প্রধানমন্ত্রীর উদারতায় ঐক্যফ্রন্ট সংলাপ করার সুযোগ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমনত্রী শেখ হাসিনার উদারতার কারণেই আজ ঐক্যফ্রন্ট তার সঙ্গে সংলাপ করার সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আবারও তারা সংলাপে বসার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়েই হবে। সংলাপের নামে নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।’
সোমবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে গোয়ালখালী বাজারে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে উন্নয়নের উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্ববাসী আজ বাংলাদেশকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখে। বাংলাশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন অনেক শক্তিশালী। বাজেট পাশ করার জন্য এখন আর বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিতে হয় না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ সবক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। সারের জন্য দেশে আর আন্দোলন হয় না। সার ও বীজ এখন সহজলভ্য। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই প্রথমে এদেশে একসাথে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন। বছরের প্রথম দিনেই ছাত্র-ছাত্রীরা এখন নতুন বই পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদ্রাসার দাওরা হাদিসকে এমএ পাশের সমমানের মর্যাদা দিয়েছেন।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২ আসনের নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটির আহবায়ক শফিউল আজম খান বারকু, সদস্য সচিব ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম, যুগ্ম আহবায়ক সাহাব উদ্দিন সাহা, আইকে শাহীন, আ. লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসভাপতি আলতাফ হোসেন বিপ্লব, হযরতপুর ইউনিয়ন আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, সমন্বয় কমিটির সদস্য ব্যবসায়ী হাজী আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট এনামুল হক, ইঞ্জিনিয়ার হান্নান, শাহাদাৎ শেখ ও জসীম উদ্দিন প্রমুখ।








