চীনের মুসলিম গণহত্যার নেই প্রতিবাদ

Send
শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
প্রকাশিত : ১৭:৩৩, জুলাই ১৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৭, জুলাই ১৫, ২০২০

শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকচীনে উইঘুর মুসলমানদের ওপর রাষ্ট্র কর্তৃক বর্বর নির্যাতনের খবর নতুন নয়। কয়েক বছর ধরেই সেখানে বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের সংবাদ আল জাজিরা, দ্য ইকোনমিস্ট, গার্ডিয়ান, সিএনএন, বিবিসি-সহ আন্তর্জাতিক বিশ্বস্ত গণমাধ্যমসমূহ প্রকাশ করছে, প্রকাশ করছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। কিন্তু সম্প্রতি নির্যাতনের এক অভিনব সংস্করণ চীন সরকার সংযোজন করেছেন বলে যে খবর আসছে তা শুধু নির্মমতার চরম পর্যায়েরই নয়, বিশ্ব ইতিহাসে এর নজির নেই। নির্যাতনের নতুন তিনটি সংস্করণের একটি হলো, চীনের উইঘুর মুসলমান নারীদের গায়ের জোরে স্থায়ীভাবে বন্ধ্যত্ব করে দেওয়া, যাতে তারা কখনও সন্তান ধারণ করে তাদের জনসংখ্যা বাড়াতে না পারে। বন্ধ্যাকরণ প্রক্রিয়ায় শুধু ওষুধ এবং হরমনই ব্যবহার করা হচ্ছে না, শৌল পদ্ধতিরও ব্যবহার হচ্ছে, যারা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছেন তাদের গর্ভপাতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর এক নির্যাতন পদ্ধতির মাধ্যমে চীন সরকার উইঘুর মুসলিম নারীদের চুল কেটে ফেলে সেই চুল দিয়ে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে বিদেশে রফতানি করছে। সম্প্রতি মার্কিন সরকার চুলের তৈরি উপকরণের একটি চালান  বাজেয়াপ্ত করেছে, যেটি চীন থেকে রফতানি করা হয়েছে। নতুন করে সংযোজিত আর এক নির্যাতন পদ্ধতি হলো এমন মুসলিম নারীকে ধর্ষণ করার জন্য চৈনিক লোক পাঠানো, যে নারীর স্বামী নির্যাতন ক্যাম্পে অন্তরীণ রয়েছে। পূর্বে প্রকাশিত খবর বলছে অন্তত ১০ লক্ষ উইঘুর মুসলমানদের বন্দিশিবিরে অন্তরীণ রেখে বিভিন্নভাবে দৈহিক এবং মানসিক নির্যাতন ছাড়াও তাদের নিজ ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বহু মুসলিমকে প্রহসনের বিচারে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, বহু নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে, মুসলমানরা যাতে নামাজ পড়তে না পারে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে, বহু মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মুসলমানরা যাতে তারাবিহ নামাজ পড়তে না পারে সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে, হজে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পৃথিবীর বহু দেশে দাঙ্গা হাঙ্গামার মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মের এবং বর্ণের লোকদের নির্যাতন চলে। কিন্তু সরকার দ্বারা গণহত্যার ঘটনার নজির খুবই কম, যা চীন হচ্ছে। বিশেষ করে বন্ধ্যত্বকরণে বাধ্য করে এবং চুল কেটে সামগ্রী তৈরি করে রফতানির কোনও নজির কোথাও নেই। বলপূর্বক বন্ধ্যত্বকরণ আন্তর্জাতিক আইনে গণহত্যার সংজ্ঞায় পড়ে। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের উদ্যোগে যে গণহত্যা কনভেনশন প্রাণ পেয়েছিল তাতে গণহত্যার সংজ্ঞায় বলপূর্বক বন্ধ্যত্বকরণ করে। গণহত্যার সংজ্ঞায় আরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে গুরুতর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন। মহিলাদের চুল কেটে ফেলা নিশ্চিতভাবে গুরুতর মানসিক নির্যাতনভুক্ত। সুতরাং চীন সরকারের একাধিক পদ্ধতির নির্যাতন গণহত্যার সংজ্ঞায় পড়ে। কনভেনশনে বলা হয়েছে, এই কনভেনশনভুক্ত সকল দেশ নিজ দেশে অথবা কোনও আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গণহত্যাকারীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে এবং এই কনভেনশনের বিধানসমূহ নিজ দেশের আইনে সংযুক্ত করবে। যেহেতু ১৯৪৮ সালে অর্থাৎ চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পূর্বে চিয়াং কাইশেক সরকার এই কনভেনশনে সই করেছিলেন, তাই এই কনভেনশন বর্তমান চীনের ওপরও বাধ্যতামূলক। ১৯৯৮ সনের রোম স্টেচুট যার দ্বারা আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত গঠিত হয়; সেই চুক্তিতেও গণহত্যার বিধান করা হয়েছে গণহত্যার একই সংজ্ঞা প্রদান করে। কিন্তু চীন রোম চুক্তির অংশ নয় বিধায় আন্তর্জাতিক আদালতে তাকে নেওয়া যাচ্ছে না। কেননা রোম চুক্তির এই আদালত তবেই এখতিয়ার গ্রহণ করতে পারবে যদি অপরাধ চুক্তিভুক্ত দেশে সংঘটিত হয়।
মূলত ১৯৯০ সালের পরেই বহুমাতৃক মুসলিম নির্যাতন শুরু হয়। তবে ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকের পর নির্যাতনের তালিকা দীর্ঘ করা হয়। বহু উইঘুর মুসলমানকে তখনই অন্তরীণ করা হয়। ২০১৩ সালে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালালে বহু হতাহত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধাপে ধাপে নির্যাতনের প্রকৃতি এবং মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। ২০১৭ সালে চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কয়েকজন নির্যাতন পারদর্শীকে জিন জিয়াং অঞ্চলে মুসলিম দমনের জন্য পাঠান। এরপরেই নির্যাতন প্রক্রিয়ায় যোগ হয় বন্ধ্যাকরণ, চুল কাটা, ধর্ষণ, আরবি-তুর্কি হরফের ব্যবহার বন্ধ করা, মুসলিম সরকারি কর্মচারীদের রোজা রাখায় নিষেধাজ্ঞা, হজ বন্ধ করা, মসজিদ বন্ধ করা, ধর্মান্তরে এবং ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করা। বিশ্ব গণমাধ্যম, অ্যামনেস্টি, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন এসব খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করেছে।
নৃতাত্ত্বিক গোত্রভেদে তারা মূলত কয়েকশিয়ান বা আর্য, তবে মঙ্গল রক্তের মিশ্রণও রয়েছে। তারা তুর্কিদের এত কাছাকাছি যে অনেক নৃতত্ত্ববিদ মনে করেন, উইঘুর জাতি তুর্কি জাতিরই এক শাখা। তাদের উইঘুর ভাষার সঙ্গে তুর্কি ভাষার প্রচুর মিল থাকাতে অনেকে এটাকে তুর্কি ভাষা বলে থাকে। একসময় তাদের জিংজিংয়ের তুর্কি মুসলমান বলা হতো। এদের চেহারা এবং গড়নে আর্য লক্ষণ স্পষ্ট। এরা শ্বেতবর্ণ, উন্নত এবং নাসিকা তীক্ষ্ণ চেহারার অধিকারী। তবে মঙ্গল প্রভাবও পরিলক্ষিত হয়। আমরা মোগল বাদশাহদের ছবিতে (হাতে আঁকা) আর্য মঙ্গলের যে মিশ্রণ দেখতে পাই, অনেকটা তাই। গবেষকরা বলেন, এদের রক্তে রয়েছে ৬০% ইউরোপীয়, ৪০% সাইবেরিয়া ও পশ্চিম এশিয়ান মিশ্রণ। চতুর্থ শতকে এরা ত্রিয়াল উপত্যকা বাসিন্দা ছিলেন, যেটি ছিল তুর্কি কনফেডারেশনের অংশ। ৮৪০ সালে গৃহযুদ্ধ এবং দুর্ভিক্ষের কারণে তারা তুর্কিস্তান ত্যাগ করে মঙ্গোলিয়ায় আশ্রয় নেন। কিন্তু কয়েক বছর পরে ৮৪২ সালে তারা তারিন উপত্যকায় এবং তাকলা মাকন মরু অঞ্চলে বসতি গড়ে। এই অঞ্চল অতীতে চীন, তিব্বত ও মঙ্গল শাসনাধীন ছিল। পরে তারা জিং জিয়াং এলাকায় বসবাস শুরু করে। দশম শতকে এরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে শুরু করে। আদিতে তাদের নাম ছিল আলফিশারি। ১৯২১ সালের তাসখন্দ তুর্কি মুসলমানদের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা উইঘুর নাম ধারণ করে। তুরস্ক, উজবেকিস্তান, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কিমালুস্তান, ইউক্রেন, আফগানিস্তান, সৌদি আরব এমনকি পাকিস্তানে অনেক উইঘুর বসবাস করেন। তবে সর্বাধিক রয়েছে চীনে, যেখানে বাস করে এক কোটি ২১ লাখ উইঘুর। ১৯৯০ দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর উইঘুর মুসলমানরা জিং জিয়াংয়ের তাদের জন্য স্বাধীনতা দাবি করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন চীনা পুলিশ নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল উইঘুরদের ওপরে।
বহু দেশেই ধর্ম এবং বর্ণের ভিত্তিতে দাঙ্গায় বহু নিরীহ মানুষের রক্তপাত ঘটে। কিন্তু রাষ্ট্র দ্বারা গণহত্যার ঘটনার নজির বেশি নেই।  এর দুটি জলজ্যান্ত উদাহরণের একটি মিয়ানমার, অন্যটি চীন। রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না যদি চীন-রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদে বারবার তাদের পক্ষে ভোট না দিত। সারা পৃথিবীতে মূলত চীন-রাশিয়াই তাদের মিত্র আর চীন মিয়ানমারকে প্রকাশ্যেই সমর্থন করছে। কারণ, রাখাইন এলাকায় চীনের বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে। কয়েক বছর আগে শ্রীলংকার সরকার বহু তামিলকে হত্যা করেছে। রাষ্ট্র দ্বারা গণহত্যা ফিলিপাইনে হয়েছে। তবে চীন ১৯৫০ সালে তিব্বত দখল করে দশ লাখ বৌদ্ধ হত্যা করেছে।
হেনরিক হেরার নামক এক অস্ট্রেলিয়ান গবেষক তার লেখা ‘সেভেন ইয়ারস ইন তিবেট’ বইতে এই কথা লিখেছেন। অযথা রক্তপাত, তা যেখানেই হোক মানবতার ওপর চরম আঘাত। আর সেটা যদি রাষ্ট্র পরিচালিত গণহত্যা হয়, তার চেয়ে জঘন্য আর কি হতে পারে? কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এই যে, মুসলিম দেশগুলো চীন সরকার পরিচালিত গণহত্যায় অনেকটাই নিশ্চুপ। সম্প্রতি বিলেতের উদার নৈতিক গার্ডিয়ান পত্রিকা তাদের নিশ্চুপতার কথা এবং কারণ ব্যাখ্যার চেষ্টা করেছে। গার্ডিয়ান পত্রিকাসহ উইঘুর মুসলিম নির্যাতন এবং গণহত্যার ওপর যারা গবেষণারত তারা মনে করেন, চীন অনুদানের নামে গরিব দেশ এবং মুসলিম দেশগুলোকে অঢেল ঋণ দিয়ে তাদের ঋণজালে আটকে ফেলছে। চতুর চীন অনেকটা চানক্য সূত্র অবলম্বন করে গরিব দেশগুলোকে টাকার বস্তা দেখিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।  অনেক গরিব দেশ এই লোভ সামলাতে পারছে না। চীনের কূটকচালের কাছে তারা হেরে যাচ্ছে। টাকার লোভে তারা ঋণ পরিশোধের কথা চিন্তা না করে চীন যা দিচ্ছে তা-ই লুফে নিচ্ছে। দেশগুলোকে ফাঁসানোর জন্য চীন তা-ই চাচ্ছে। এই পন্থায় চীন শ্রীলংকাকে অঢেল ঋণ দিয়ে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, যাতে শ্রীলংকা ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের একটি বন্দর ৯৯ বছরের জন্য চীনের কাছে ইজারা দিতে বাধ্য হয়। চীন মালদ্বীপেও একইভাবে এগোচ্ছে। আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে চীন এই বলে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে যে সেখানে চীনের বিনিয়োগ রক্ষার জন্য এটি প্রয়োজন। এসব থেকে আরম্ভ করে ২০০ বছর আগে ঘুমন্ত চীনকে না জাগানোর জন্য যে সত্য বার্তা নেপোলিয়ান বোনাপার্ট করেছিলেন, আজ সেই নেপোলিয়ানের সতর্কতা বার্তাই সত্যি হচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো এতদিন নীরব ছিল, যদিও সেখানকার গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার কর্মীরা আগে থেকেই সোচ্চার। পশ্চিমা জগতেও এতদিন নিশ্চুপতার কারণ ছিল চীনের অর্থ এবং চীনের সঙ্গে বাণিজ্য স্বার্থ। ইদানীং অবশ্য তারা চীনের আগ্রাসী ভূমিকায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র উইঘুরে নির্যাতনকারী চীনা কর্মকর্তাদের ওপর বিধিনিষেধ জারি করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বর্তমানে গণহত্যা হচ্ছে না, তবু সে দেশের মানবাধিকার রেকর্ড নিন্দনীয়। বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন হলে আমাদের দেশে অনেকেই প্রতিবাদে রাস্তা নামেন। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, চীনে এত জঘন্য ধরনের রাষ্ট্রচালিত গণহত্যার সংবাদ পেয়েও, যার নজির বর্তমান বিশ্বে একমাত্র মিয়ানমার ছাড়া কোথাও নেই। আমাদের দেশে যাদের প্রতিবাদ করার কথা, তারা মুখ বন্ধ করে আছেন। চীন যে শুধু নিজেরাই মুসলিম নির্যাতনে ব্যস্ত তা নয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা হত্যা অনেক আগে বন্ধ হতো চীনের সমর্থন না পেলে। চীনে মুসলিম গণহত্যার খবর পেয়েও কেন মুখ বন্ধ করে আছেন, এক হুজুরকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, এরা তো চীনা মুসলমান, আমাদের মতো নয়। তার অবাক করা এ জবাব শুনে মনে হলো, এরা রাস্তায় স্লোগান দিয়ে মিছিলে নামেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, ধর্মীয় বা মানবতার দায়ে নয়। সেদিন গার্ডিয়ান পত্রিকায়ও একইভাবে বলা হয়েছে যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তখনই কথা বলে যখন সেটা তাদের স্বার্থে হয়। গার্ডিয়ান বলতে চেয়েছে যে চীনকে রাগালে ওইসব দেশের আর্থিক ক্ষতি হবে ভেবেই তারা চীনের বিরুদ্ধে কিছু বলছে না। তবে ইউরোপের দেশগুলো চীনের অভিসন্ধি টের পেয়ে এখন চীন তোষণের নীতি পরিহার করছে। একইসঙ্গে তারা উইঘুর মুসলিম গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে। পাকিস্তান অবশ্য বিশ্বে চীনের একমাত্র মিত্র দেশ বিধায় তারা চীনের বিরুদ্ধে কথা বলবে এটা তো চিন্তাও করা যায় না। তাই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চীনের মুসলিম নির্যাতন এবং গণহত্যার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে জবাব দেন এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। অবশ্য বিশ্বের জঘন্যতম গণহত্যাকারীদের অন্যতম, জেনারেল নিয়াজির ভাইপো ইমরান খান গণহত্যার বিরুদ্ধে কিছু বললে তা ভূতের মুখে রাম-নামের মতোই শোনাবে।

লেখক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

 

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ