আগামী সংসদ নির্বাচন বিগত নির্বাচনের চেয়ে আলাদা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি সবসময় একই রকম থাকে না। সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির ধরন পাল্টায়। আমি মনে করি, আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিলে বিগত নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হবে না।’
সোমবার (১৩ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের এক অনুষ্ঠানে স্মার্টকার্ড বিতরণ কাজের উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘আমরা এমন পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছি, যেখানে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা কাজ শুরু করেছি।
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। তবে তার জন্য আরও কিছুদিন সময় লাগবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে এলে আমরা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবো। দলগুলোর উচিত নিজেদের স্বাধীন মনে করা। তারা যদি আমাদের পরামর্শ দেয়, তবে আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।’
কেএম নুরুল হুদা বলেন, ‘আমরা কিছু নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছি এবং সামনে আরও কিছু নির্বাচন অনুষ্ঠান করবো। এখন আমরা নির্বাচনমুখী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছি। আমার বিশ্বাস, এসব কাজ আমাদের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।’
পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে জোর আশ্বাস দেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনমুখী পরিবেশ হলো যেখানে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে আসবেন মানুষ, নির্বিঘ্নে বাসায় ফিরবেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা, থাকবে না ভোট কারচুপির সুযোগ।’
আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (সিসিসি) নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনও পরিকল্পনা নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।’
/এমএ/








