রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান ভুঁইয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, পুঠিয়ার বড় কাজুপাড়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে নবীর উদ্দিন (২৮), জাকের উদ্দিনের ছেলে মিজান আলী (৩৫), আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে আজিজুল ইসলাম (৩৭), আবু সাঈদের ছেলে মিজানুর রহমান (২৫), আফসার আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩৩), ছোট কাজুপাড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে মোসলেম উদ্দিন (৪২) এবং গোপালপাড়া গ্রামের মৃত মহররম আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০)।
ভিকটিমের স্বামী জানান, বুধবার বিকালে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সন্ধ্যার দিকে ভ্যানে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত ৮টার দিকে বটতলা-কার্তিকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে তাদের ভ্যানের গতিরোধ করে জিউপাড়া ইউনিয়নের বিলমাড়িয়া গ্রামের কৃষক নবির উদ্দিন, মিজান আলীসহ ৭-৮ জন ব্যক্তি। এরপর তাদের ভ্যান থেকে নামিয়ে পাশের একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
ওসি সায়েদুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে মিজান ও নবীরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামী আট জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আটককৃতদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে। এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটায় নির্যাতিত গৃহবধূকে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসেস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।’
রাজশাহী আদালতের জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) মাহাবুব আলম বলেন, ‘মামলা রেকর্ড করতে আজ (বৃহস্পতিবার) চারটা বেজে যাওয়ায় আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়নি। তারা এখন থানায় রয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।’







