ঝিনাইদহ সদর উপজেলার আড়ুয়াকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম মামুন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র ও শিবিরের সাথী সদস্য এবং শৈলকুপা উপজেলার পুটিমারী গ্রামের লুৎফর হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সাইফুল ইসলাম মামুন শৈলকুপা উপজেলার ভাটই অঞ্চলের শিবিরের সাধারণ সম্পাদক, ফুলহরি ইউনিয়নের সাবেক মাদ্রাসা বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক ও শিবিরের সাথী সদস্য ছিল।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানার টহল পুলিশের একটি দল হাটগোপালপুর থেকে ঝিনাইদহের দিকে যাচ্ছিল। পথে মধুপুরের আড়ুয়াকান্দি কবরস্থান এলাকায় পৌঁছালে দুবৃর্ত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করে। এতে ২ পুলিশ সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে ১০ মিনিট গোলাগুলির পর দুবৃর্ত্তরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়। সে সময় তারা এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে লাশসহ ঘটনাস্থল থেকে ১টি শাটার গান, ২ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি, ৫টি বোমাসহ ৩টি রামদা উদ্ধার করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সাইফুলের পরিবার দাবি করেছে, গত ১ জুলাই ঝিনাইদহ শহরের পবহাটী গ্রামের টুলু মিয়ার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের লোকজন তাকে তুলে নিয়ে যায়। ওই বাসায় তিনি ছাড়াও ৬/৭ জন ছাত্র ভাড়া থাকতেন। অনেক খুঁজেও সাইফুলকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে তারা মঙ্গলবার সকালে জানতে পারেন ঝিনাইদহের আড়ুয়াকান্দি গ্রামে বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল নিহত হয়েছেন।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : তিন দিনের রিমান্ডে আনসারুল্লাহর সদস্য








