ঈদ সামনে রেখে দর্জিদের চোখে ঘুম নেই

বাগেরহাট প্রতিনিধি
০২ জুন ২০১৯, ১৪:০০আপডেট : ০২ জুন ২০১৯, ১৪:০৩

দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি কারিগররা

ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই বাগেরহাটে দর্জিদের চোখে এখন ঘুম নেই। তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন— কীভাবে যথা সময়ে গ্রাহকদের হাতে সেলাই করা নতুন পোশাকটি তুলে দেওয়া যায়। এবার ঈদে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কাটা কাপড়ের চাহিদাও কম নয়। নাম করা টেইলারিং হাউজগুলোর পাশাপাশি ছোট ছোট দর্জি দোকানের কারিগরদের ব্যস্ততাও বেড়ে গেছে।

দর্জি দোকানের মালিকরা বলছেন, বিগত বছরগুলোর মতো রমজানের আগে ও রমজানের প্রথম দিকে বেশি অর্ডার না হলেও এবার শেষ মুহূর্তে অনেক বেশি কাজ এসেছে। এজন্য  রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তারা।  তবে পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ ও দর্জি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহক এবং টেইলার্স মালিকরা।  নামিদামি টেইলার্সে ১০/১২ রমজানের মধ্যেই অর্ডার নেওয়া শেষ হয়ে যায়।  তবে ছোট টেইলার্সে ২০ রমজানের পরও  অর্ডার নেওয়া হয়।

শুক্রবার সকালে বাগেরহাট শহরের হাড়ীখালী এলাকার হীরা বেগম ও নাগের বাজার এলাকার মিনা বেগমসহ অনেকেই এসেছিলেন তাদের অর্ডার দেওয়া ঈদের পোশাক তুলতে। তারা জানান, নতুন পোশাকের সঙ্গে রঙ মিলিয়ে অন্যন্য সামগ্রী কেনাকাটা করবেন। 

শহরের আপন টেইলার্সের মালিক কাম কাটিং মাস্টার মনিরুল ইসলাম জানান, তার কারখানায় সাতজন কারিগর দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের চোখে ঘুম নেই বললেই চলে। তারপরও সময় মতো ডেলিভারি দিতে হিমশিম হচ্ছে।

জয় মা টেইলার্সের বাসুদেব জানান, গত বছরের তুলনায় এবার কাজ কিছুটা কম। তবে শেষ মুহূর্তে এসে অর্ডার হয়েছে বেশি। অন্য বছরের তুলনায় টেইলার্সে ব্যবহৃত সামগ্রীর দাম ও  শ্রমিকের মুজরি অনেক বেড়ে গেছে। ফলে চাপটা পড়ছে গ্রাহকদের ওপর। 

ঈদের কারণে টেইলারিং হাউজগুলোর প্রয়োজনীয় সামগ্রী  চুমকি, পুঁতি, লেইজ- ফিতা, সুতা, বোতামের  দোকানগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তাসপিয়া লেইজ হাউজের মালিক সোহাগ হাওলাদার জানান, ঈদ উপলক্ষে অনেক জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের কোনোভাবেই বিষয়টি বোঝানো যাচ্ছে না।

ঈদ এলেই বেড়ে যায় পায়জামা-পাঞ্জাবি, জোব্বা, বোরকার কারিগরদের কদর। এই কারিগররা ভাষ্য, মানুষ সারাবছর পোশাক তৈরি করে না। সাধারণত ঈদ ও পূজায় ধনী-গরিব সবাই নতুন পোশাক বানায়। ফলে এই সময়টাতে কাজের চাপ বেড়ে যায়। এই মৌসুমের আয় দিয়েই তাদের সারাবছর চলতে হয়। এ কারণে  শরীরের দিকে না তাকিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা। 

 

 

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ঈদুল আজহা: ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১
ঈদুল আজহা: ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১
এবছরই সব স্কুলে ফিডিং চালুর পরিকল্পনা, পাঠ্যক্রমে খেলাধুলা: শিক্ষামন্ত্রী
এবছরই সব স্কুলে ফিডিং চালুর পরিকল্পনা, পাঠ্যক্রমে খেলাধুলা: শিক্ষামন্ত্রী
দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৬২ জন আহত
দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৬২ জন আহত
বাংলাদেশ সফরের ব্যাখ্যা দিলো আইসিসি
বাংলাদেশ সফরের ব্যাখ্যা দিলো আইসিসি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান