বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ কমেছে ৩ হাজার ৫২৫টি। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৮ হাজার ৪৩১ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৯০৬ জন। এর মধ্যে ৩ হাজার ১০৫ জন মেয়ে এবং ১ হাজার ৮০১ জন ছেলে।
এবছর বরিশাল শিক্ষাবোর্ড থেকে ৬ জেলায় ১ লাখ ১১ হাজার ৮৫৭ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৬৯ জন। এদের মধ্যে ৫৯ হাজার ৯০৩ জন মেয়ে এবং ৫১ হাজার ৫৬৬ জন ছেলে। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫ ভাগ। চতুর্থ বিষয় না থাকায় জিপিএ-৫ কমেছে বলে ধারণা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষের।
গত বছরের মতো এ বছরও বরিশাল বোর্ডের অধীন বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে জেএসসি পরীক্ষায় ভোলা জেলা সবচেয়ে এগিয়ে। ভোলায় ২৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০ হাজার ১৫৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৯ হাজার ৮৮৩ জন। পাসের হার ৯৮.৬৬ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৭০জন। বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী বরগুনার ১৮৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ হাজার ৩১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১২ হাজার ২৯জন। পাসের হার ৯৭.৬৯ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৭১ জন। তৃতীয় স্থানে থাকা পটুয়াখালীর ৩০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯ হাজার ৬১৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৯ হাজার ৭১ জন। পাসের হার ৯৭.২২। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৬ জন।
বরিশালের ৪৬২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭ হাজার ৬৮২জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩৬ হাজার ৫৬৪ জন। পাসের হার ৯৭.৩ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৪ জন। পিরোজপুরের ২৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ হাজার ৫০৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৩ হাজার ৯৫৯ জন। পাসের হার ৯৬.২৪। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮২ জন। ঝালকাঠীর ১৯৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ হাজার ৫৮৭জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৯ হাজার ৯৬৩ জন। পাশের হার ৯৪.১১। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬৩ জন।
এদিকে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন। একজন ক্যাডেট পেয়েছে ৪.৭৯। বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম জানান, ‘এ বছর চতুর্থ বিষয় না থাকায় জিপিএ-৫ কমেছে।’
উল্লেখ্য গত বছর বরিশাল বোর্ডে জেএসসিতে পাসের হার ছিল ৯৭.৩৮ ভাগ। ২০১৬ সালে জেএসসিতে জিপিএ-৫ ছিল ১৫ হাজার ৫৭০ জন এবং পাসের হার ছিল ৯৭.৩৮ ভাগ।







