বঙ্গোপসাগর থেকে ধেয়ে আসা সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাবে নোয়াখালী জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নোয়াখালীতে থেমে থেমে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইছে। নদী উত্তাল রয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিংয়ের পাশাপাশি এলাকায় বিপদ সংকেত ‘সাইরেন’ বাজানো হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) প্রতিটি কেন্দ্রে ২টি পতাকার স্থলে ৩টি পতাকা টানিয়ে বিপদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে জনগণকে।
বুধবার (২০ মে) পুরে জেলার হাতিয়া উপজেলার নলচিরা, তমরদ্দি, সুখচর, চরঈশ্বর ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি ঢুকে বেশ কিছু এলাকার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. রাশেদ উদ্দিন জানান, বেড়ির বাইরে এবং ভেতরের প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়। তবে লোকজনকে আগেই সরিয়ে নেওয়ার কারণে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন- নলচিরা, তমরদ্দি, সুখচর, চরঈশ্বর ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ ছিড়ে যাওয়ায় কিছু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জানান, উপকূলীয় উপজেলা সদর, হাতিয়া, সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাটের ৪৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র, ৬৭০০ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৩৩০ জন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মী ও শুকনা খাবার প্রস্তত রাখা হয়েছে।








