রূপগঞ্জের ভুলতার তেলাব এলাকায় ছিতাইয়ের অভিযোগ তদন্তে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন ভুলতা ফাঁড়ির এসআই নাদিরুজ্জামান। স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করে তার পিস্তলও ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
তবে রূপগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হক অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘একটি মোবাইলফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে গেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে এসআইয়ের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় এসআই নাদিরুজ্জামানের অস্ত্রটি পাশের ডোবায় পড়ে খোয়া যায়। রাত ১১টায় অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ওই ডোবা থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে।’
তিনি আরও জানান, পুলিশকে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের গ্রেফতার পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
তবে স্থানীয়রা জানান, ভুলতা ফাঁড়ির এসআই নাদিরুজ্জামান ৮টার দিকে একটি অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে যান। এ সময় স্থানীয় ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হাংজালা ও তার সহযোগীদের সঙ্গে এসআইয়ের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এসআই নাদিরুজ্জামানকে পিটিয়ে তার সঙ্গে থাকা পিস্তলটি ছিনিয়ে নেয় এবং ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অস্ত্রটি তেলাবর একটির ডোবায় ফেলে দেয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসআইকে মারধরের বিষয়ে তদন্ত চলছে। অস্ত্রটি ধস্তাধস্তির সময় খোয়া গিয়েছিল নাকি এসআইকে মারধর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।







