অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে ৪ ঘণ্টার পর উদ্ধার হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার দা সূর্যসেন হলের প্রভোস্টসহ আবাসিক শিক্ষকেরা। আবাসিক হলের সুযোগসুবিধা বৃদ্ধির দাবিতে বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত হলের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
হলের বেশ কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী জানান, দীর্ঘদিন ধরে হলে খাবার পানির সংকট চলছে। ডাইনিংয়ে তাদের নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া, পয়োনিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনা রয়েছে। গত ৫-৬ মাস ধরে এসব সমস্যার কথা উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিলেও সমাধান মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের আন্দোলনে নামতে হয়েছে।
সংকটের কথা স্বীকার করে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. খালেদ মিসবাহুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২৫ বছর আগে হলটা তৈরি করা হয়েছে। এখন অনেক সরঞ্জাম এবং আসবাবপত্র পুরনো হয়ে গেছে। হল মেরামতের জন্য বছর তিনেক আগে ১৮ লাখ টাকার কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার এক তৃতীয়াংশ কাজ করে চলে যায়। দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়েও কোন ঠিকাদারের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ফলে হলের সংকটের সমাধান হয়নি। তবে হলের বরাদ্দ থেকে যত দূর সম্ভব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি।’
ডাইনিংয়ে খাবারের নিম্নমান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই হলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কোনও বাবুর্চি ছিল না। স্থায়ী কোনও বাবুর্চি না থাকায় খাবারের মান ধরে রাখা সম্ভব হয় না।’
বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সব দাবি একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব না। বেশ কিছু দাবি পূরণ করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। আমি উপাচার্য মহোদয়কে অবিহিত করেছি। তিনি সংকট নিরসনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’








