যে কারণে বাংলাবান্ধা দিয়ে চার দেশীয় আমদানি-রফতানি বন্ধ

সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, পঞ্চগড়
১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:১৯আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:১৯

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ, আটকে আছে শত শত পণ্যবাহী যান এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম।  সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি,  বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এটিআই লিমিটেড,  স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, লোডিং-আনলোডিং লেবার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি-রফতানিকারকদের দ্বন্দ্বের কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসনের আহ্বানে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকেরও পরও সংকট নিরসনে কোনও সুরাহা হয়নি। এখনও চালু হয়নি এ বন্দরের আমদানি-রফতানি  কার্যক্রম।  ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। সীমান্তের উভয় পাশে আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিক-ব্যবসায়ীসহ স্থলবন্দরের সংশ্লিষ্টরা। তবে স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সুবিধা সচল আছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ইজারাদার নিয়োগের পর থেকে মাঝে মাঝেই অস্থির হয়ে উঠছে এই বন্দর।  বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্ব আর শ্রমিক অসন্তোষের জেরে কয়েক দিন পর পরই বন্ধ হয়ে যায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। এর জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়ী করছে ব্যবসায়ীদের। আর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা দায়ী করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং লেবার লোড-আনলোডিংয়ের ইজারা প্রতিষ্ঠান এটিআই লিমিটেডকে। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আটকে আছে শত শত পণ্যবাহী যান

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ভারত ও ভুটানের সঙ্গেও চালু হয় একই কার্যক্রম। এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। প্রতিদিন সরকারের রাজস্ব আয় হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ভারতসহ নেপাল ও ভুটানের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এখানে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টও চালু করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৪ মে ‘এটিআই লিমিটেট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্য লোড-আনলোডের জন্য লেবার হ্যান্ডেলিং-এর ইজারা দেওয়া হয়। মূলত এর পর থেকেই অস্থির হয়ে উঠেছে চতুর্দেশীয় বাণিজ্যের একমাত্র স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। এটিআই লিমিটেড, বন্দর পরিচালনা কোম্পানি ‘বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেড’ এবং আমদানি-রফতানিকারকদের সঙ্গে পণ্য লোড-আনলোডের দরদাম নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় বন্দরের লোড-আনলোডিং লেবারদের। সর্বশেষ একাধিক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে বকেয়া পোর্ট চার্জসহ রাজস্ব আদায় এবং লোড- আনলোডিং লেবারদের বকেয়া পাওনা আদায় নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বন্ধ হয়ে যায় স্থলবন্দরটি। একে-অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে হাতাহাতি, মারামারি, ভাঙচুর, মামলা-পাল্টা মামলাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম উত্তেজনা চলছে এখানে। 

লেবার হ্যান্ডলিং ইজারার চুক্তি অনুযায়ী, আমদানিকৃত পণ্য বন্দরে ওঠানামা (লোড-আনলোড) বাবদ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এটিআই লিমিটেডকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা  পণ্যের টন প্রতি ১০৪ টাকা করে পরিশোধ করবেন। এই অর্থের সঙ্গে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট যোগ করতে হবে।  কিন্তু ব্যবসায়ীরা ভ্যাট বাবদ টনপ্রতি অতিরিক্ত ১৫.৬০ টাকা পরিশোধ করেন। আর ১০৪ টাকার মধ্যেই এটিআই লিমিটেড শ্রমিক,বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেডকে বন্দর চার্জ প্রদান করবে। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আটকে আছে শত শত পণ্যবাহী যান

বন্দরে লেবার হ্যান্ডেলিং এর ইজারা চালু হওয়ার আগে ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ উদ্যোগে শ্রমিকদের দিয়ে পণ্য লোড-আনলোড করাতেন। সেসময় শ্রমিকরা ভারতীয় গাড়ি থেকে টনপ্রতি ৩১ টাকা ৫০ পয়সা, ভুটানি গাড়ি থেকে ৩৮ টাকা এবং নেপালি গাড়ি থেকে ৫৫ টাকা করে পণ্য লোড-আনলোড করতেন। তবে এটিআই লিমিটেড তা কমিয়ে সব দেশের জন্য আনলোড বাবদ টনপ্রতি ১৯ টাকা দর করে নির্ধারণ করে। এতে শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ তৈরি হয়। গত ৬ আগস্ট ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের কাছে বকেয়া টাকা চাইতে গেলে লেনদেন নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বন্দর কর্মকর্তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। শ্রমিকরা বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে ভাঙচুর করে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বন্দর কর্তৃপক্ষ শ্রমিক নেতাদের নামে আদালতে মামলা দায়ের করে।

এদিকে, আমদানি-রফতানিকারক ও ব্যবসায়ীরা জানান, লোড-আনলোডিং এর জন্য কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ১০৪ টাকা (ভ্যাট বাদে) পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না তারা। তাদের অভিযোগ,  লোড-আনলোড দুটোর বিল নেওয়া হলেও ইজারাদাররা ব্যবসায়ীদের পণ্য লোড করে দিচ্ছেন না।

অন্যদিকে, গত ১৪ মে এটিআই লিমিডেট লেবার হ্যান্ডেলিং এর ইজারা নেওয়ার পর থেকে গত ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আমদানিকারকের কাছে স্থলবন্দর লিমিটেডের বকেয়া পড়ে যায় ২ কোটি ৮৪ লাখ ৬৯৬ টাকা । এই অর্থের মধ্যে সরকারি রাজস্বও রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যবসায়ীদের কাছে তারা পণ্য লোড-আনলোড ও বন্দর চার্জসহ প্রায় দুই কোটি ৯০ লাখ টাকা পাবেন। সেই টাকা পরিশোধের কথা বললেই ব্যবসায়ীরা বন্দরে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছেন। এছাড়া, সম্প্রতি যেসব পণ্য আমদানি করা হচ্ছে, সেসব পণ্য খালাসের চার্জ চাইলে ব্যবসায়ীরা আগে সেবা দাবি করেন।

ব্যবসায়ী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের এমন দ্বন্দ্বের জেরে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাবান্ধায় আটকা পড়েন ভুটানি পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা। পণ্য আনলোড করে দেশে ফিরে যেতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েন তারা। এক পর্যায়ে ভুটানের ট্রাকচালকরা বিক্ষোভসহ বন্দরের অফিসকক্ষ ভাঙচুরও করেন। গত বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) ক্ষোভের মাথায় বন্দরের ভেতরে পাথর বোঝাই ট্রাক নিয়ে আটকে থাকা শতাধিক ভুটানি চালক নিজেরাই পাথর আনলোড করে (নামিয়ে দিয়ে) বন্দরের মূল ফটকের তালা ভেঙে বইরে মহাসড়কে গাড়ি নিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় বন্দরে দায়িত্বরত আনসাররা তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর থেকেই বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এদিকে, পণ্যবাহী ট্রাকগুলো আটকে রয়েছে স্থলবন্দরের ভেতরে ও মহাসড়কের ওপরে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করে জেলা প্রশাসন। তবে  জেলা প্রশাসক মোহম্মদ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে আমদানি-রফতানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা উপস্থিত হননি। ফলে কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই রাতে বৈঠকটি মুলতবি করা হয়। বন্দর অফিসে ভুটানি চালকদের  ভাঙচুর ও তাদের আটকে রাখার ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক প্রিয় সিন্দু তালুকদারের নেতৃত্বে তদন্ত দলকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বন্দর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের শ্রমিক শাহ আলম জানান, ‘স্থলবন্দর সুন্দরভাবেই চলছিল। কিন্তু এটিআই লিমিটেড লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এখন আমরা সবাই এই যন্ত্রণা ভোগ করছি। দুদিন পর পরই বন্দর বন্ধ হচ্ছে। এতে আমরা শ্রমিকরা খুব মুশকিলে পড়ে গেছি। আমরা আন্দোলন করে পাওনা ২৩ লাখ টাকার মধ্যে ১৪ লাখ পেয়েছি। আমাদের এখন অন্য কোনও আয়ের রাস্তা নেই। আট দিন থেকে বন্দর বন্ধ। কীভাবে চলবো?’ 

স্থলবন্দরের শ্রমিক এজারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে যে রেটে কাজ করতাম, হঠাৎ করে সেটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।  বকেয়া টাকা চাইতে গেলে ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমাদের নামে মামলা দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।’

বন্দরের ব্যবসায়ী আহসান হাবিব জানান, ‘বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে লোড-আনলোড বাবদ ১০৪ টাকা করে নিলেও  কোনও পণ্যই লোড করে দিচ্ছে না। লোড-আনলোডের টাকা আমরা যদি বন্দরকেও দেই, আবার যদি শ্রমিকদেরও  দিতে হয়— তাহলে আমরা ব্যবসায়ীরা যাবো কোথায়? আমরা  চরম সংকটে পড়ে গেছি।’ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর (ছবি: প্রতিনিধি)

বাংলাবান্ধা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, ‘সম্ভানাময় এই বন্দরটিকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার বিকল্প নেই। সরকারের হস্তক্ষেপে আলোচনার মাধ্যমে এই অচলাবস্থা নিরসন সম্ভব বলে আমি বলে করি। এতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সবারই কল্যাণ হবে।’

লেবার হ্যান্ডেলিং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটিআই লিমিটেডের অংশীদার মেহেদী হাসান খান বাবলা জানান, ‘লেবার হ্যান্ডেলিং এর চুক্তি  অনুযায়ী  এটিআই লিমিটেড কাজ করছে। জেলা প্রশাসনের আহ্বানে একাধিক বৈঠকে শ্রমিকদের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। সব কিছু পরিশোধের পর টনপ্রতি আমাদের ২/৩ টাকাও লাভ থাকে না। মূলত কয়েকজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং আমদানিকারকের কাছে বন্দরের বকেয়া পাওনা চাওয়ার কারণে তারা নানান কথা বলছেন। সরকারি রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে নিয়মনীতি মেনে আমদানি-রফতানি পরিচালনা করা গেলে এখানে কোনও সমস্যা থাকবে না।’

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মামুন সোবহান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিটিং হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে ট্যারিফের প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা পাবো। গত ১ সেপ্টেম্বর যে ১০৩টি ট্রাক ঢুকেছে সেখানে আমরা বকেয়ার কথা বলিনি। আমরা বলেছি,  এই ১০৩টি ট্রাকের ট্যারিফ পরিশোধ করলে পণ্য খালাস করা হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা আগে সেবা চান, পরে টাকা দেওয়ার কথা বলছেন। যার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আর শ্রমিকরা ১৪ লাখ টাকা পেয়েছে, তারা আরও ৯ লাখ টাকা দাবি করে। প্রতিটন পণ্য লোড-আনলোডে  ১৯ টাকা রেট ধরলে তারা তো আর কোনও টাকা পায় না। আমরা মূলত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সে কারণে আমরা অফিসে নেই। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। শুধু আমদানি-রফতানিই হচ্ছে না।’

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডাকা জরুরি বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা না এসে ঠিক করেননি। আগে লেবার হ্যান্ডেলিং ইজারা না থাকায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বন্দরের অফিস-ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে প্রয়োজনে তাদের নিয়ে আবারও বৈঠক করা হবে। আশা করা হচ্ছে— সব পক্ষকে নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে এবং নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শিগগিরই বন্দরটি সচল করা হবে।’

আরও পড়ুন- নিয়োগের শর্ত উপেক্ষা করেই চলেছেন বেরোবি উপাচার্য

 

/এফএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান