বগুড়ার কাহালু উপজেলায় আরমান হোসেন আন্না (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের ডোমার গ্রামের খান পুকুর পাড়ের পাশে কবরস্থানের মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা কাহালু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ নিহতের বন্ধুসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
গ্রেফতার দু’জন হলেন—কাহালুর ডোমর গ্রামের নওশের আলী খানের ছেলে ও খান পুকুরের ইজারাদার ওবাইদুল খান (৩২) এবং জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার
মোহনাপাড়ার আবদুর রহমানের ছেলে পুকুরের পাহারাদার ও আন্নার বন্ধু মো. সুজন (২২)। পুলিশ সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, আরমান হোসেন আন্না কাহালুর ডোমরগ্রামের আজিজার রহমানের একমাত্র ছেলে। তিনি গাইবান্ধা সরকারি কৃষি ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত কয়েক মাস ধরে বাড়িতে ছিলেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর আন্নাকে তার দুই বন্ধুর সঙ্গে ডোমরগ্রাম বড় মসজিদের পাশে একটি দোকানে চা পান করতে দেখা যায়। পরে আন্না তার বন্ধুদের জানান, তিনি খান পুকুরে সুজনের কাছে যাচ্ছেন। এরপর আন্না আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা সারারাত খোঁজ করে বিফল হন। সোমবার সকালে ওই পুকুরের পাড়ে কবরস্থানে নতুন মাটি খোঁড়া দেখলে তাদের সন্দেহ হয়। পরে মাটি সরিয়ে আন্নার লাশ পাওয়া যায়।
ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্র আন্নাকে গলায় রশির ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবা আজিজার রহমান থানায় পুকুরের ইজারাদার ওবাইদুল খান ও পাহারাদার সুজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। গ্রেফতার দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।







