মানবাধিকারের প্রতিযোগিতা এবং করোনা

Send
অর্পিতা শামস মিজান
প্রকাশিত : ১৬:০২, মে ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:০৫, মে ১৬, ২০২০

অর্পিতা শামস মিজানলকডাউন উঠবে কী উঠবে না? বর্তমানে এটাই সবচেয়ে বড় বিতর্ক। লকডাউনের কারণে অর্থনীতির চাকা আটকে আছে, যার সবচেয়ে ভয়াল থাবা পড়বে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের ওপর, যাদের নেই কোনোরকম অর্থনৈতিক বা সামাজিক নিরাপত্তা। ধীর গতিতে এগিয়ে আসা সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ধসের পরিপ্রেক্ষিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে দুটি বিবেচনা- রাষ্ট্র কী অর্থনীতির মূল্যে মানবজীবন রক্ষা করবে, নাকি মানবমূল্যের বিনিময়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখবে। অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখলে, বলা যায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আজ রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রত।
দুঃখের বিষয় এই যে, এই দ্বন্দ্ব নতুন নয়। মানুষের অধিকারের প্রশ্নে বারবারই বিভিন্ন মানবাধিকারের প্রতিযোগিতা হয়ে এসেছে।
১৯৪৫ এ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মতামত দিলেন যে, হলকস্টে মানব মর্যাদার চরম অবমূল্যায়ন যেন পৃথিবীর ইতিহাসে আর না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। ফলশ্রুতিতে ১৯৪৮ এ বিশ্ব পেল মানবাধিকার নামের একটি শব্দ, এবং মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র নামক একটি প্রামাণ্য দলিল। বিশ্বের ইতিহাসে, সেই একবারই বোধহয় সকল রাষ্ট্র একটি দলিলে বিনা আপত্তিতে সমর্থন জানিয়েছিল। এই দলিলে বলা হয়েছিল, মানুষ হিসেবে আমরা কিছু বিশেষ অধিকার ধারণ করি, যা কোনও অবস্থাতেই আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যায় না। এই অধিকার আমরা জন্মসূত্রে পাই, এই অধিকার আমাদের কেউ দয়া করে দেয় না। এই অধিকার যেন নষ্ট না হয়, তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সেই প্রথম আর শেষবার বিশ্ব একসাথে মেনে নিয়েছিল যে বেঁচে থাকা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক নিরাপত্তা, কথা বলা, মত প্রকাশ করা ইত্যাদি সবই মানবাধিকার।

হ্যাঁ, সেই প্রথম আর সেই শেষ।

কারণ ১৯৪৮ এর পর আসে ১৯৬৬। স্নায়ুযুদ্ধের কবলে বিশ্ব তখন মার্কিন আর সোভিয়েত এই দুই শিবিরে বিভক্ত। এই রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিভাজনের রেশ এসে পড়ে জাতিসংঘে। ১৯৪৮’র ঘোষণাকে কার্যকরী করার জন্য মানবাধিকারের একটি সনদ বা চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা দরকার, কারণ ঘোষণাপত্র কখনও বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না। ১৯৬৬ সালে দ্বিধাবিভক্ত বিশ্ব তৈরি করল মানবাধিকারের দুইটি সনদ  মার্কিনিদের পছন্দের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের সনদ (ICCPR) এবং সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতের পছন্দের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারের সনদ (ICESCR)। সেই প্রথম মানবাধিকারকে দুই  শ্রেণিতে ভাগ করা হলো। মার্কিনিরা বলল, আমরা বাস্তববাদী। কর্মসংস্থান, চিকিৎসা, খাবার, এসব তো আর আকাশ থেকে পড়ে না, এর জন্য চাই পয়সা। বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো এই পয়সা পাবে কোথায়? বরং ভোট দিতে, আন্দোলন করতে, মিছিল করতে তো টাকা লাগে না, ও এমনই হয়। কাজেই এই অধিকার হলো নেতিবাচক অধিকার, মানে এ অধিকার নিশ্চিত করতে মানে, সরকারকে কোনও উদ্যোগ নিতে হয় না, বরং এমন কোনও কিছু করা থেকে বিরত থাকতে হয় যার ফলে এসকল অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে। উদাহরণ, জনগণের ভেতরে রাষ্ট্রে বৈষম্য সৃষ্টি করবে না, ধর্ম পালনে বাধা দেবে না, অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করবে না ইত্যাদি। তবে এর কিছু ব্যতিক্রম আছে, যেমন সংখ্যালঘুর অধিকার নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে, সোভিয়েতরা বলল, পেটে খাবার না থাকলে, মাথার ওপর ছাদ না থাকলে কে যাবে ভোট নিয়ে মাথা ঘামাতে? কাজেই  ICESCR বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য এসকল অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে বাড়তি পদক্ষেপ নিতে হবে, স্কুল স্থাপন করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, ভাতার জন্য তহবিল গঠন, আবাসন নির্মাণ, সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি ইত্যাদি। কাজেই এর ফলে সরকারের ইতিবাচক দায়িত্ব সৃষ্টি হয়। তাই এই অধিকারগুলোকে বলে ইতিবাচক অধিকার।

সরকারের কর্তব্যের পার্থক্য অনুযায়ী দুটি সনদের বাধ্যবাধকতার পার্থক্য আছে। ICCPR –এর অধিকার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে, আর ICESCR এ এর অধিকারগুলো রাষ্ট্র ‘ধীরে ধীরে’ (progressive realization) অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়নের ‘চেষ্টা’ করবে। এর পরবর্তী মানবাধিকারের যে যাত্রা, সেখানে অধিকারের আরও ভাগ করা হলো। বিখ্যাত অধ্যাপক কারেল ভাসাক বললেন, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার হলো প্রথম প্রজন্মের মানবাধিকার,  সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার দ্বিতীয় প্রজন্মের মানবাধিকার। বর্তমানে  তৃতীয় প্রজন্মের মানবাধিকারও আছে- যা দলগত, যেমন উন্নয়নের অধিকার, পরিবেশের অধিকার প্রভৃতি।

১৯৬৬ এর পর অনেক আইনিবিদ বারবার বলেছেন, এই বিভাজন ফাঁকিবাজি। উদাহরণস্বরূপ তারা দেখিয়েছেন, ভোট দিতে পয়সা লাগে, কারণ ভোটিং বুথ, ব্যালট পেপার ছাপা, পোলিং অফিসার নিয়োগ করা, ফলাফল প্রস্তুত করা এসব কাজে পয়সা লাগে। মিছিল করতে পয়সা লাগে। আবার ধনী নাগরিকদের করের মাধ্যমেও সার্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়। কাজেই রাজনৈতিক বা নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে খরচ কম, এটা একটা বানোয়াটি যুক্তি।

তবে তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। সকল দেশ নিজের মতো করে সংবিধানে মানবাধিকারের ভাগ করে ফেলেছিল। খুব কম রাষ্ট্রই স্বাস্থ্য, খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এসব বিষয়কে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়। ফলে, বেশিরভাগ রাষ্ট্রে অন্যান্য খাতে অর্থ বরাদ্দের পর এসব খাতে ব্যয় করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানেও মৌলিক অধিকারের তালিকায় আমরা কেবল প্রাথমিক শিক্ষা পাই। স্বাস্থ্য, বাসস্থান, খাদ্য এসব স্থান পেয়েছে মূলনীতিতে, অর্থাৎ এগুলো রাষ্ট্র আস্তে আস্তে দিতে চেষ্টা করবে তবে আমাদের এগুলো দাবি করার কোনও অধিকার নেই, এবং এগুলো না পেলে আমরা রাষ্ট্রকে দায়ী করে মামলা করতেও পারবো না।  

করোনার পরিপ্রেক্ষিতে এই দ্বন্দ্বের ক্ষতিকর ফলাফল আরও পরিষ্কার হচ্ছে। যেসকল রাষ্ট্র  তাদের সংবিধানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে, সেসব রাষ্ট্রে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বেশি ছিল, প্রতিটি স্তরে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিনির্মাণের দায় ছিল বলে মাথাপিছু শয্যাসংখ্যা তুলনামূলক ভালো ছিল। উদাহরণ- কিউবা, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমনকী নেপাল (২০১৫-র নতুন সংবিধানে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারকে মৌলিক অধিকারে অন্তর্ভুক্ত করে)। আর খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী ও ধনী রাষ্ট্র করোনা মোকাবিলায় হিমিশিম খায়, কারণ তাদের সংবিধানে স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার পায় না। রাষ্ট্রে এর দায় নেয় না, ফলে অধিকাংশ চিকিৎসাই স্বাস্থ্যবীমার ওপর নির্ভরশীল। ওবামা সরকার যখন ‘ওবামা-কেয়ারে’র নামে স্বাস্থ্যসেবা উন্মুক্ত করতে চেয়েছিল, তখন স্বাস্থ্য অধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পুঁজিবাদী কংগ্রেস তা আটকে দিয়েছিল।  করোনার সবচেয়ে আগ্রাসী শিকার ইতালিও যতটা যুদ্ধ করেছে বা যুক্তরাজ্য যতটা মোকাবিলা করতে পেরেছে, তার কারণ ইতালিতে স্বাস্থ্য সকল মানুষের অধিকার, এবং যুক্তরাজ্যে সরকারিভাবে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চল্লিশের দশকে NHS প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৩৭ এর সরকারি প্রতিবেদন থেকে যুক্তিরাজ্য অনুধাবন করে যে সরকারি-বেসরকারি সংমিশ্রণে স্বাস্থ্য খাত পরিচালনা হলে তাতে সার্বজনীন চিকিৎসা নিশ্চিত হয় না।

আজ বাংলাদেশে কত শত বেইল-আউট প্যাকেজ আর প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। অভূতপূর্ব পদক্ষেপ বলে এর বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে, বলা যেতে পারে আমরা  trial and error এর মাধ্যমে শিখছি। অথচ যদি সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের চিকিৎসা দেওয়ার দায় থাকত, ভাসমান মানুষের রাতে আশ্রয় দিতে হতো, সরকারি লঙ্গরে সম্বলহীন মানুষ খেতে পারত, ইমার্জেন্সি ভাতার নিয়মিত তহবিল থাকত- তাহলে আজ ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠু হতো। একথা খাটবে না যে বাংলাদেশের এত পয়সা নেই। অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে সম্পদ অবশ্যই জরুরি, তবে সীমিত সম্পদেও নিখুঁত নীতির মাধ্যমে এসব অধিকার নিশ্চিত করা যায়। এখানে আমরা উল্লেখ করতে পারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত ‘কিডনি কেস’ (সুব্রামানি বনাম কুয়াজুলুনাটাল প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ১৯৯৭)- যেখানে একজন নিয়মিত ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন রোগীকে হাসপাতাল ফিরিয়ে দিয়েছিল এই মর্মে যে তিনি আর নিরাময়যোগ্য নন। তিনি তখন সার্বজনীন স্বাস্থ্য অধিকার চেয়ে মামলা করেন, এবং সাংবিধানিক আদালত এই মর্মে তার আবেদন নামঞ্জুর করেন যে, সীমিত সম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হয়- যেহেতু তার মতো মৃতপ্রায় রোগী আরও অনেক আছেন, এবং তাদের চিকিৎসা করলে সুস্থ হওয়ার সভাবনা বেশি এমন অনেক রোগী চিকিৎসা পাবেন না, তাই তাকে সরকারি খরচে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া সম্ভব না। এই নীতি সরকার তাই করেছে কারণ ওই দেশে সরকার সবাইকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য। বাংলাদেশে এমন সাংবিধানিক দায় থাকলে আমাদের স্বাস্থ্যখাত আরও সুসমন্বিত হতো।   

স্বাস্থ্যের সাথে আসে শিক্ষার কথা। কেরালার কথা এখানে প্রাসঙ্গিক। কেরালায় শিক্ষার হার ১০০%। সেখানে বিজ্ঞানমনষ্ক শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে কেরালার মানুষকে যখন বলা হয় যে বারবার হাত ধোয়া উপকারী, তারা একে কেবল একটা সরকারি ঘোষণা হিসেবে না দেখে এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারে। ফলে, সহজেই নিয়মপালন নিশ্চিত করা যায়। বাংলাদেশে জনসাধারণ কার্যকরী শিক্ষা হতে বঞ্চিত, ফলে স্বাস্থ্যবিধি, বাসায় থাকা এসব কেন দরকার, সে সচেতনতা তৈরি করা দুরূহ তা আজ আমরা দেখছি।

এখানে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন, আমেরিকায় তো শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো। তাহলে সেখানে মানুষ লকডাউনের বিরুদ্ধে আন্দলন কেন করছে? করছে, কারণ পুঁজিবাদী আমেরিকা মতপ্রকাশ বা আন্দোলনের অধিকার যত গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে, স্বাস্থ্যের অধিকার বা দরিদ্র মানুষের অধিকার সেভাবে শেখায় না। ফলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক মানুষ এটা বুঝে যে সরকারের বিরুদ্ধে আমি আন্দোলন করার অধিকার রাখি, কিন্তু এটা মানতে নারাজ যে আজ স্বাস্থ্যসেবা অপ্রতুল, ফলে সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতে আমার বাসায় থাকা কত প্রয়োজন।

শুধু করোনা মোকাবিলা নয়, করোনা–উত্তর পৃথিবীর ক্ষতি মোকাবিলা করার জন্য এখন বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই নতুন করে অর্থনৈতিক নীতি ঢেলে সাজাচ্ছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম বলছে যে রাষ্ট্রকে তার সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে। যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে যে আগামী বাজেটে গবেষণা খাতে বিনিয়গ বাড়ানো হবে।  করোনা উত্তর পৃথিবীতে একটা বড় পরিবর্তন আসছে শিক্ষায়। ডিগ্রি বা কর্মসংস্থানমুখী প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার চাইতে মানুষকে বিশ্লেষণ ও চিন্তা করতে, সমস্যা  সমাধান করতে শেখায় এমন জীবনধর্মী শিক্ষার গুরুত্ব বাড়বে।

মানবাধিকার নিয়ে রাজনীতি চলে না। স্বাস্থ্যের অধিকার আমাদের ছিল না, আমাদের হাসপাতালের একসাথে বেশি রোগী ধারণের ক্ষমতা নেই, তাই সংক্রমণ কমাতে লকডাউন, যাতে আমাদের চলাফেরার অধিকার সীমিত। করোনা আমাদের মনে করিয়ে দিল, সকল মানবাধিকার একে অন্যের পরিপূরক। এই শিক্ষা যদি করোনা উত্তর বিশ্ব মনে রাখে, তাহলেই মানবাধিকারের যথার্থ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

লেখক: শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

/এসএএস/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ