তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার উচালিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সরাইল থানা পুলিশ অন্তত একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদ সদস্য যুবলীগ নেতা পায়েল হোসেন মৃধার সমর্থকেরা সরাইল শহীদ মিনারের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় সরাইল উপজেলা সদরের গরুর বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন মিল্লাতের সমর্থকদের গায়ে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে উভয়পক্ষের সমর্থকেরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন।
আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এসএসপি) মো. আনিসুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এসএসপি) মো. আনিসুর রহমান বলেন, যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য একই দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংর্ঘষে পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন জনকে আটক করা হয়েছে। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনও মামলা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন তিনি।








