সম্প্রতি সরকারিভাবে খুরড়া বাজারে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে আলুর দাম নির্ধারণ করা হলেও এর প্রভাব পড়েনি দিনাজপুরের হিলি বাজারে। এখনও আগের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। একইসঙ্গে সবধরনের শীতকালীন সবজির দামও বেড়েছে।
সরেজমিন হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে- বর্তমানে গুটি আলু ৪৫ ও কার্ডিনাল আলু ৪০, বেগুন ৮০, পোটল ৬০, শশা ৫০, শিম ১২০, ফুলকপি ১০০, পাতাকপি ৮০, কচুরবই ৩০, ভেণ্ডি ৮০, করলা ৮০, পেঁয়াজ ৮০, কাঁচামরিচ দুইশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারে সবজি কিনতে আসা আব্দুল আজিজ ও রহিমা বিবি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'বাজারে মনে হয় আগুন লেগেছে, আমরা গরিব মানুষ কামাই রোজাগার নেই। এত যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়ে, তাহলে কী খায়ে বাঁচবো আমরা। কয়েকদিন আগে যে আলু কিনলাম ৩০ টাকা কেজি এখন সেই আলুও ৪৫ টাকা।'
হিলি বাজারের সবজি বিক্রেতা আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সবধরনের সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, যার কারণে বাজারে সরবরাহ কমায় সবধরনের সবজির দাম বাড়তি রয়েছে। আমরাও বাড়তি দামে কিনছি, যার কারণে বাড়তি দামে বিক্রি করছি।'
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফিউল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'আলুসহ সব দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রুখতে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কিছুদিন আগে পেঁয়াজ নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছিল। গতকাল আলুর মূল্যের বিষয়ে একটি নির্দেশনা এসেছে। এবিষয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছি। কেউ যদি সেই নির্দেশনা অমান্য করে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'








