স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৫০ হাজার টাকায় আপসরফার চেষ্টা চালাচ্ছিল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। তবে এ খবর পুলিশ জেনে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষকসহ ওই ইউপি সদস্যকেই আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের টেপড়ী গ্রামে।
শিবালয় থানা ওসি ফিরোজ কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, টেপড়ী গ্রামের জব্বার (৫০) নামের এক ব্যক্তি একই গ্রামের চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া এক শিশুকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয়রা ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ও মামলা না করার নির্দেশ দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ারের নেতৃত্বে রাত ১০টার দিকে এক শালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে ধর্ষককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কিন্তু, মীমাংসার কথা মুখে বলে ভিকটিমের মায়ের কাছ থেকে সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালায় ওই মেম্বার। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে এলাকাবাসী। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইউপি সদস্যসহ ধর্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শিবালয় থানা ওসি ফিরোজ কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটির মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষক ও শালিশি বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়া ইউপি সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।








