জাতীয় পার্টির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিল: জিএম কাদের

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
০৪ অক্টোবর ২০১৮, ২৩:৪১আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৮, ২৩:৫৩

বক্তব্য রাখছেন জিএম কাদের (ছবি- প্রতিনিধি)

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিল। তখন বেকার কম ছিল, জীবনের নিরাপত্তা ছিল। কিন্তু এখন আর তা নেই। বিদ্যালয়গুলোতে আগে নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হতো। ভালো মানুষ তৈরি করা হতো। কিন্তু এখন শুধু সার্টিফিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। হাসপাতালে ডাক্তাররা রোগীদের সঠিক সেবা করেন না। টাকা ছাড়া রোগীদের ভালো করার মন-মনসিকতাও ডাক্তারদের নেই।’

বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়াস্থ পাবলিক হলে আয়োজিত জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। এক দল চায়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকুক। আর অন্য দল চায়, সরকারের পরিবর্তন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতির উদ্দেশ হলো একটি দেশ ও জাতিকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া; সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করা। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ এখন ব্যবসা হিসেবে রাজনীতিকে ব্যবহার করে। আর এভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়। প্রকৃত রাজনীতিবিদদের সমাজের প্রতি আনুগত্য থাকে। প্রকৃত নেতা সব ঝুঁকি মোকাবিলা করে মানুষের পাশে থাকেন। নিজে সুযোগ-সুবিধা ভোগ না করে অবহেলিত মানুষের জন্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেন।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে। না হলে এ দলটির অস্তিত্বই থাকবে না।’

দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা নির্বাচনের সময় রাজনীতিতে বিনিয়োগ করতে আসে, তাদের বিষয়ে সর্তক থাকবেন। ভোট দেবেন তাকে, যাকে সবসময় কাছে পাবেন।’

পরে তিনি আগামী দুই বছরের জন্য জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী খান ও সাধারণ সম্পাদক মো. মান্নান খান আরজুকে কণ্ঠভোটে নির্বাচিত করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন– কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল দাস, নির্বাহী সদস্য ঝুটন দত্ত প্রমুখ।

 

/এমএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
পশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
কী, কেন, কীভাবেপশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না পানির বোতল
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম