কোরবানির পশুর চামড়া যাতে পাচার হতে না পারে, সে জন্য ফেনী সীমান্তে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর অংশ হিসেবে জেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ১৭ স্থানে প্রহরা বসানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর কোরবানির ঈদের পরপরই একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কোরবানির পশুর চামড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করেন। সেজন্য এ বছর পাচার ঠেকাতে বিজিবি এ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
শহরতলীর পাঁচগাছিয়া বাজারে শুধু কোরবানির ঈদে শত কোটি টাকার চামড়া বেচাকেনা হয়। এটি বৃহত্তর নোয়াখালীর সর্ববৃহৎ চামড়া বাজার হিসেবে পরিচিত। বছরজুড়ে চামড়া কেনাবেচা হয় এই বাজারে। ট্যানারির মালিকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন।
পাঁচগাছিয়া বাজারের চামড়া বিক্রেতারা জানান, খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ করা হয়। কোরবানির ঈদে ফেনী ছাড়াও আশপাশের নোয়াখালী, লক্ষীপুর, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থেকে চামড়া আসে এ বাজারে। অসাধু চামড়া ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় সীমান্ত দিয়ে ভারতে চামড়া পাচার করে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চামড়া পাচার করতে না পারলে তারা সিন্ডিকেট করে খুচরা ব্যবসায়ীদের ঠকিয়ে থাকে।
ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সহিদুর রহমান বলেন, ‘সদর উপজেলার ধর্মপুর, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজীর সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচার ঠেকাতে চার বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান (বিজিবি) সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার সীমান্তবর্তী ১শ’ ৩৩ কিলোমিটার এলাকায় বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে ও বিভিন্ন স্থানে স্পট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ১৭ স্পটের প্রতিটিতে মঙ্গলবার থেকে ছয় জন করে বিজির সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।







