আড়ম্বরে নয়, মুজিব থাকুক অন্তরে

Send
প্রভাষ আমিন
প্রকাশিত : ১৭:৫৭, মার্চ ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫৯, মার্চ ১০, ২০২০

প্রভাষ আমিনবেশ কয়েকদিন ধরেই ফিসফাস শুনছিলাম, বাংলাদেশে করোনা চলে এসেছে। কিন্তু সরকার লুকিয়ে রেখেছে। মুজিববর্ষের পরে মানে অন্তত ১৭ মার্চের পর করোনার ঘোষণা দেওয়া হবে। কিন্তু তাদের ধারণা মিথ্যা প্রমাণ করে সরকার মুজিববর্ষের আগেই মানে ৮ মার্চেই করোনার ঘোষণা দিয়ে দিলো। বিষয়টা হলো, করোনার রোগী থাকা না থাকা। কিছু লোকের এমন তাড়াহুড়ো ছিল, যেন সরকার ইচ্ছা করে লুকিয়ে রেখেছে; যেন রোগী না থাকলেও করোনার ঘোষণা দিতে হবে। কিন্তু করোনার রোগী শনাক্তের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী খবরটি প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলে দিয়েছেন, মানুষের জীবন আগে। রবিবার (৮ মার্চ) বিকেলে করোনার ঘোষণা আসার পরপরই মুজিববর্ষের আয়োজন নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। অবশ্য সে কৌতূহল বেশিক্ষণ টেকেনি। রাতেই মুজিববর্ষ উদযাপন আয়োজন পুনর্বিন্যাসের ঘোষণা আসে। স্থগিত করা হয়, জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠেয় মুজিববর্ষের সূচনা অনুষ্ঠান। তবে লোকসমাগম হবে না, এমন কর্মসূচি চলবে। মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বেতার, টিভি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনটি খুবই স্পর্শকাতর ইস্যু। বছরব্যাপী এ আয়োজন আওয়ামী লীগের জন্য তো বটেই, ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্য খুবই আবেগের। সেই ধারণা থেকেই কারো কারো সন্দেহ ছিল, ১৭ মার্চের আগে করোনার ঘোষণা দেওয়া হবে না। কিন্তু শেখ হাসিনা আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা, দেশের মানুষের স্বার্থটাই তার কাছে সবকিছুর ঊর্ধ্বে। দেশি-বিদেশি সম্মানিত অতিথিদের নিয়ে বিশাল আয়োজনে মুজিববর্ষ উদযাপন করলে মানুষ যতটা প্রশংসা করতো, অনুষ্ঠানটি স্থগিত করে শেখ হাসিনা তারচেয়ে অনেক বেশি মানুষের দোয়া পাবেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য বড় উপলক্ষ। মহৎ সেই উপলক্ষ উদযাপনে প্রস্তুতিও ছিল বিশাল। সরকারি-বেসরকারি নানা পর্যায়ে মুজিববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি চলছিল।

কিন্তু সেই প্রস্তুতির আড়ালে চলছিল নানান ‘ধান্দা’ আর বাণিজ্যের প্রস্তুতিও। আড়ম্বরে হারিয়ে যেতে বসেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বিষয়গুলো যে নীতিনির্ধারকদের অজানা তা নয়। গত সপ্তাহের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষের নামে যাতে কোনও অপচয় না হয়, সে ব্যাপারে মন্ত্রণালয়গুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের একটি কর্মসূচিকে মুজিববর্ষের কর্মসূচি হিসেবে দেখাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’ তিনি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেন, যারা অবসর ভাতা পান, তারা যাতে ঘরে বসে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এটা পেতে পারেন, সেজন্য অর্থ মন্ত্রণালয় একটি কর্মসূচি নিয়েছিল আগেই। সেই কর্মসূচিকে মুজিববর্ষের কর্মসূচি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এ কর্মসূচির জন্য আলাদা খরচ করা লাগবে না। একই বৈঠকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বা ছবি-সংবলিত বড় ব্যানার তৈরি না করতেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ম্যুরাল ও ব্যানার তৈরির অর্থ দিয়ে দুস্থ-অসহায়দের জন্য গৃহনির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনাটা আরও আগে এলে ভালো হতো। ইতোমধ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অপচয়মূলক নানান উদ্যোগের খবর কানে আসছে। কিছু কিছু উদ্যোগে তো বঙ্গবন্ধুকে সম্মানের চেয়ে অবমাননা করা হচ্ছে বেশি। যেখানে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহারেও কঠোর নীতিমালা থাকা দরকার। বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে বানানো কেকের ছবিও ফেসবুকে ভাইরাল। বঙ্গবন্ধুর ছবির ওপর বসে থাকার ছবি নিয়েও সমালোচনা কম হয়নি। বছর দুয়েক আগে ১৫ আগস্ট খাবারের প্যাকেটে বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। খাওয়ার পর সবাই সেই প্যাকেট মাটিতে ফেলে দেন। অনেকেই তখন বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা করেছেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের সবকিছুর  ঊর্ধ্বে। তিনি আমাদের মাথার ওপর সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে; তাঁকে যেন আমরা মাটিতে নামিয়ে না আনি। অনেকে আবার অতি ভক্তি দেখাতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে দেবতার আসনে বসাতে চাইছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন ভুল-শুদ্ধে মেশানো একজন মানুষ। তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল, তিনি বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। তাঁর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল, তিনি বাংলার মানুষকে বেশি ভালোবাসতেন। টুঙ্গীপাড়ার অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে আসা মাটির মানুষ শেখ মুজিব ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু, একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে হয়ে উঠেছিলেন জাতির জনক।

৭৫’র পর ২১ বছর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিলেন। তখন তাঁর নাম নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর এখন সবাই বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক। এরমধ্যে অনেকেই যে ভণ্ডপ্রেমিক, তা বলে না দিলেও চলে। বইমেলার সময় কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদারের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস উদ্ধৃত করছি, ‘মাফ করবেন! কিন্তু সত্যিটা হচ্ছে ২০০৯ সালের পরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা যেকোনও বইকে আমার কাছে সরকারের নেক-দৃষ্টি আকর্ষণকারী  ব্যবসায়িক উদ্যোগ মনে হয়। প্রশ্ন করতে ইচ্ছা হয়–এতদিন কোথায় ছিলেন?’ জাকির তালুকদারের প্রশ্নটি আমার মনেও জেগেছে। সবাই না হলেও অনেকেই বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক সেজেছেন সরকারের নেক দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যবসা করার জন্য, এতে কোনও সন্দেহ নেই। কেউ লিখছেন বই, কেউ বানাচ্ছেন ডকুমেন্টারি—ধান্দার নানান কৌশল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মুজিববর্ষ উপলক্ষে সড়কের পাশের পুরনো ভবনগুলো নতুন করে রঙ করতে বাড়ি মালিকদের চিঠি পাঠিয়েছে। এই রঙ করার টাকা কে দেবে? এই যে মুজিববর্ষের আয়োজন ছোট করে আনা হচ্ছে,দেখে আমার খালি সেসব ধান্দাবাজদের কথা মনে হচ্ছে। যারা বঙ্গবন্ধুকে বেঁচে আঙুল ফুলে বটগাছ হতে চেয়েছিলেন, তাদের অভিশাপেই করোনার মৃত্যু হওয়ার কথা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মুজিববর্ষ উপলক্ষে চাঁদাবাজির দোকান না খুলতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই কথাটি তিনি একবার নয়, নানান অনুষ্ঠানে কয়েকবার বলেছেন। তার মানে আমাদের কানে যেমন আসে, তার কানেও গেছে এই চাঁদাবাজির খবর। তবে শুধু নির্দেশ দেওয়া নয়, দাবি জানাচ্ছি, এ ধরনের চাঁদাবাজির খবর জানলে যেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ওবায়দুল কাদেরের আশঙ্কা যে মিথ্যা নয়, তা প্রমাণ হতে বেশি সময় লাগেনি। মুজিববর্ষের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে চট্টগ্রামে যুবলীগের তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিন জনই ইয়াবা আসক্ত। মুজিববর্ষের নামে টাকা তুলে তারা ইয়াবার পেছনে খরচ করতো!

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মুজিববর্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ দিয়েছেন। মুজিববর্ষ নিয়ে বাড়াবাড়িটা চোখ এড়ায়নি তার কন্যা শেখ হাসিনারও। তিনি বলেছেন, ‘মুজিববর্ষ নিয়ে কেউ অতি উৎসাহিত হবেন না। এত উৎসাহী থাকলে ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর লাশ সেখানে পড়ে থাকতো না। আমার মা এবং পরিবারের সদস্যদের রেড ক্রিসেন্টের শাড়ি দিয়ে দাফন করা লাগতো না। এখন আমি মারা গেলে কী হবে, তাও জানি। কাজেই কোনও বাড়াবাড়ি নয়। আব্বাকে আমার মা বলতেন, আপনি যখন জেলে যান, তখন সাজানো বাগান রেখে যান, কিন্তু জেলখানায় যাওয়ার পরই এ বাড়ি বিরানভূমি হয়ে যায়। কেউ আসে না, যদি আমাদের সহায়তা করতে হয়। আবার আপনি যখন আসেন, তখন বাগান ভর্তি হয়ে যায়। কাজেই আমার এবং রেহানার পরিষ্কার বার্তা—আমরা চাই না মুজিববর্ষ নিয়ে বাড়াবাড়ি কিছু হোক।’ বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা যদি বাড়াবাড়ি পছন্দ না করেন, তাহলে অন্যরা বেশি বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক সেজে গেলে তো মুশকিল।

এই মৌসুমি প্রেমিকরা বাড়াবাড়ি করে বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ মানুষের অন্তর থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চাইছেন।

করোনা আতঙ্কে মুজিববর্ষের মূল আয়োজন স্থগিত হয়ে যাওয়াকে তাই আমি সুযোগ হিসেবেই দেখছি। সরকার এবং আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুকে সত্যিকারের ভালোবাসার উপায় নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় পাবে। যেটুকু ভুল হয়েছে, তা শুধরাতে পারবে।

ধান্দাবাজ আর চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে পারবে। পেনশনভোগীরা ঘরে বসে পেনশন পাবেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগের মতো অন্য সব মন্ত্রণালয়ও জনগণের কাজে লাগে এমন উদ্যোগ নিতে পারে। পাসপোর্ট অফিস মুজিববর্ষে শপথ নিতে পারে, তাদের এখানে আর মানুষের হয়রানি হবে না। একইভাবে ভূমি অফিস, বিআরটিএ, থানা, হাসপাতাল, ওয়াসা, তিতাস—যেসব অফিসে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ; তারা যেন মুজিববর্ষে অঙ্গীকার করেন, সেবা নিতে এসে কেউ ভোগান্তিতে পড়বেন না। ছোট কোনও সংগঠন একশ’ গাছ লাগানোর শপথ নিতে পারে, কেউ একশ’ বই বিতরণের উদ্যোগ নিতে পারে। বিত্তবান রাজনীতিবিদরা নিজ নিজ এলাকায় একশ’ দরিদ্র শিক্ষার্থীর পড়ার খরচ দিতে পারেন, কেউ একশ’ গৃহহীনকে ঘর বানিয়ে দিতে পারেন। শেখ হাসিনা অঙ্গীকার করেছেন, মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এ উদ্যোগে তিনি দলীয় নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। এমন জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ নিতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা দেখানো হবে। কিন্তু এসব উদ্যোগ নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। সবাই ব্যস্ত দেখানদারি নিয়ে। বেশিরভাগ আয়োজনে ভালোবাসার চেয়ে বাণিজ্যের গন্ধ বেশি। কয়েক বছর আগে এক ১৫ আগস্টে ক্লাস নেওয়ার ‘অপরাধে’ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষককে হেনস্তা করেছিল ছাত্রলীগ। অথচ ছুটির দিনে ক্লাস নিয়ে তিনিই বঙ্গবন্ধুকে আসল সম্মান জানিয়েছিলেন। মুজিববর্ষে শপথ নিতে হবে দেশের জন্য আরও বেশি কাজ করার।

আমাদের বিত্তবানরা যদি শপথ নিতেন আমি আর দুর্নীতি করবো না, আমি ব্যাংকের টাকা নিয়ে মেরে দেবো না, ব্যাংকের টাকায় কানাডায় বাড়ি কিনবো না, দেশের অর্থ পাচার করবো না; তাহলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো হবে।

দেশভর্তি বঙ্গবন্ধু প্রেমিকে। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুকে ঠিকমতো জানেনই না। অথচ জানার এখন কত সুযোগ। বেশি কিছু করতে হবে না, বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের  রোজনামচা’, বা ‘আমার দেখা নয়াচীন’ পড়লেই বঙ্গবন্ধুকে আরও বেশি জানা যাবে। তবে শুধু পড়লেই হবে না, আত্মস্ত করতে হবে, চর্চা করতে হবে। আমরা অনেকেই বই কিনে ড্রইংরুমে সাজিয়ে রেখেছি, পড়িনি বা পড়লেও আত্মস্থ করিনি। বাইরের লোকদের কথা বাদ দিন। যদি আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে শিক্ষা নিতেন, তাহলে তাদের নামে এত বদনাম শোনা যেতো না।

আমরা নিজ নিজ জায়গায় সৎভাবে নিজের কাজটা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই; তাহলেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে; তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলার গড়ে উঠবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা লুটেরাদের নয়, দুর্নীতিবাজদের নয়, ঋণখেলাপিদের নয়, মাস্তানদের নয়, চাঁদাবাজদের নয়, নারী নির্যাতনকারীদের নয়।

হইচই না করেও বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসা যায়। বিনম্রচিত্তে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করা যায়। আড়ম্বরে নয়, কোলাহলে নয়, লোকসমাগমে নয়; বঙ্গবন্ধু থাকুক আমাদের অন্দরে, হৃদয়ে।

লেখক: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ