আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪৫৯টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঠাকুরগাঁয়ের মৃৎশিল্পীরা। সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে তাদের কর্মব্যস্ততা। আগামী ৩ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজা। মণ্ডপে মণ্ডপে বেজে উঠবে ঢাক-ঢোল আর কাঁসার শব্দ। পাঁচ দিনের উৎসবের পর ৮ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে ঘটবে এর সমাপ্তি।
সদর উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, কাদামাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় গড়ে তোলা হচ্ছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। জেলার সবচেয়ে বড় পূজা মন্দির ফাড়াবাড়ি গিয়ে দেখা যায়, মাটির কাঠামো নির্মাণের মূল কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এখন বাকি রঙতুলির কাজ।
মৃৎশিল্পীরা জানান, গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার জন্য প্রতিমা শুকাতে পারছেন না তারা। আবহাওয়ার উন্নতি না হলে অনেক সমস্যা হবে। রাণীশংকৈলের প্রতিমাশিল্পী সুবাস হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও এগিয়ে চলেছে প্রতিমা তৈরির কাজ।’
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার বলেন, ‘উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সব মণ্ডপে সহযোগিতা করা হবে।’
পুলিশ সুপার মোহা. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ জেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উদাহরণ। সব সম্প্রদায়ের মানুষই এখানে ঈদ বা দুর্গাপূজার উৎসবে অংশ নেন। এই সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি যাতে কেউ নষ্ট না করতে পারে, দুর্গাপূজা যাতে নিরাপদ ও আনন্দময় হয় সেজন্য সব মণ্ডপে পুলিশের পাহারা থাকবে। উৎসবস্থল ও আশপাশের এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।’








