আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায় এড়িয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা ও হুমকি-ধামকি, প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্তৃক নির্বাচনকে প্রভাবিত করাসহ কোনও ঘটনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে না কমিশন। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে। এতে করে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা বেড়ে যাবে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কমিশনের দুর্বল অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলেও মনে করেন কেউ কেউ।
জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন রবিবার বিকালে দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের প্রতিনিধিদের হয়রানি, পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রভাব বিস্তারসহ নানা বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে কমিশন থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘণসহ অন্যান্য বিষয়ে কমিশন নিজে থেকে ব্যবস্থা না নিয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এর আগে আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ এমপির বিরুদ্ধে শোকজ করে ব্যাপক আলোচনায় আসে কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বিভিন্ন মহলে প্রশংসা পায়। কিন্তু পরবর্তীদের দুজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে কমিশন তাদের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা না নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিষয়টি ‘তদন্ত করে ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
রবিবারের বৈঠকের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নেবেন। তারা ব্যবস্থা নিয়ে সেটা আমাদের জানাবে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে এমন যদি হয় কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন আছে তাহলে কমিশন অবশ্যই সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।
/ইএইচএস/এএইচ/








