গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হানিফ (৩০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মামলা রয়েছে। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে কালিয়াকৈর উপজেলার হাবিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুফতি মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত হানিফ মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সাহেব রামপুর গ্রামের কাঞ্চন সিকদারের ছেলে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুর রহমান, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সুলতান মিয়া, কনস্টেবল আব্দুল মালেক ও সুমন মিয়া। তাদের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুফতি মাহমুদ জানান, গোপন খবর পাওয়া যায় কালিয়াকৈর উপজেলার হাবিবপুর এলাকায় (ঝিকঝাক মাঠে) ১০ মামলার আসামি সন্ত্রাসী হানিফ ও তার সহযোগীরা অবস্থান করছে। এ খবরের ভিত্তিতে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হানিফ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে সন্ত্রাসী হানিফ গুলিবিদ্ধ হয় এবং তার সহযোগীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। আহত হানিফকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় পুলিশের চার সদস্য আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, দেশীয় তৈরি এলজি বন্ধুক ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে।
এসআই মুফতি মাহমুদ আরও জানান, ‘নিহত হানিফ এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায়, মাদক, অস্ত্র, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মামলা রয়েছে। হানিফ কালিয়াকৈর উপজেলার হাবিবপুর এলাকার ঘেঘা মজিবর রহমানের মেয়েকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে সে তার শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে থেকে সে মাদক ব্যবসা, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম করে বেড়াতো।’






