ঝড়ে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার তিনটি গ্রামের শতাধিক বাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মুরগির খামার, ঘর ও গাছগাছালির। ঝড়ের পর থেকেই এলাকার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়ে আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলের এই ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার আতাহার, মোলামগাড়ি ও বাখড়া গ্রামের শতাধিক বাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঝড়ে মোলামগাড়ি বাজারের অদুরে রুবেল হোসেনের মুরগির খামার উপড়ে প্রায় ছয়হাজার মুরগি মারা গেছে। এছাড়া ঝড়ে মোলামগাড়ি ও বাখড়া গ্রামের শতাধিক বাড়ি-ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। ঝড়ের পর সড়কে গাছ থাকার কারণে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত জয়পুরহাট মোলামগাড়ি সড়কে যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
ঝড়ে আতাহার গ্রামের গৃহবধু রূপবান ও আঞ্জুয়ারা এবং মোলামগাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান আহত হলে তাদের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝড়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও বুধবার রাতেই কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাদল হালদার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের পর সাধ্যমত সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হবে বলেও জানান।
আরও পড়ুন: পরিবেশ বিপর্যয়ে অস্তিত্বের হুমকিতে ঝালকাঠির কাঠালিয়া
/এমও/







