ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
গ্রামবাসী জানায়, শৈলকুপার উমেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাব্দার হোসেন মোল্লা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বাবুলের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বাবুলের সর্মথকরা সাব্দার মোল্লার সমর্থক আমজেদ মোল্লাকে কুপিয়ে আহত করে। এরই জের ধরে সকাল থেকে দফায় দফায় সাব্দার মোল্লার সমর্থকরা ইব্রাহিমপুর গ্রামের বাবুলের সমর্থক বজলু মোল্লা, নলু মোল্লা, রাজু, বদর উদ্দিন, নিজাম উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জনের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে সেখানে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে গ্রামের একপাশে পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও অন্যপাশে চলে ভাঙচুর ও লুটপাট চলেছে বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীর। স্থানীয় মাতব্বর আবু বক্কার ওরফে বাক্কার নেতৃত্বে চলে এসব ঘটানো হয় বলেও জানিয়েছেন তারা।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, শৈলকুপা থানার ওসি কাজী আয়ুবুর রহমান ঘটনার কোনও গুরুত্ব দেননি।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ১০টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
তবে ওসি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি।’
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, ঘটনা জানার পর সেখানে সহকারী পুলিশ সুপার (শৈলকুপা সার্কেল) তারেক আল মেহেদিকে পাঠানো হয়েছে। গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।







