নাশকতার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জে জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মরিরুজ্জামান মনিরসহ দলটির পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে পাঁচ থানায় পৃথক ৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে শুক্র ও শনিবার রাতে পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলাগুলো করে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি ইসমাঈল হোসেন জানান, উপজেলার কাঞ্চন বালুর মাঠ এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশে গোপন বৈঠক করার সময় পুলিশ অভিযান চালালে তাদের লক্ষ্য করে বিএনপির নেতাকর্মীরা ৭-৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় পুলিশ ৩ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পরে আসামিরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এসআই সাব্বির বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনিরসহ ৭৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে আসামি করা হয়। শনিবার রাতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, শনিবার রাতে উপজেলার ত্রিবর্দী ও বারদী এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে থানার দুই এসআই বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। এ দুই মামলায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহরুল ইসলাম মান্নানসহ ২ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
বন্দর থানার ওসি একেএম শাহীন মণ্ডল জানান, উপজেলার নবীগঞ্জ এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে এসআই সালাউদ্দিন বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সাত্তার জানান, গত শুক্রবার এসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি সমর্থিত দুই কাউন্সিলরসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও দেড় শতাধিককে আসামি করে মামলা করেছেন।
সদর থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে মিশনপাড়া এলাকায় নাশকতার উদ্দেশে গোপন বৈঠক করার সময় পুলিশ অভিযান চালালে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণ করে বিএনপির নেতাকরমীরা। এ ঘটনায় পরিদর্শক (অপারেশন) জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীবসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফতুল্লা ও আড়াইহাজার থানায় কোনও মামলা হয়নি।








