ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে মুদি মাল, খৈল-ভুষি, সেলুন ও মোবাইল ফোন মেরামতের দোকান রয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা সাকেরিন হায়দার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানি ও বাজার পরিচালনার কমিটির নেতারা জানান, রাত তিনটার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে প্রথমে একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পরে। এতে ১০টি দোকান পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী হানিফ মিয়া ও কমল মিয়া জানান, রাতে বাজারের নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে খবর পেয়ে বাড়ি থেকে বাজারে আসি। এসে দেখি আমাদের দোকানগুলো পুড়ে যাচ্ছে। তখন সাবাই চিৎকার করতে থাকে। পরে বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আমাদের বাজারের ১০টি দোকান পুড়ে যায়।
বাজার পরিচালনা কমিটির ব্যবসায়ীরা জানান, পুড়ে যাওয়া ১০টি দোকানে দেড়কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল ঘুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের প্রধান সহকারী নূর মুহাম্মদ সেলিম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগীতার আশ্বাস দেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা সাকেরিন হায়দার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তদন্ত করে আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যাবে।








