেরিকাতেও এএফপির বরাতে এই খবর প্রকাশিত হয়। সব রিপোর্টেই প্রায় একই কথা উঠে এসেছে, আর তা হলো এখানে স্বাধীন কণ্ঠস্বর মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।
এরকম আশঙ্কা হওয়ার প্রেক্ষাপট প্রথম আলোর ক্ষেত্রে আছে। এই পত্রিকাটির বিরুদ্ধে নানা রকম বক্তব্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। নেওয়া হয়েছে আরও নানা কঠিন পদক্ষেপ। মতিউর রহমান গত ৪ নভেম্বর প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘পৃথিবীতে এমন কোনও দেশ নেই, যেখানে সাংবাদিকতার সামনে বাধা আসে না। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আমার মনে পড়ে, ১৯৭৫ সালে ‘একতা’ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৯ সালে আবার ছাপা শুরু হয়। চালু হওয়ার পর ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকার আবার তা দুই বছরের জন্য বন্ধ করে দেয়। ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকার ভোরের কাগজে সরকারি বিজ্ঞাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। আমরা তখন রাজপথে নেমেছিলাম। শেষে সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ২০০০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রথম আলো একই পরিস্থিতিতে পড়ে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবার সেই অবস্থায় পড়ি আমরা। ফলে দেখতেই পাচ্ছেন, বিগত বছরগুলোতে আমরা অনেকবার এমন অবস্থার মুখে পড়েছি। এমনকি এখনও আমার সহকর্মী আর আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা চলছে। এ জন্য আমাদের কোর্টে হাজিরা দিতে হয়। প্রায়ই আমাদের একরকম ভয় আর অনিশ্চয়তায় মধ্য দিয়ে চলতে হয়। এরমধ্যে বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় যেন আমাদের বিজ্ঞাপন না দেয়। এ রকম সব চ্যালেঞ্জ আমাদের নিয়মিত সামলাতে হয়। তবে, এসব আমাদের কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নিতে হয়। এতসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আমাদের যা করা উচিত বলে ঠিক করেছি, তা করে যেতেই হবে। আর তা করতে হবে সবচেয়ে ভালোভাবে।’
প্রথম আলোর এই ঘটনাটি দেশে-বিদেশে মূলত যে কারণে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তা হলো বাকস্বাধীনতার প্রতি হুমকি। পরিকল্পনা করে হামলা-মামলা দিয়ে, ভয় ও চাপ প্রয়োগ করে, এমনকি বিজ্ঞাপনদাতাদের চাপ দিয়ে গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। সম্প্রতি প্রকাশিত আইন ও সালিশ কেন্দ্রের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, গত বছর ১৪২ জন সাংবাদিক শারীরিক নির্যাতন, হামলা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর তাই রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডারসের প্রেস ফ্রিডম ইন্ডেক্স ক্রমাগত পেছাতে পেছাতে বাংলাদেশে এখন ১৫০তম অবস্থানে, যেখানে পাকিস্তানের অবস্থান ১৪২তম। 
বিকল্প মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিপীড়নমূলক ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট-এর কারণে জনগণ মত-প্রকাশে ভীত। পরিস্থিতি এতই ভয়াবহ যে, মতিউর রহমান বা মাহফুজ আনামের মতো প্রথিতযশা সম্পাদকরাও বলছেন সেলফ সেন্সরশিপের কথা।

এর আগে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, যার বিরুদ্ধে প্রায় শ’খানেক মামলা আছে; ডয়েচে ভ্যালেকে বলেছেন, ‘আমি অসহিষ্ণুতা দেখি সব ক্ষেত্রে। অসহিষ্ণুতার রাজনীতির ক্ষেত্রে, জুডিশিয়ারির ক্ষেত্রে, পুলিশ...বলা চলে সবক্ষেত্রে। সবাই যেন সাংবাদিকদের চাপে রাখার চেষ্টাই করছে।’ তিনি বলেন, ‘লিখছি না এমন অনেক ইস্যু রয়েছে। অনেক ইস্যুতে লেখা উচিত, যেমন ধরেন, গত নির্বাচন, এছাড়া আরও ছোট নির্বাচনগুলো নিয়ে লেখা উচিত, যা লিখছি না, বলা উচিত, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও লিখতে পারছি না।’

এরপর বর্তমানে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রতিবন্ধকতা নিয়ে ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর প্রথম আলোকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে মতিউর রহমান বলেন, ‘তবে এটা অনস্বীকার্য যে, আমরা সব লিখতে পারি না, যা বলা উচিত, তার সব বলতে পারি না। ভয়ভীতিমুক্ত হয়ে আমরা বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা এখনও করতে পারছি না। আমাদের সংবিধানের নিশ্চিত করা আরও  স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের বাস্তবায়ন আমরা আশা করেছিলাম। সংশোধিত আইসিটি আইন-২০১৩ এবং ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো কিছু আইন সরকার বলবৎ করেছে। এই আইনগুলো সাংবাদিকতাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।’

নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তার সবচেয়ে আলোচিত গবেষণায় দেখিয়েছেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশ, যেখানে সংবাদমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সেখানে কখনও দুর্ভিক্ষ হতে পারে না। শুধু দুর্ভিক্ষই নয়, সমাজের আরও নানা অনাচার-অবিচার সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে তার বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতেই হয়। এমনকি সরকারের নানা অনিয়ম, ব্যর্থতাও যখন সংবাদমাধ্যমে আসে, সেটা তখন মানুষের মধ্যে সচেতনতার পাশাপাশি তীব্র জনমত তৈরি করে। তাই সেটা সরকারকে যাচ্ছেতাই করার পথে বাধা দেয়। ঠিক এই কারণে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি স্তম্ভের বাইরে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বর্তমান ক্ষমতাসীন দলটি ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর, বিশেষ করে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করার পর থেকে সব রকমভাবে চেষ্টা করেছে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে। সরকার চেয়েছে  একেবারেই ‘পোষ মানা’ একটি সংবাদমাধ্যম; সেটা না হলেও অন্তত ‘বশ’ মানা সংবাদমাধ্যম। টিভি টকশো ও পত্রিকার কলামসহ বিভিন্ন জায়গায় কিছু সাংবাদিকের বক্তব্য একেবারে সরকারদলীয় কর্মীর মতোই শোনায়। আর হাতে গোনা কয়েকজন যারা নিজ থেকে ‘পোষ’ মানেননি, তাদের ‘বশ’ মানানোর চেষ্টা হচ্ছে নানা কায়দায়।
প্রথম আলো’র সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার দ্বিমত আছে। এই ক্ষেত্রে কারও কারও দ্বিমত থাকতে পারে আরও অনেক  বেশি। কিন্তু যার যতটাই দ্বিমত থাকুক না কেন, সবার অন্তত একটা ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত—প্রথম আলো তো বটেই, যেকোনও সংবাদমাধ্যমকে ‘বশ’ মানানোর সব রকম চেষ্টার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে নাগরিকদের। প্রথম আলো ‘বশ’ মানলে সরকারের ভীষণ লাভ আছে সন্দেহ নেই, কিন্তু এতে এই রাষ্ট্রে টিমটিম করে জ্বলতে থাকা স্বাধীন সাংবাদিকতার শেষ বাতিটি এর সঙ্গে নিভে যাবে। সেটা যদি হয়, তাহলে প্রায় ভেঙে পড়া রাষ্ট্রের কাঠামোটির কী হবে, সেটা বোঝার মতো জ্ঞান সবারই থাকার কথা।
লেখক: আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য

 

/এসএএস/এমএনএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ