কক্সবাজারের জনপ্রিয় তরুণ সংগীত শিল্পী জনি দে ও দিনমজুর মো. কালুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়েছে। ঈদগড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিসে স্থানীয়দের বৈঠক শেষে শান্তিপূর্ণভাবে এই হরতাল পালন করা হয়। একইসঙ্গে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছেন স্থানীয়রা।
এর আগে, তরুণ সংগীত শিল্পী জনি দে ও দিনমজুর মো. কালুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন ঈদগড়বাসী। হত্যার ঘটনা এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও প্রশাসন জনি ও মো. কালুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পারেনি।
হরতালের ডাক দেওয়ায় সকাল থেকে ঈদগড় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঈদগড় বাজারেও হরতালের সমর্থনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এছাড়া জনি দে ও মো. কালুুর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।
ঈদগড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, হিন্দু কল্যাণ সমিতির সভাপতি অধির বাবু, ডা. রাধে শ্যাম আচার্য্য, বাজার সমিতির সেক্রেটারি নিজাম উদ্দীন, সিএনজি চালিত অটোরিকশা সমিতির সভাপতি আব্দুস সালাম, সেক্রেটারি নেজাম উদ্দীন, টম টম সমিতির সভাপতি এহসানুল হক, সেক্রেটারি আয়ুব আলম, ফার্নিচার সমিতির সেক্রেটারি নাছির উদ্দীন, সমাজসেবক বনি আমিন, সৌদি প্রবাসী ফরিদ আহাম্মদসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, ঈদগড়বাসীর ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হলেও এখনও হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। অনতিবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও ঈদগড় সড়কের ডাকাত প্রবণ স্থানে সেনা বা বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে ঈদগাওর হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুর্বৃত্তের হামলায় খুন হন শিল্পী জনি দে। হামলার সময় জনির সঙ্গে একই গাড়িতে থাকা আহত মোহাম্মদ কালুর চমেক হাসপাতালে শনিবার বিকালে মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত জনি দের বাবা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। জনি দের পরিবারের দাবি, তার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে জনিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।








