নীলফামারীর গাছে গাছে নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন

নীলফামারী প্রতিনিধি
০৬ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৩০আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৩৭

নীলফামারীর গাছে গাছে নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নীলফামারীতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন এলাকার গাছ ও পিলার ছেয়ে গেছে প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার-ফেস্টুনে। এই জেলার বাকি তিন আসনে তেমন কোনও প্রচারণা দেখা না গেলেও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে রমারমা প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। 

এলাকাবাসী বলছেন, ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন আদায়ের জন্য প্রচার কাজ চালালেও তা এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট করার পাশাপশি শহরবাসীর বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার ডোমার ও ডিমলায় উপজেলার রাস্তা-ঘাট ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে, গাছপালায়, এমনকি বিদ্যুতের খুঁটিসহ সবস্থানেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টার ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে এসব প্রচার প্রচারণা। দলীয় মনোয়ন ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন পেতে চেনা-অচেনা মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অনেকেই নিজেদের কথা জানান দিয়ে যাচ্ছেন।

নীলফামারীর গাছে গাছে নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন

ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরণীগঞ্জ গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৫৫) বলেন, ‘এবারে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী দেখে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ড দিয়ে সাধারণ ভোটারের মন জয় করা যাবে না। বরং এগুলোর জন্য শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এলাকাবাসীর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব।’

এ ব্যাপারে জেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা মাহবুবর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। তাই যত্রতত্র এমনকি রাস্তার দুই ধারের শোভাবর্ধনকারী গাছগুলোতে মনোনয়ন প্রত্যাশী লোকজন এসে পেরেক মেরে ব্যানার লাগিয়ে দিচ্ছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এসব কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা।’

নীলফামারীর গাছে গাছে নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন

স্থানীয়রা বলছেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সরকারি আইন ও পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টার-ব্যানার ও বিলবোর্ড লাগানো উচিত। এতে আইনশৃঙ্গলা ও পরিবেশ দুটোই ঠিক থাকতো।

নীলফামারী পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, ‘শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ২০১৭ সালে অক্টোবর মাসে সব ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, কোচিং বিজ্ঞপ্তি, ডাক্তারি বিজ্ঞাপন ও রাজনৈতিক ব্যানার তুলে ফেলা হয়েছে। এখন নির্বাচনকে ঘিরে দু-একটি রাজনৈতিক ব্যানার-পোস্টার থাকলেও তফসিল ঘোষণার পরপরই জেলা নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় সেগুলো তুলে ফেলা হবে।’

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তফশিল ঘোষণার পরপরেই নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থীদের প্রচারণার ফেস্টুন-ব্যানার ও শুভেচ্ছা বার্তা অপসারনে প্রশাসনের সহায়তায় অভিযানে নামবে জেলা নির্বাচন কমিশন।’

 

/এএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতন: পুলিশের তদন্ত কমিটি
থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতন: পুলিশের তদন্ত কমিটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম