গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহত গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল করিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মানিকগঞ্জে রবিউলের নিজ গ্রামে শনিবার (১ জুলাই) দিনব্যাপী শোকসভার আয়োজন করে তারই প্রতিষ্ঠিত ‘বিশেষায়িত’ স্কুল ব্লুমস। বিকালে জেলা পুলিশ লাইনের ফটকে নির্মিত রবিউলের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় মানিকগঞ্জ পুলিশ বিভাগ।
শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় কটিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোক মিছিল বের হয়ে রবিউলের সমাধিতে গিয়ে শেষ হয়। ফুলেল শ্রদ্ধা ও কবর জিয়ারত শেষে দুপুরে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয় ব্লুমস প্রাঙ্গণে। ব্লুমসের সভাপতি জে আর শওকতের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুজ্জামান, রবিউলের মা করিমুননেসা, স্ত্রী উম্মে সালমা, ভাই শামসুজ্জামান শামস, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিপ্লব হোসেন সেলিম, আটিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে আলম সরকারসহ ব্লুমসের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রবিউলের মা করিমুননেসা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, দেশের সেবা করতে গিয়ে আমার ছেলে শহীদ হয়েছে। রবিউল যেন শহীদের মর্যাদা পায় সেজন্য সবার কাছে দোয়া চান এ নিহত পুলিশ কর্মকর্তার মা।
রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমা বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত ‘ব্লুমস’ স্কুলটি আবাসিক স্কুলে রুপান্তর ও একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল রবিউল। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এসময় রবিউলের স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকার এবং সবসময় সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান।
/এএইচ/এনআই/








